
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

ঈদেও নিষ্ক্রিয় সেই সব ‘কিংস পার্টি’

রোডম্যাপসহ নানা দাবি উত্তপ্ত হবে রাজপথ

‘দল ক্ষমতায় না গেলেও মিথ্যা মামলা, হামলা ও চাঁদাবাজি শুরু করেছে’

পরিস্থিতি বুঝে জোটবদ্ধ নির্বাচন করতে বাঁধা নেই: আখতার হোসেন

জয়দীপের লেখা ধর্মীয় সহিংসতার উস্কানি সৃষ্টির অপচেষ্টা: এবি পার্টি

ঈদ আনন্দ মিছিল, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের বিবৃতি

চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিএনপি নেতা নিপুনকে অব্যাহতি
আওয়ামী লীগকে পরাজিত করা গেলেও নির্মূল করা সম্ভব নয়: গোলাম মাওলা রনি

সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, গত ৩০ বছরের গ্লোবাল ও রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো ক্ষমতা পৃথিবীর আর কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের ছিল না। বিচার বিভাগ, সিভিল প্রশাসন, সামরিক প্রশাসন—সকল স্তরে একত্রে তার নেতৃত্ব মেনে চলার এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। কিন্তু এত বিশাল ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিনি বিএনপি বা জামায়াতের অস্তিত্ব মুছে ফেলতে পারেননি, বরং তাদের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালে জামায়াতের রোকন সংখ্যা ছিল ৩৫,০০০, যা ২০২৪ সালে বেড়ে ২ লাখে পৌঁছেছে। এটি প্রমাণ করে যে, দল নিষিদ্ধ করলেই তার কার্যক্রম থেমে যায় না, বরং
আরও গোপনে তা বিস্তার লাভ করে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেও তাদের সমর্থন পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়, কারণ একটি রাজনৈতিক দলের শিকড় যদি গভীরে প্রোথিত থাকে, তবে সেটিকে একেবারে মুছে ফেলা যায় না। রনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভিত্তি শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মতো ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই দল একটি বৃক্ষে পরিণত হয়েছে, যার অসংখ্য শাখা-প্রশাখা রয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। অতএব, শক্তি প্রয়োগ করে বা নিষিদ্ধ করে কোনো রাজনৈতিক দলকে সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব নয়। তিনি বিএনপির শাসনামলের উল্লেখ করে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি
যে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে, আওয়ামী লীগ সেই একই পথে হেঁটেছে। ফলস্বরূপ, জনগণের মধ্যে তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। বিএনপির কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও, তারা সেই আদর্শ ধরে রাখতে পারেনি। তিনি মনে করেন, কোনো রাজনৈতিক শক্তিকে নির্মূল করতে হলে আদর্শের জায়গায় আঘাত হানতে হবে, শুধুমাত্র শারীরিক নিপীড়ন বা দমননীতি কাজে আসবে না। রনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বহু বিরোধী নেতাকর্মী নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তবু তারা শেখ হাসিনার প্রতি সহানুভূতিশীল। ঠিক তেমনি, জামায়াতের নেতাদের প্রতি তাদের অনুসারীরা গভীর শ্রদ্ধাশীল, যা শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার মতো আলোচনা শোনা গেলেও, বাস্তবে তা সম্ভব
নয়। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলোর শিকড় জনগণের মধ্যে অনেক গভীরভাবে প্রোথিত থাকে। ১৯৫২-৫৪ সালের মতো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বুঝতে হবে, ২০২৪ সালের প্রেক্ষাপটও বিবেচনায় নিতে হবে। ক্ষমতা প্রয়োগ করে একটি আদর্শকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়, বরং জনগণের মনের গভীরে প্রবেশ করে তাদের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন ঘটানোই টেকসই সমাধান।
আরও গোপনে তা বিস্তার লাভ করে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেও তাদের সমর্থন পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়, কারণ একটি রাজনৈতিক দলের শিকড় যদি গভীরে প্রোথিত থাকে, তবে সেটিকে একেবারে মুছে ফেলা যায় না। রনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভিত্তি শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মতো ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই দল একটি বৃক্ষে পরিণত হয়েছে, যার অসংখ্য শাখা-প্রশাখা রয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। অতএব, শক্তি প্রয়োগ করে বা নিষিদ্ধ করে কোনো রাজনৈতিক দলকে সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব নয়। তিনি বিএনপির শাসনামলের উল্লেখ করে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি
যে অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে, আওয়ামী লীগ সেই একই পথে হেঁটেছে। ফলস্বরূপ, জনগণের মধ্যে তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। বিএনপির কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও, তারা সেই আদর্শ ধরে রাখতে পারেনি। তিনি মনে করেন, কোনো রাজনৈতিক শক্তিকে নির্মূল করতে হলে আদর্শের জায়গায় আঘাত হানতে হবে, শুধুমাত্র শারীরিক নিপীড়ন বা দমননীতি কাজে আসবে না। রনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বহু বিরোধী নেতাকর্মী নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তবু তারা শেখ হাসিনার প্রতি সহানুভূতিশীল। ঠিক তেমনি, জামায়াতের নেতাদের প্রতি তাদের অনুসারীরা গভীর শ্রদ্ধাশীল, যা শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার মতো আলোচনা শোনা গেলেও, বাস্তবে তা সম্ভব
নয়। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলোর শিকড় জনগণের মধ্যে অনেক গভীরভাবে প্রোথিত থাকে। ১৯৫২-৫৪ সালের মতো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বুঝতে হবে, ২০২৪ সালের প্রেক্ষাপটও বিবেচনায় নিতে হবে। ক্ষমতা প্রয়োগ করে একটি আদর্শকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়, বরং জনগণের মনের গভীরে প্রবেশ করে তাদের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন ঘটানোই টেকসই সমাধান।