শ্রেয়াসকে দলে পেতে কেন মরিয়া ছিলেন পন্টিং? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ March, ২০২৫

শ্রেয়াসকে দলে পেতে কেন মরিয়া ছিলেন পন্টিং?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ March, ২০২৫ |
নিলাম থেকে একজন অধিনায়ক খুঁজছিল পাঞ্জাব কিংস। গত মৌসুমের শিরোপাজয়ী অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের দিকে নজর পড়া তাই খুবই স্বাভাবিক ছিল তাদের। তাকে ঘিরে ব্যক্তিগত আগ্রহও ছিল পাঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিংয়ের। আগে আরেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকেই যে কোনো মূল্যে তাকে দলে পেতে মুখিয়ে ছিলেন কোচ রিকি পন্টিং। সব কিছু মিলিয়েই নিলামে তরতরিয়ে বেড়েছে শ্রেয়াসের দাম। তবে পন্টিং তৃপ্ত, মনের মতো একজনকে পেয়েছেন তিনি। এবারের নিলামে ২৬ বছর বয়সি এ ব্যাটসম্যানকে ২৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে দলে নেয় পাঞ্জাব। ঋশভ পান্তের ২৭ কোটি রুপির পর তিনিই আইপিএল নিলামের ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার। গত আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন

শ্রেয়াস আইয়ার। এরপর কলকাতা তাকে ধরে রাখবে বলেই অনুমিত ছিল। কিন্তু পারিশ্রমিক নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় নিলামের টেবিলে চলে আসেন তিনি। তাকে নিয়ে কাড়াকাড়ি আর পারিশ্রমিকের চড়া অঙ্ক তাই অনুমিতই ছিল। তার পরও অঙ্কটা এত বিশাল যে, তা চোখ ধাঁধিয়ে দেয় অনেকেরই। তবে পন্টিংয়ের কাছে টাকার অঙ্ক এখানে কোনো মুখ্য ব্যাপারই নয়। মৌসুম শুরুর আগে পাঞ্জাব কোচ ব্যাখ্যা করলেন শ্রেয়াসকে দলে পেতে উঠেপড়ে লাগার কারণ। তিনি বলেন, এবারের নিলামে যদি পেছন ফিরে তাকান, তা হলে এটি মোটামুটি সবার কাছেই পরিষ্কার ছিল যে— কাকে আমি অধিনায়ক হিসেবে চাই। এবং আমাদের চাওয়া পূরণ হয়েছে। শ্রেয়াসের সঙ্গে আবার কাজ করতে মরিয়া ছিলাম আমি। দিল্লিতে

লম্বা সময় ধরে দারুণ কাজের সম্পর্ক ছিল আমাদের। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাদের মধ্যে সেরাদের একজন সে। মানুষ হিসেবে সে দারুণ। আইপিএলজয়ী অধিনায়ক। এর চেয়ে বেশি কিছু চাওয়ার থাকতে পারে না। রিকি পন্টিং বলেন, সম্ভাব্য সেরা নেতাকেই আমরা নিজেদের দলে পেয়েছি। একসঙ্গে দারুণ সময় কেটেছে আমাদের, এসেছে সাফল্য। আমার মনে হয়, পরস্পরকে খুব ভালো বুঝতে পারি আমরা। আপনারা তো জানেনই, যে কোনো দলেই কোচ-অধিনায়কের সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দুজনের সম্পর্ক খুবই ভালো এবং শক্তিশালী। এদিকে শ্রেয়াস নিজেও দারুণ রোমাঞ্চিত পন্টিংকে কোচ হিসেবে পেয়ে। দিল্লির স্মৃতি মনে করেই পাঞ্জাবের অধিনায়ক বলেন, আবার একসঙ্গে কাজ করতে তার তর সইছে না। তিনি বলেন, অন্য

এক ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তার সঙ্গে প্রায় তিন বছর কাজ করেছি। মাঠের ভেতরে-বাইরে প্রতি ক্রিকেটারকে নিয়ে তিনি কীভাবে ভাবেন, তা আমি জানি। সবার পাশে সমানভাবে থাকেন তিনি। শ্রেয়াস বলেন, অনেক দলেই দেখা যায় সিনিয়র-জুনিয়র সংস্কৃতি আছে। কিন্তু আমি যখন তার সঙ্গে প্রথমবার কাজ করি, আমাকে তিনি এই অনুভূতি দিয়েছিলেন যে, আমি দুর্দান্ত এক ক্রিকেটার এবং এই সংস্করণে সহজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে পারি। আমাকে যে আত্মবিশ্বাস তিনি জুগিয়েছেন, অন্য পর্যায়ের তা। আইপিএলের শুরু থেকে প্রতিবার নতুন আশায় মাঠে নামলেও কখনো শিরোপা জয়ের স্বাদ পায়নি পাঞ্জাব। এবার পন্টিং-শ্রেয়াস জুটিকে ঘিরে অধরা ট্রফি ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখছে দলটি। উল্লেখ্য, ২০১৫ থেকে ২০২১— আইপিএল ক্যারিয়ারের শুরুর সাত মৌসুম দিল্লি

ক্যাপিটালসে ছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। এর মধ্যে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ মৌসুমে সেখানে কোচ হিসেবে পান পন্টিংকে। অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তির কোচিংয়ে প্রথম দুই মৌসুমে ৪৬৩ ও ৫১৯ রান করেন শ্রেয়াস, এখনো যা ব্যাট হাতে তার আইপিএল ক্যারিয়ারের সেরা দুই মৌসুম।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিউগিনি প্রপার্টিজে ফের হামলা ও ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১৪ সুরের মূর্ছনায় মুখর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ইসলামাবাদে পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, রাত ১০টায় মঞ্চে জেমস ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য ফাঁসে রাশিয়ার দিকে সন্দেহের আঙুল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সমস্যার সমাধান: শুভেন্দু অধিকারী নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি