সাফ গেমসের প্রস্তুতির জন্য ছয় মাস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ March, ২০২৫

সাফ গেমসের প্রস্তুতির জন্য ছয় মাস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ March, ২০২৫ |
সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের ২৩-৩১ জানুয়ারি পাকিস্তানে হতে যাচ্ছে সাউথ এশিয়ান গেমস। লাহোর, ইসলামাবাদ ও ফয়সালাবাদে হবে দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এ আসর। বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য আকাঙ্ক্ষার নাম এস এ গেমস। ২০১৯ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আসরে ১৯টি স্বর্ণপদক জিতেছিলেন লাল-সবুজের ক্রীড়াবিদরা। ১০ মাসের মতো বাকি গেমসের অথচ এখনও ঘুমে অনেক ফেডারেশন। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে অনেক ফেডারেশনে বইছে স্থবিরতা। কয়েকটি ফেডারেশন ধারাবাহিক প্রস্তুতি নিলেও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করতে পারেনি। এমন অবস্থায় এখনও কর্মপরিকল্পনা গুছিয়ে আনতে পারেনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনও। কয়টি ডিসিপ্লিনে কতজন অ্যাথলেট অংশ নিবে তা যেমন চূড়ান্ত হয়নি, তেমনি গেমসের প্রস্তুতি এবং অংশগ্রহণের বাজেটও আলোচনাধীন। অতীতের মতো

এবারও গেমসের প্রস্তুতি ছয় মাসের মতো হবে বলে বৃহস্পতিবার কাছে নিশ্চিত করেছেন বিওএর ট্রেনিং অ্যান্ড গেমস ডেভেলপমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব এ কে সরকার। নেপালে ১৯টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার সংখ্যাটা বেড়ে ২৫ কিংবা ২৬ হতে পারে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় এস এ গেমস সামনে রেখে ইতোমধ্যে ফেডারেশনগুলোকে চিঠি দিয়েছে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদের আগেই ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বসবেন বিওএ কর্তারা। আর এপ্রিলে নির্বাহী কমিটির সভায় চূড়ান্ত হবে বাংলাদেশ কয়টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিবে। ‘গেমসের এখনও ১০ মাস আছে। আমরা সবাইকে অর্থ ভাগ করে দিয়ে দেওয়ার পর দেখলাম ওই টাকা দিয়ে ছয় মাস ট্রেনিং করা যাবে। বাকিটা তাদেরই করে নিতে হবে। আমি মনে

করি এখন থেকেই ফেডারেশনগুলোর কর্মপরিকল্পনা শুরু করে দেওয়া উচিত। এটাই আমরা আশা করি। আমরা যদি ছয় মাসের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করি, সে হিসেবে মে মাস থেকে হয়তো ক্যাম্প শুরু করা যাবে’– বলেন এ কে সরকার। তবে বিওএর চাওয়া ফেডারেশনগুলো যেন নিজ উদ্যোগে প্রস্তুতি শুরু করে। এ প্রসঙ্গে এ কে সরকার বলেন, ‘সাফ গেমস যেহেতু একটা বড় আসর, এখানে সব ফেডারেশনই খেলতে চায়। আমাদের চেষ্টা থাকবে সম্ভাবনাময় বেশির ভাগ ফেডারেশনকে পাঠানো। কিন্তু এখানে আর্থিক বিষয়টিও জড়িত। আমরা মন্ত্রণালয়ে যে বাজেট পাঠাব, সেখানে অর্থ প্রাপ্তির বিষয়টাও থাকবে। সেই প্রাপ্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের প্রস্তুতির সময় কতদিনের হবে, তা নিশ্চিত করা যাবে। এখানে আমরা

পদক পাই, সেখানে ফেডারেশনগুলোকে একটা দায়িত্ব নিতে হবে। বলতে পারেন নিজ উদ্যোগে অনুশীলন শুরু করতে পারে তারা। ফেডারেশনগুলো কেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা জানতে আমরা ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছি।’ দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে শুটিংয়ে অচলাবস্থা। কোনো খেলা নেই। এর মধ্যে যদি অ্যাডহক কমিটি না হয়, তাহলে শুটিংয়ের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ব্যয় বহন করবে বলে জানান এ কে সরকার, ‘আমরা ঈদের আগে ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বসব। কারাতে তো কমিটি হয়েছে। তাদের আমরা ডাকব। শুটিংয়ে সাধারণ সম্পাদক নেই। বাকি তো কমিটি সদস্যের থাকার কথা। যদি খুব বেশি সমস্যা হয় শুটিংয়ের, তাহলে অলিম্পিক তার প্রশিক্ষণ ব্যয় বহন করবে। এর বাইরে কোনো রাস্তা নেই। কারণ

শুটিং তো আমাদের সম্ভাবনাময় ইভেন্ট।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিউগিনি প্রপার্টিজে ফের হামলা ও ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১৪ সুরের মূর্ছনায় মুখর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ইসলামাবাদে পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, রাত ১০টায় মঞ্চে জেমস ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য ফাঁসে রাশিয়ার দিকে সন্দেহের আঙুল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সমস্যার সমাধান: শুভেন্দু অধিকারী নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি