২০২৬ বিশ্বকাপ: গ্রুপ ডি প্রিভিউ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ June, ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপ: গ্রুপ ডি প্রিভিউ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ June, ২০২৬ |
৪৮ দলের বিশ্বকাপে ১২ গ্রুপের ভেতর ‘ডি’ গ্রুপটা একটু আলাদা। কারণ এই গ্রুপে আপনি কোনো দলকেই দুর্বল বলে দিতে পারবেন না! স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র আছে এই গ্রুপে, হোম অ্যাডভান্টেজ পাবে দলটি। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে আসা তুর্কি আসছে তাদের সোনালী প্রজন্ম নিয়ে। ফিজিক্যাল ফুটবল খেলা প্যারাগুয়ে যেমন আছে, তেমনি ‘এশিয়ার’ পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াও আছে এই গ্রুপে। দল প্রিভিউ- যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪ সালে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। সেবার তারা শেষ ষোলতে পৌঁছেছিল। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল অনেক এগিয়ে গেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রর খেলোয়াড়রা ইউরোপের সেরা ক্লাবে খেলেন। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ এসি মিলানে, মালিক টিলম্যান বায়ার লেভারকুসেনে, আর ফোলারিন বালোগান মোনাকোতে। বর্তমান প্রজন্মকে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের সেরা প্রজন্ম

বলে দিলেও অমূলক হবে না। দলটির কোচ মরিসিও পচেত্তিনো একজন অভিজ্ঞ কোচ। তিনি টটেনহ্যাম, প্যারিস সেন্ট-জার্মেই ও চেলসিতে কাজ করেছেন। কিন্তু জাতীয় দল কোচিং তার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। তার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সঠিক গঠন খুঁজে পাওয়া। শেষ ৪ ম্যাচে তিনি ৩টি ভিন্ন ভিন্ন ছকে দলকে খেলিয়েছেন। এই ঘন ঘন পরিবর্তন মানে কোচ নিজেই নিশ্চিত নন কোনটি সেরা গঠন। তার ওপর এই ম্যাচগুলোয় বেলজিয়ামের কাছে ৫-২ আর পর্তুগালের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে তার দল। ফলে প্রস্তুতিটা নড়বড়ে বলেই মনে হচ্ছে দলটির আক্রমণভাগ মোনাকোয় খেলা স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান সবশেষ মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে ফরাসি লিগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। তিনি গোল করতে পারেন, বল ধরে রাখতে পারেন এবং

দলের সাথে সংযোগ তৈরি করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার পজিশনে দীর্ঘদিন ধরে যে শূন্যতা ছিল, বালোগান সেটা পূরণ করতে পারছেন। তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ছুটে এসে সঠিক জায়গায় থাকা। ডিফেন্ডাররা তাকে মার্ক করলেও তিনি সুযোগ তৈরি করতে পারেন। মালিক টিলম্যান বুন্দেসলিগার সবচেয়ে সফল দলগুলোর একটিতে খেলেন। তিনি বল বহন করে সামনে এগিয়ে যান এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণে ফাঁকা জায়গা তৈরি করেন। তার উপস্থিতি মানে পুলিসিচের উপর চাপ কমে। দুজন একসাথে থাকলে প্রতিপক্ষকে দুটি হুমকি সামলাতে হয়। মিডফিল্ড তাদের পেছনে ওয়েস্টন ম্যাককেনি থাকবেন দলটির মাঝমাঠের মেরুদণ্ড হয়ে। মিডফিল্ডে রক্ষণাত্মক কাজ করতে পারেন, আবার প্রয়োজনে সামনেও যেতে পারেন। টাইলার অ্যাডামস দলটির বড় ভরসার নাম হয়ে রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডে

থাকবেন। তার কাজ হবে ম্যাককেনিকে আরও বেশি আক্রমণে যাওয়ার স্বাধীনতা এনে দেওয়া। তাদের সামনে থাকবেন দলের অধিনায়ক ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ। এসি মিলানে থাকা পুলিসিচ অবশ্য শেষ মৌসুমটা ভালো কাটাতে পারেননি। জাতীয় দলের হয়ে ৮ ম্যাচে গোল নেই, এসি মিলানের হয়েও চলতি বছর গোল পাননি। তবে তার চেয়ে বড় বিষয়, তিনি একেবারেই ছন্দে নেই। দলের সবচেয়ে সৃষ্টিশীল খেলোয়াড় হওয়ার কথা ছিল তার। সে কারণে বিশ্বকাপের আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন বিশ্বকাপে কি তিনি ফর্মে ফিরবেন? সেটা যদি ফিরতে পারেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সমস্যার সমাধানও মিলে যাবে। রক্ষণভাগ গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজ ফ্রিজ এই বিশ্বকাপ সাইকেলে যুক্তরাষ্ট্রর নিয়মিত গোলকিপার হয়েছেন। তিনি ম্যাট টার্নারকে পেছনে ফেলে

প্রথম পছন্দ হয়েছেন। শট থামানোর দক্ষতায় তিনি নির্ভরযোগ্য। কিন্তু বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে টানা চাপ সামলাতে পারবেন কিনা সেটাই প্রশ্ন। ক্রিস রিচার্ডস ক্রিস্টাল প্যালেসে প্রিমিয়ার লিগে দারুণ সিজন পার করেছেন। তিনি রক্ষণের নেতৃত্ব দেবেন। বেলজিয়াম ম্যাচে তিনি চোটে ছিলেন। তার ফিটনেস বিশ্বকাপের আগে ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। ৩৭ বছর বয়সী টিম রিমের অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু গতি কমে গেছে। বেলজিয়াম ম্যাচে তার দুর্বলতা চোখে পড়েছে বাজেভাবে। অ্যান্টনি রবিনসন লেফট ফ্ল্যাঙ্কে যুক্তরাষ্ট্রর সেরা অপশন। তিনি আক্রমণে ওঠেন এবং রক্ষণেও ফিরে আসেন দ্রুত। টিমোথি উইয়াহ ও রবিনসনের উপস্থিতি দুই ফ্ল্যাঙ্কে দলকে বেশ জায়গা তৈরি করে দেয় দলকে। যুক্তরাষ্ট্রর সম্ভাব্য একাদশ গোলকিপার: ফ্রিজ রক্ষণ: রিচার্ডস — ট্রাস্টি —

ম্যাকেঞ্জি মিডফিল্ড: উইয়াহ — ম্যাককেনি — অ্যাডামস — রবিনসন আক্রমণ: টিলম্যান — বালোগান — পুলিসিচ ঘরের মাঠের সুবিধা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে? যুক্তরাষ্ট্রর তিনটি ম্যাচের দুটি লস অ্যাঞ্জেলেসে। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে লক্ষাধিক যুক্তরাষ্ট্রের দর্শক থাকবে। সেই পরিবেশ প্রতিপক্ষকে ঘাবড়ে দিতে পারে বৈকি। প্যারাগুয়ে যারা ধীরে ধীরে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে পছন্দ করে, তারা এই পরিবেশে বিশেষ অসুবিধায় পড়বে। দর্শকের চাপে তারা ভুল করতে পারে। চ্যালেঞ্জ পুলিসিচ ফর্মে নেই বহু দিন ধরে। কোচ পচেত্তিনোর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখানেই। রক্ষণে দীর্ঘ চাপ সামলানোর ক্ষমতা নেই। প্যারাগুয়ের মতো দলের বিপক্ষে বিষয়টা বিপাকে ফেলতে পারে তাদের। শেষ ৪ ম্যাচে ৩ ফরমেশনে খেলেছে দলটি। দলের প্ল্যান এ এখনও ঠিক নেই। টিম প্রিভিউ: প্যারাগুয়ে প্যারাগুয়ে ২০১০ সালে দক্ষিণ

আফ্রিকায় কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়েছিল। সেটাই ছিল তাদের সেরা বিশ্বকাপ সাফল্য। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বাছাইপর্ব থেকেই বাদ পড়েছিল। ২০২২ সালেও বাদ পড়েছিল। এবার ১৬ বছর পর তারা ফিরছে। ২০২৪ কোপা যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্যারাগুয়ে তিনটি ম্যাচের তিনটিতেই হেরেছিল। তখন আর্জেন্টিনার কোচ আলফারোকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। আলফারো মাত্র কয়েক মাসে পুরো দলকে বদলে দিলেন। তার অধীনে দলটা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়েকে হারিয়েছে, অপরাজিত থেকেছে টানা ৮ ম্যাচে। তাতেই দলটার ধার বুঝা যাচ্ছে। দলটা রক্ষণকে প্রাধান্য দেয় সবচেয়ে বেশি। বাছাইপর্বে ১৪ গোল করেছে ১৮ ম্যাচে, যা সরাসরি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা দলগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন। বিপরীতে হজমও করেছে মোটে ১০ গোল, তাতেই পরিষ্কার দলটা কেমন পোক্ত রক্ষণ নিয়ে আসছে এবার। আক্রমণভাগ মিগেল আলমিরন প্যারাগুয়ের আক্রমণের নিউক্লিয়াস। তিনি গতিশীল, বেশ টেকনিক্যাল এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করতে পারেন। নিউক্যাসল ইউনাইটেডে তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো কাউন্টার অ্যাটাকে তার গতি। প্যারাগুয়ে বল পায়ে পেলে আলমিরন চোখের পলকে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ঢুকে যান। তার সঙ্গে হুলিও এনসিসো আছেন, যিনি স্ট্রাসবুর্গের হয়ে ফরাসি লিগে খেলেন। মাত্র ২০-২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় দলের গোপন অস্ত্র হয়ে উঠতে পারেন। দূরপাল্লার শট তার সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা। আন্তোনিও সানাব্রিয়া বেশ ফিজিক্যাল স্ট্রাইকার, এই গুণ কোচ গুস্তাভ আলফারোর বেশ পছন্দেরও বৈকি। তিনি বল হোল্ড করে রাখতে পারেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের টেনে আনেন এবং অন্যদের জন্য জায়গা তৈরি করেন। আলমিরন ও এনসিসো তার কারণে বেশি সুযোগ পেতে পারেন। মিডফিল্ড দিয়েগো গোমেজ বক্স-টু-বক্স মিডফিল্ডার। বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণেও তা সরবরাহ করেন। তিনি আলমিরন ও এনসিসোর সংযোগ তৈরি করেন। আন্দ্রেস কুবাস ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডের প্রাণ। রক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে প্রথম বাধাটা তৈরি করেন তিনি। রক্ষণভাগ গুস্তাভো গোমেজ রক্ষণে প্যারাগুয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তিনি দলের নেতা। এরিয়াল ডুয়েলে তিনি অসাধারণ। কর্নার ও ফ্রি কিকে বিপক্ষের স্ট্রাইকারদের আটকে রাখতে পারেন। তার উপস্থিতিতে পুরো রক্ষণ আত্মবিশ্বাসী থাকে। তার সঙ্গে অন্য সেন্টারব্যাক ওমার আলদেরেতে আরও বেশি কৌশলী ভূমিকা নেন। দুজনের জুটি দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্রর বাছাইপর্বে প্রমাণিত। প্যারাগুয়ের সম্ভাব্য একাদশ গোলকিপার: ফার্নান্দেজ রক্ষণ: কাসেরেস — আলদেরেতে — জি. গোমেজ — আলোনসো মিডফিল্ড: বোবাদিলা — কুবাস আক্রমণ: এনসিসো — ডি. গোমেজ — আলমিরন স্ট্রাইকার: সানাব্রিয়া চ্যালেঞ্জ মিগেল আলমিরনের বয়স হয়ে গেছে ৩২। গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচেই ৯০ মিনিট করে খেলালে তার ফিটনেস বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে দলটির। যুক্তরাষ্ট্রের কন্ডিশন আরেক চ্যালেঞ্জ তাদের। স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচে তাদের দর্শকদের চাপ সামলাতে হবে গুস্তাভ আলফারোর দলকে। দল প্রিভিউ: অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া এবার টানা ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে। ২০০৬ সালে তারা প্রথমবার শেষ ষোলে গিয়েছিল। ২০২২ সালে তারা আবার সেই সাফল্য পেয়েছিল, এমনকি আর্জেন্টিনার সাথে চোখে চোখ রেখে লড়েছিল কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে। এই প্রজন্মের অস্ট্রেলিয়া অনেক বেশি ট্যাকটিক্যালি পরিপক্ব। কোচ টনি পপোভিচ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দায়িত্ব নিয়েছেন। গ্রাহাম আর্নল্ডের সময় বাছাইপর্বে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। পপোভিচ এসে পুরো দলকে একটি স্পষ্ট পরিচয় দিয়েছেন। তার ৩-৪-২-১ গঠনে উইং-ব্যাকরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা আক্রমণেও যান, রক্ষণেও আসেন। আক্রমণভাগ নেস্টরি ইরানকুন্ডা এই অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়। তিনি এখনো টিনেজার, কিন্তু তার মতো প্রতিভা অস্ট্রেলিয়া দীর্ঘদিন দেখেনি। তার গতি তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তার সঙ্গে আছেন মোহামেদ তুরে। তিনি গতি ও দারুণ মুভমেন্টের জন্য পরিচিত। ইরানকুন্ডার সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভালো, যা মাঠেও দেখা যায়। উইঙ্গার মার্টিন বয়েল ডিরেক্ট আক্রমণে দক্ষ। দ্রুত ড্রিবলিং করে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ঢুকে যান। সেট পিসও নিতে পারেন। জর্ডান বস প্রথাগতভাবে ফরোয়ার্ড নন, তবু তার নাম এখানে আসছে তার ভূমিকার কারণে। লেফটউইংয়ে খেলেন তিনি। মার্চ ২০২৬ উইন্ডোতে সবচেয়ে বেশি চমকে দিয়েছেন বস। ক্যামেরুনের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করেছেন তিনি। ফরোয়ার্ড ইরানকুন্ডার সঙ্গে অসাধারণ বোঝাপড়া আছে তার। উইং-ব্যাক হলেও স্ট্রাইকারের মতো গোলের সামনে থাকেন। তার সঙ্গে ইরানকুন্ডার বাঁ দিকের জুটি গত ২০ বছরে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক উইং কম্বিনেশন। রক্ষণভাগ ম্যাথু রায়ানের ১০৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা আছে। তিনি তিনটি বিশ্বকাপ খেলেছেন। বড় ম্যাচে শান্ত থাকার ক্ষমতা তার আছে। ক্যামেরুন ম্যাচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেছেন। সেন্টারব্যাক হ্যারি সাউটার ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে অসাধারণ খেলেছিলেন। এরপর অ্যাকিলিস চোট পেয়েছিলেন। এখন ফিট হয়ে ফিরছেন। তার ফিরে আসা অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণকে অনেক শক্তিশালী করবে। এরিয়াল বলে তিনি অপ্রতিরোধ্য। আরেক সেন্টারব্যাক আলেসান্দ্রো সার্কাটি পার্মার হয়ে সিরি’আতে দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন। দলের অধিনায়ক হিসেবে তিনি রক্ষণকে নির্দেশনা দেন। বলে পায়েও দারুণ কাজ করতে পারেন। ক্যামেরন বার্গেস ধারাবাহিক এবং নির্ভরযোগ্য। অতিরিক্ত কিছু করেন না, কিন্তু ভুলও করেন না। অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাব্য একাদশ গোলকিপার: রায়ান রক্ষণ: সার্কাটি — সাউটার — বার্গেস মিডফিল্ড: ইতালিয়ানো — মেটকাফ — আরভিন — বস আক্রমণ: বয়েল — তুরে — ইরানকুন্ডা চ্যালেঞ্জ ফরোয়ার্ড মোহামেদ তুরে বিশ্বকাপের আগে মার্চ উইন্ডোতে গ্রোয়েন চোটের কারণে খেলতে পারেননি। তার ফিটনেস ফেরা অস্ট্রেলিয়ার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে ইরানকুন্ডার বয়স কম। গোটা দেশের বিশ্বকাপের প্রত্যাশা সামলানোর দায়িত্ব তার কাঁধে। বিশ্বকাপের মতো চাপের মঞ্চে অস্ট্রেলিয়াকে ভালো করতে হলে তাকে জ্বলে উঠতেই হবে। দল প্রিভিউ: তুরস্ক তুরস্কের বিশ্বকাপের সেরা স্মৃতি হলো ২০০২ সাল। সেবার তৃতীয় হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেছিল তারা। তবে এরপর ২৪ বছর ধরে এই বিশ্বকাপ মঞ্চে খেলতে পারেনি দলটি। সে খরা কাটিয়ে তুরস্ক আবারও বিশ্বকাপে কোচ ভিনসেঞ্জো মন্তেলার হাত ধরে। মন্তেলা একজন ইতালিয় কোচ। ইউরো ২০২৪-এর আগে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন। তার ৪-২-৩-১ গঠন দলের খেলোয়াড়দের সাথে একদম মানানসই। আক্রমণভাগ মোটে ২১ বছর বয়সী আর্দা গুলের তার বয়সের চেয়েও বেশি পরিণত। চাপ কীভাবে সামলাতে হয়, তা রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডারের চেয়ে কে ভালো বুঝবেন? তার বিশেষত্ব হলো অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে পাস বের করা ও দারুণ ড্রিবল। তাকে স্বাধীনতা দেন কোচ মন্তেলা। আর তাই প্রতিপক্ষের ওপরও চাপ বাড়াতে পারে তুরস্ক। গুলের এই তুরস্ক তো বটেই, গোটা গ্রুপেরই সবচেয়ে ট্যালেন্টেড খেলোয়াড়। তার সঙ্গে কেনান ইলদিজ আছেন। গুলের এবং ইলদিজ একসাথে মাঠে থাকলে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে দুই দিকে ভাবতে হয়। এই চাপে অনেক দল ভুল করে। কেরেম আকতুরকোগলু কসোভোর বিপক্ষে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা গোলটি করেছিলেন। তিনি গোলের চেয়ে বেশি পরিচিত তার প্রেসিং-এর জন্য। সামনে থেকে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন, যা গুলের ও ইলদিজকে সুযোগ দেয়। মাঝমাঠ হাকান চালহানোগলু তুরস্কের মিডফিল্ডের মস্তিষ্ক। তিনি পুরো দলের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করেন, ফ্রি কিক ও কর্নারে দুর্দান্ত, পেনাল্টিতেও দলের নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি তিনিই। দলের মাঝমাঠেও সবচেয়ে বড় ভরসার নাম তিনিই। রক্ষণভাগ উগুরকান চাকির কসোভো ম্যাচে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন। ৮৭তম মিনিটে ফিসনিক আসলানির কার্লিং শট থামিয়েছেন। সেই সেভ না হলে তুরস্ক বিশ্বকাপে আসতে পারত না। তিনি বড় মুহূর্তে সেরা ছন্দে থাকেন। তার সামনে সেন্টারব্যাক পজিশনে থাকবেন মেরিহ দেমিরাল ও আব্দুলকেরিম বার্দাকচি। দুজনই শক্তিশালী ডিফেন্ডার। তাদের সঙ্গে থাকা কাদিওগলু তুরস্কের সবচেয়ে গতিশীল ডিফেন্ডার। তিনি আক্রমণে যান এবং দ্রুত ফিরে আসেন। তুরস্কের সম্ভাব্য একাদশ গোলকিপার: চাকির রক্ষণ: চেলিক — দেমিরাল — বার্দাকচি — কাদিওগলু মিডফিল্ড: চালহানোগলু — ইউকসেক আক্রমণ: ইলমাজ — গুলের — ইলদিজ স্ট্রাইকার: আকতুরকোগলু চ্যালেঞ্জ হাকান চালহানোগলু দলের মাঝমাঠের প্রাণ বটে, তবে তিনি সামনে গেলে পেছনে ফাঁকা পড়ার ঝুঁকি আছে। এটাই তুরস্কের প্রধান দুর্বলতা। এদিকে দুই সেন্টারব্যাক জুটি মেরিহ দেমিরাল ও বার্দাকচি বিশ্বকাপ স্তরে এখনো পরীক্ষিত নন। এটা একটা ভাবনার বিষয় হতে পারে দলটির। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে খেলাটা আবেগের বিষয়। তবে এই আবেগ যদি বেশি হয়, তাহলে মাঠে ভুল হতে পারে। অভিজ্ঞ কোচ মন্তেলা এই ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করবেন। কে পরের রাউন্ডে যাবে? যুক্তরাষ্ট্র ফেভারিট, কিন্তু এই ফেভারিট তকমা নিশ্চিত নয়। তাদের পক্ষে আছে ঘরের মাঠ, পরিচিত পরিবেশ। তবে বিপক্ষে আছে একগাদা বিষয়। পুলিসিচ গোল পাচ্ছেন না, দলের ফরমেশন আর প্ল্যান এ’ও এখনও ঠিক হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র এই গ্রুপের ফেভারিট হলেও তাদের শীর্ষস্থান নিশ্চিত নয়, কারণ ঘরের মাঠের সুবিধা থাকলেও পুলিসিচের গোলখরা আর ফরমেশন আর প্ল্যান এ’র অভাব দলটির বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে যাচ্ছে। তবুও তারা সম্ভবত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, যদিও তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচটি কঠিন হবে। তুরস্ক এই গ্রুপে সবচেয়ে বড় চমক দেওয়া দল হতে চলেছে। গুলের, ইলদিজ ও চালহানোগলুর প্রতিভা এবং মানসিক দৃঢ়তা তাদের শক্তি, তবে অপরীক্ষিত রক্ষণ ও মাঝমাঠে ফাঁকা পড়ার দুর্বলতা সত্ত্বেও তারা সম্ভবত দ্বিতীয় হয়ে পরের রাউন্ডে যাবে। প্যারাগুয়ে সংগঠিত রক্ষণ, ডাগআউটে আলফারোর কৌশলী উপস্থিতি এবং আলমিরনের পাল্টা আক্রমণের শক্তি নিয়ে মাঠে নামবে বিশ্বকাপে। তবে গোলমুখে দলটির ধারহীনতা তাদের পথ আগলে ধরতে পারে। সঙ্গে আরও একটা সমস্যা হয়ে উঠতে পারে আলমিরন-নির্ভরতা। যার ফলে তৃতীয় স্থানেই আটকে যেতে পারে দলটি। তবে অস্ট্রেলিয়াকে হারালে সমীকরণ বদলে যেতেও পারে। অস্ট্রেলিয়া ইরানকুন্ডা-বস উইং জুটি ও পপোভিচের স্পষ্ট কৌশল নিয়েও চতুর্থ হওয়ার পথেই আছে। তার কারণ তাদের প্রতিপক্ষ তিনটিই তাদের তুলনায় শক্তিসামর্থ্যে অনেক এগিয়ে। তবে সামর্থ্যের চেয়ে ভালো খেলার নজির অস্ট্রেলিয়ার আছে বৈকি! বিশ্বাস না হলে ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা ম্যাচের দিকেই তাকান! বিশ্বকাপ শুরুর আগে সম্ভাব্য পজিশন চারে থাকলেও তাই তাদেরকে হিসেবের বাইরে রাখা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না! এই গ্রুপের চারটি দলই শক্তিসামর্থ্যে একে অন্যের খুব কাছাকাছি। ফলে গ্রুপ ডি’র প্রতিটি ম্যাচই বেশ রোমাঞ্চের আভাস দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের