মেসির জনপ্রিয়তা হু হু করে কমে যাচ্ছে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ March, ২০২৫

মেসির জনপ্রিয়তা হু হু করে কমে যাচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ March, ২০২৫ |
২০২৩ সালে লিওনেল মেসি যোগ দিয়েছিলেন ইন্টার মায়ামিতে। মেজর লিগ সকারে ভক্তদের মধ্যে তখন জনপ্রিয়তাটা ছিল তুঙ্গে। তবে তিনি সে জনপ্রিয়তাটা দ্রুতই হারিয়ে ফেলছেন। মেসির এই হুহু করে জনপ্রিয়তা হারানোর কারণ তার অনুপস্থিতি। আর্জেন্টাইন তারকা সম্প্রতি টানা তিনটি ম্যাচে দলের বেঞ্চে থাকলেও মাঠে নামেননি, যা ভক্তদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মেসি সর্বশেষ শার্লট এফসির বিপক্ষে বেঞ্চে থাকলেও খেলেননি, এবং তার এই অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে হাভিয়ের মাসচেরানো বলছেন ‘লোড ম্যানেজমেন্ট’ এবং ইনজুরি ঝুঁকি এড়ানোর কৌশল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলপ্রেমীরা এতে সন্তুষ্ট নন। বিশেষ করে হিউস্টন ডায়নামোর বিপক্ষে ম্যাচে মেসির না খেলার কারণে ক্ষুব্ধ সমর্থকদের জন্য পরবর্তী ম্যাচের ফ্রি টিকিট অফার করতে

বাধ্য হয়েছে ক্লাবটি। অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেটভিক্টর কানাডার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ মেসিকে নিয়ে করা পোস্টের ২৪ শতাংশই নেতিবাচক, যা গত এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন জনপ্রিয়তা সূচক। ইতিবাচক পোস্টের হার মাত্র ১২ শতাংশ, যা আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় কম। এর আগে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোপা আমেরিকায় আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনকালে মেসি গোড়ালির ইনজুরিতে পড়ার পরও তার নেতিবাচক পোস্টের হার ২৪ শতাংশে পৌঁছেছিল, তবে তখনও ইতিবাচক পোস্ট ছিল ১৮ শতাংশ। এবার সেই ইতিবাচক হার আরও কমে যাওয়ায় তার জনপ্রিয়তার নিম্নমুখী ধারা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বেটভিক্টর কানাডার মুখপাত্র স্যাম বোসওয়েল বলেন, ‘গত কয়েক

সপ্তাহ মেসির জন্য সহজ ছিল না, তবে এমএলএস ভক্তরা তার প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখাচ্ছেন না। বরং এক্স-এ তার মাঠে না নামা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। গত এক মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মেসিকে নিয়ে করা পোস্টের ২৪ শতাংশ নেতিবাচক, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ১৬ শতাংশ। এটি গত এক বছরে তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। মার্চ মাসে মাত্র ১২ শতাংশ পোস্ট তার পক্ষে গেছে, যা তার জনপ্রিয়তার নতুন নিম্নস্তর। এমএলএস ভক্তদের মন জয় করতে হলে মেসিকে নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখাতে হবে।’ তবে ইন্টার মায়ামি এখনো পর্যন্ত ২০২৫ মৌসুমে অপরাজিত রয়েছে, ছয় ম্যাচের মধ্যে একটিতেও হারেনি দলটি। বৃহস্পতিবার কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে জামাইকান ক্লাব

ক্যাভালিয়ারের বিপক্ষে মাঠে নামবে দলটি। তবে সেই ম্যাচে মেসি খেলবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। এরপর রোববার তাদের প্রতিপক্ষ আটলান্টা ইউনাইটেড।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নিউগিনি প্রপার্টিজে ফের হামলা ও ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১৪ সুরের মূর্ছনায় মুখর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ইসলামাবাদে পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, রাত ১০টায় মঞ্চে জেমস ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য ফাঁসে রাশিয়ার দিকে সন্দেহের আঙুল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সমস্যার সমাধান: শুভেন্দু অধিকারী নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি