ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড
সিলেট টেস্ট: ক্যারিবীয় পেসারদের তোপে দিনশেষে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন
সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান
শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা
সাফ সভাপতি আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ, তাই সাফ আয়োজনে প্রচারণা নেই বাফুফের
বিশ্বকাপ দর্শকদের জন্য ১৫ হাজার ডলারের ভিসা বন্ড শর্ত বাতিল করলো যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে আসা বিদেশি দর্শকদের জন্য আরোপিত সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলারের ভিসা বন্ড শর্ত স্থগিত করেছে বলে বুধবার নিশ্চিত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক অনেক বিদেশি সমর্থকের জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়া কিছুটা সহজ হলো। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ১১ জুন।
গত বছর চালু হওয়া এই বন্ড নীতির আওতায় এমন দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের হার বেশি অথবা নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ ছিল। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের বৃহত্তর অভিবাসন কঠোর নীতির অংশ ছিল।
মোট ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর এই
বন্ড শর্ত প্রযোজ্য ছিল। এর মধ্যে আলজেরিয়া, কাবো ভার্দে, আইভরি কোস্ট, সেনেগাল ও তিউনিসিয়া বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী সচিব মোরা নামদার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও সেরা ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। যারা বিশ্বকাপের টিকিট কিনেছেন এবং ফিফা পাস সিস্টেমে যুক্ত হয়েছেন, তাদের জন্য আমরা ভিসা বন্ড শর্ত মওকুফ করছি। তিনি জানান, ফিফা পাস ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত ভিসা সাক্ষাৎকারের সুবিধাও দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তকে ট্রাম্প প্রশাসনের সাধারণ কঠোর অভিবাসন নীতির তুলনায় একটি ব্যতিক্রমী শিথিলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক দর্শকদের একটি অংশের ভ্রমণ ব্যয় ও জটিলতা কমবে। এর আগে বিশ্বকাপের খেলোয়াড়, কোচ ও কিছু
কর্মকর্তা বন্ড শর্ত থেকে অব্যাহতি পেলেও সাধারণ দর্শকদের জন্য তা বহাল ছিল। অভিবাসন কঠোর নীতির কারণে প্রশাসন সমালোচনার মুখেও পড়েছে। সমালোচকদের দাবি, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের ঐক্যের চেতনার সঙ্গে এসব নীতি সাংঘর্ষিক। উদাহরণ হিসেবে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরান ও হাইতি থেকে আগত দর্শনার্থীদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও বিশ্বকাপ সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা এর বাইরে থাকবেন। এছাড়া বিদেশি ভ্রমণকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা এবং বিমানবন্দরে আইসিই কর্মকর্তাদের মোতায়েন নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এসব কারণে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন নাগরিক ও মানবাধিকার সংগঠন যৌথভাবে 'ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি' প্রকাশ করে ভ্রমণকারীদের সতর্ক করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল শিল্পের প্রধান সংগঠনও জানিয়েছে, ভিসা জটিলতা
ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক পর্যটকের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এতে বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রত্যাশিত হোটেল বুকিংও কম হয়েছে। বন্ড নীতির আওতায় থাকা দেশগুলোর ভিসা আবেদনকারীদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলার জমা রাখতে হতো। ভিসার শর্ত মেনে চললে বা আবেদন বাতিল হলে সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক বিশ্বকাপ দর্শক এই নীতির আওতায় পড়েছিলেন। তবে টিকিট বিক্রি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা পরিবর্তিত হচ্ছিল। জানা গেছে, ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বন্ড শর্ত প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছিল এবং বিষয়টি নিয়ে কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছিল।
বন্ড শর্ত প্রযোজ্য ছিল। এর মধ্যে আলজেরিয়া, কাবো ভার্দে, আইভরি কোস্ট, সেনেগাল ও তিউনিসিয়া বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী সচিব মোরা নামদার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও সেরা ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে। যারা বিশ্বকাপের টিকিট কিনেছেন এবং ফিফা পাস সিস্টেমে যুক্ত হয়েছেন, তাদের জন্য আমরা ভিসা বন্ড শর্ত মওকুফ করছি। তিনি জানান, ফিফা পাস ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত ভিসা সাক্ষাৎকারের সুবিধাও দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তকে ট্রাম্প প্রশাসনের সাধারণ কঠোর অভিবাসন নীতির তুলনায় একটি ব্যতিক্রমী শিথিলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক দর্শকদের একটি অংশের ভ্রমণ ব্যয় ও জটিলতা কমবে। এর আগে বিশ্বকাপের খেলোয়াড়, কোচ ও কিছু
কর্মকর্তা বন্ড শর্ত থেকে অব্যাহতি পেলেও সাধারণ দর্শকদের জন্য তা বহাল ছিল। অভিবাসন কঠোর নীতির কারণে প্রশাসন সমালোচনার মুখেও পড়েছে। সমালোচকদের দাবি, বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের ঐক্যের চেতনার সঙ্গে এসব নীতি সাংঘর্ষিক। উদাহরণ হিসেবে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরান ও হাইতি থেকে আগত দর্শনার্থীদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও বিশ্বকাপ সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা এর বাইরে থাকবেন। এছাড়া বিদেশি ভ্রমণকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা এবং বিমানবন্দরে আইসিই কর্মকর্তাদের মোতায়েন নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এসব কারণে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন নাগরিক ও মানবাধিকার সংগঠন যৌথভাবে 'ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি' প্রকাশ করে ভ্রমণকারীদের সতর্ক করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোটেল শিল্পের প্রধান সংগঠনও জানিয়েছে, ভিসা জটিলতা
ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক পর্যটকের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এতে বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রত্যাশিত হোটেল বুকিংও কম হয়েছে। বন্ড নীতির আওতায় থাকা দেশগুলোর ভিসা আবেদনকারীদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলার জমা রাখতে হতো। ভিসার শর্ত মেনে চললে বা আবেদন বাতিল হলে সেই অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক বিশ্বকাপ দর্শক এই নীতির আওতায় পড়েছিলেন। তবে টিকিট বিক্রি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা পরিবর্তিত হচ্ছিল। জানা গেছে, ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বন্ড শর্ত প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছিল এবং বিষয়টি নিয়ে কয়েক মাস ধরে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলছিল।





