‘ভোট এলেই ওরা আশ্বাস পায়, এরপর সবাই ভুলে যায়’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
     ৮:১০ অপরাহ্ণ

আরও খবর

জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক

‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে?

শতাংশের অদ্ভুত সমীকরণ: তারেক রহমানের ‘ফ্লাইওভার তত্ত্বে’ হাসছে সাধারণ মানুষ

অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি কোথায়

জুলাইয়ের পর রান্নাঘরেও বিপ্লব, গ্যাস সংকটের আড়ালে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য : আমদানি কমলো দেড় লাখ টন, চুলা নিভলো কোটি ঘরে

ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে

কাঁপছে ঢাকার মসনদ, কী বার্তা আসছে দিল্লি থেকে? দিল্লির প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি শেখ হাসিনা

‘ভোট এলেই ওরা আশ্বাস পায়, এরপর সবাই ভুলে যায়’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ | ৮:১০ 203 ভিউ
দেশের চিরচেনা মৃৎ শিল্প এখন প্লাস্টিক সামগ্রীর ভিড়ে বিলুপ্তির পথে। দেশের বিভিন্ন স্থানের মতো মীরসরাইয়েও মৃৎ শিল্পীদের ঘরে ঘরে হাহাকার নেমে এসেছে। ব্যবহার কমে যাওয়ায় বদলে যাচ্ছে কুমারপাড়ার দৃশ্যপট। মীরসরাইয়ের বিভিন্ন কুমারপাড়ার বাসিন্দাদের জীবনে দুর্দিন নেমে এসেছে। তারা দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। অনেকে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া নতুনভাবে যোগ হয়েছে মাটি ও পুঁজি সংকট। মীরসরাইয়ের প্রাচীনতম সবচেয়ে বড় কুমার পাড়াটি ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছত্তরুয়া গ্রামে অবস্থিত। ওই পাড়ায় এ পেশার সঙ্গে জড়িত অর্ধশতাধিক কুমার পরিবার। যারা শুধু মাটির জিনিসই তৈরি করেন। সম্প্রতি সরেজমিনে ওই কুমার পাড়ায় গিয়ে জানা গেছে কুমার-কুমারী ও তাদের পরিবার পরিজনের কষ্টের কাহিনী।

পূর্বপুরুষের রেখে যাওয়া এই পেশা ধরে রাখতে এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন তারা। আগে মাটির কলস, পূঁজার ঘট, থালা-বাসনসহ অনেক কিছু তৈরি করা হতো। কিন্তু চরকা ঘোরানোর লোক থাকায় এখন পিঠা তৈরির খোলা ছাড়া আর কিছুই তৈরি করেন না তারা। কথা হয় কুমার পাড়ার বাসিন্দা অনিল চন্দ্র পালের সঙ্গে। তিনি জানান, তার বাবা সুরেশ চন্দ্রের হাতেখড়িতে মাটির জিনিসপত্র তৈরি করা শিখেছেন তিনি। তাদের মাটির তৈজসপত্র তৈরির একটি চরকাও রয়েছে। চরকাটি কেবল তার বাবাই চালাতে জানতেন। কিন্তু কয়েক বছর আগে তার বাবা মারা যাওয়ার পর চরকাটি আর ঘোরানো হয় না। ফলে এখন শুধু পিঠা তৈরির খোলা বানানো হয়ে থাকে। প্রতিটি খোলা পাইকারি

২০ টাকা করে বিক্রি করেন। পল্লীর বাসিন্দা মিলন পাল বলেন, আমরা অনেক সংকটে রয়েছি। বর্তমানে আমাদের মাটি নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। সব ধরণের মাটি দিয়ে তো আর তৈজসপত্র তৈরি করা যায় না। তাই অন্য জায়গা থেকে এই মাটি কিনে আনার সময় পুলিশ গাড়ি আটকে রাখে। বিষয়টি কয়েক বছর আগে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তার দেওয়া তথ্য মতে, বিভিন্ন সংকটের কারণে দুই শতাধিক বছরের পুরোনো এই শিল্প এখন প্রায় বিলুপ্তের পথে। মাটি ও পুঁজির যোগান দিতে স্বল্প সুদে ঋণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একটি আবেদনও দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা শিউলি রানী পাল জানান, বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন

যখন সামনে আসে তখন প্রার্থীদের নানান প্রতিশ্রুতির জোয়ারে ভাসে পুরো কুমার পাড়া। কুমার পাড়ার সচেতন মানুষের দেওয়া বিভিন্ন দাবি দাওয়া পূরণেরও আশ্বাস দেওয়া হয়। নির্বাচন যায় নির্বাচন আসে। প্রার্থীরা বিজয়ী হন। দিন যায় মাস আসে, বছর কেটে যায়। কিন্তু সেই আগের মতই অবহেলিত রয়ে যায় কুমার পাড়া। ছত্তরুয়া মৃৎ শিল্পি সমিতির সভাপতি মৃদুল চন্দ্র পাল বলেন, এর আগে একাধিকবার সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো ফল পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি আবার করেছি। সরকারি বেসরকারি অবহেলার কারণে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না ওই পেশায় জড়িতরা। ফলে অচিরেই বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কেবল পূর্বপুরুষের পেশাকে টিকিয়ে রাখার জন্যই তারা

এখনো শত প্রতিকূলতা মাড়িয়ে এ পেশায় জড়িয়ে আছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন, কুমারপাড়ার বাসিন্দাদের সংকটের কথা আমি জানি না। ওনারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে মাটির সংকট নিরসনে চেষ্টা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক ‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে? শতাংশের অদ্ভুত সমীকরণ: তারেক রহমানের ‘ফ্লাইওভার তত্ত্বে’ হাসছে সাধারণ মানুষ অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি কোথায় খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস কর্তৃক মেটিক্যুলাস ডিজাইনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও ছাত্র-জনতাসহ যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে জুলাইয়ের পর রান্নাঘরেও বিপ্লব, গ্যাস সংকটের আড়ালে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য : আমদানি কমলো দেড় লাখ টন, চুলা নিভলো কোটি ঘরে ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে কাঁপছে ঢাকার মসনদ, কী বার্তা আসছে দিল্লি থেকে? দিল্লির প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি শেখ হাসিনা কড়াইল বস্তিতে ফ্ল্যাটের প্রতিশ্রুতি: তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, ইসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে প্রতিশ্রুতির রাজনীতি, নীরবতার কমিশন তারেক রহমান, বিএনপি, এনসিপি ও রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার মুখোশ ভোটাধিকার হরণ ও ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের নাটক: গণতন্ত্রের নামে এক নির্মম রাষ্ট্রীয় প্রহসন জঙ্গিদের নতুন বৈশ্বিক হাব বাংলাদেশ: রাষ্ট্রীয় ও সামরিক পৃষ্ঠপোষকতায় চরম ঝুঁকির মুখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা! জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সাংবিধানিক সংকট, হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট লিফলেট বিতরণ ও দেয়াললিখন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’ জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প