ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
সেন্টমার্টিন থেকে ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
কক্সবাজারের টেকনাফ মিয়ানমার সীমান্তে সেন্ট মার্টিনের কাছে সাগর থেকে পাঁচটি মাছ ধরার ট্রলারসহ আরও অন্তত ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে দ্বীপের নিকটবর্তী দক্ষিণ-পূর্ব সাগর থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ পৌর বোট মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ।
এদিকে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির ওয়েবসাইটে সাগর থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি জেলেদের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
সাজেদ আহমেদ বলেন, ট্রলারগুলোর মধ্যে তিনটির মালিক টেকনাফ পৌর এলাকার বাসিন্দা এবং দুটির মালিক শাহপরীরদ্বীপের বাসিন্দা। তবে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা ট্রলারের জেলেদের বরাতে সাজেদ বলেন, বিকালে দক্ষিণ-পূর্ব সাগরে ২০
থেকে ৩০টি ট্রলারে করে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি স্পিডবোট এসে অস্ত্রের মুখে পাঁচটি ট্রলারসহ অন্তত ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে যান। বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। তবে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত নই।’ স্থানীয়দের মাধ্যমে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার কথা জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর আগে ৫ অগাস্ট থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত ১৩টি ট্রলারসহ ৮১ জনকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। যাদের খবর এখনও জানেন না স্বজনরা। এ
নিয়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আরাকান আর্মি ৩২৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে বিজিবির চেষ্টায় কয়েক দফায় ১৮৯ জেলে এবং ২৭টি নৌযান ফেরত আনা হয়েছে।
থেকে ৩০টি ট্রলারে করে জেলেরা মাছ ধরছিলেন। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা দুটি স্পিডবোট এসে অস্ত্রের মুখে পাঁচটি ট্রলারসহ অন্তত ৪০ জেলেকে ধরে নিয়ে যান। বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। তবে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত নই।’ স্থানীয়দের মাধ্যমে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার কথা জানিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর আগে ৫ অগাস্ট থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত ১৩টি ট্রলারসহ ৮১ জনকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। যাদের খবর এখনও জানেন না স্বজনরা। এ
নিয়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে আরাকান আর্মি ৩২৫ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে বিজিবির চেষ্টায় কয়েক দফায় ১৮৯ জেলে এবং ২৭টি নৌযান ফেরত আনা হয়েছে।



