ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
ভোটের রাজনীতির হিসাবে বিএনপি-জামায়াত চায় আওয়ামী লীগ থাকুক:মঞ্জু
একসময় জামায়াতের আমির বলেছিলেন, তারা আওয়ামী লীগকে ‘মাফ’ করে দিয়েছেন। কিন্তু এর অর্থ কী? আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে তাদের অবস্থান কি সত্যিই সুস্পষ্ট? এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু এক টকশোতে এ বিষয়ে বললেন, "বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ থাকলে বিএনপি এবং জামায়াত-দুই দলেরই লাভ।"
মঞ্জুর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে, তখন বিএনপি-জামায়াত জোট ধরে রাখতে পারে। এতে বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে এবং জামায়াতও বেশি আসন পায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়ে গেলে বিএনপি এককভাবে রাজনীতিতে উঠে আসে, আর জামায়াত নিগৃহীত হয়, আলাদা হয়ে পড়ে। বর্তমানে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে যে দূরত্ব দেখা যাচ্ছে, তা এই কারণেই।
আওয়ামী লীগ
থাকলে বিএনপির আরও একটি সুবিধা হয়-তারা ইসলামপন্থী ও ধর্মীয় দলগুলোর ভোট পায়। আওয়ামী লীগকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে বিএনপি এই ভোট ব্যাংক ধরে রাখতে চায়, এবং ধর্মভিত্তিক দলগুলোও বিএনপির প্রতি নমনীয় হয়। ১৯৯১ সালের পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে, বিএনপি-জামায়াত একসাথে থাকলে তারা আওয়ামী লীগকে হারাতে পারে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে বিএনপি-জামায়াত আলাদা হয়ে গেলে আওয়ামী লীগ সহজেই ক্ষমতায় আসে। এই কারণেই বিএনপি ও জামায়াত সাম্প্রতিক সময়ে নমনীয় অবস্থান নিচ্ছে। হাসিনা সরকার টিকে গেলে বিএনপি-জামায়াত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতো। কিন্তু এবার শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বিএনপি-জামায়াতের নাম নেননি, যা বেশ চমকপ্রদ। অথচ সাম্প্রতিক হামলাগুলোর ছবিতে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের উপস্থিতি স্পষ্ট। বিএনপি-জামায়াত প্রকাশ্যে এ ঘটনাগুলোকে সমর্থন না
করলেও বাস্তবে তাদেরই সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। মঞ্জু বলেন,এটাই প্রমাণ করে যে ভোটের রাজনীতির হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি-জামায়াত মনে করে আওয়ামী লীগ থাকাই তাদের জন্য সুবিধাজনক। কারণ আওয়ামী লীগ না থাকলে মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে শুধু একজন। আর একক খেলোয়াড়ের মাঠে টিকে থাকা কঠিন। তাই বিএনপি-জামায়াতের জন্য সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতি হলো, আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখে নিজেদের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ করা।
থাকলে বিএনপির আরও একটি সুবিধা হয়-তারা ইসলামপন্থী ও ধর্মীয় দলগুলোর ভোট পায়। আওয়ামী লীগকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে বিএনপি এই ভোট ব্যাংক ধরে রাখতে চায়, এবং ধর্মভিত্তিক দলগুলোও বিএনপির প্রতি নমনীয় হয়। ১৯৯১ সালের পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে, বিএনপি-জামায়াত একসাথে থাকলে তারা আওয়ামী লীগকে হারাতে পারে। কিন্তু ১৯৯৬ সালে বিএনপি-জামায়াত আলাদা হয়ে গেলে আওয়ামী লীগ সহজেই ক্ষমতায় আসে। এই কারণেই বিএনপি ও জামায়াত সাম্প্রতিক সময়ে নমনীয় অবস্থান নিচ্ছে। হাসিনা সরকার টিকে গেলে বিএনপি-জামায়াত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতো। কিন্তু এবার শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বিএনপি-জামায়াতের নাম নেননি, যা বেশ চমকপ্রদ। অথচ সাম্প্রতিক হামলাগুলোর ছবিতে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের উপস্থিতি স্পষ্ট। বিএনপি-জামায়াত প্রকাশ্যে এ ঘটনাগুলোকে সমর্থন না
করলেও বাস্তবে তাদেরই সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে। মঞ্জু বলেন,এটাই প্রমাণ করে যে ভোটের রাজনীতির হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি-জামায়াত মনে করে আওয়ামী লীগ থাকাই তাদের জন্য সুবিধাজনক। কারণ আওয়ামী লীগ না থাকলে মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে শুধু একজন। আর একক খেলোয়াড়ের মাঠে টিকে থাকা কঠিন। তাই বিএনপি-জামায়াতের জন্য সবচেয়ে ভালো পরিস্থিতি হলো, আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখে নিজেদের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ করা।



