মৃত্যুর কাছে হার মানল বগুড়ার গুলিবিদ্ধ রাতুল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ

মৃত্যুর কাছে হার মানল বগুড়ার গুলিবিদ্ধ রাতুল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৫:৩৫ 201 ভিউ
বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র জুনাইদ ইসলাম রাতুল (১৫) মারা গেছে। ৪৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে সোমবার সকালে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে মারা যায়। নিহতের বাবা জিয়াউর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বগুড়ায় বিজয় মিছিলে অংশ নিতে গিয়ে রাতুল পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয়। রাতুল বগুড়া শহরের সুলতানগঞ্জপাড়া, ঘোনপাড়ার মুদি দোকানি জিয়াউর রহমানের ছেলে। সে নিশিন্দারা উপশহরের পথ পাবলিক স্কুল ও কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের খবরে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো বগুড়ায় বিজয় মিছিল বের হয়। রাতুল বড় বোন কলেজছাত্রী জেরিন ও ভগিনীপতি

আমির হামজার সঙ্গে বিজয় মিছিলে অংশ নেয়। মিছিল শহরের ঝাউতলা এলাকায় পৌঁছালে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা সদর থানায় হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ গুলি চালালে রাতুল গুরুতর আহত হয়। রাতুলের মাথায় চারটি ছররা গুলি লাগে। একটি গুলি বাম চোখের মধ্য দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ছররা গুলিবিদ্ধ হয়। রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় রাতুলকে প্রথমে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে রেফার করেন। ভর্তির পর তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকরা খুলির অংশ কেটে মগজ থেকে একটি গুলি বের করেন। এক্সরে রিপোর্টে রাতুলের মাথা, চোখসহ শরীরে শতাধিক

গুলি পেয়েছেন চিকিৎসকরা। ৩৬টি গুলি অপসারণ করেছেন তারা। এরপর তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে কয়েকদিন আগে রাতুলকে ওয়ার্ডের বেডে দেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, রাতুল বেঁচে গেলেও দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। রাতুলের বাবা জিয়াউর রহমান জানান, গত কয়েকদিন তার ছেলের অবস্থা ভালো ছিল। কথা বলেছে, খাওয়াদাওয়া করেছে। রোববার রাত ৪টার দিকে হঠাৎ তার অবস্থার অবনতি ঘটে। সোমবার সকাল ৬টার দিকে মারা যায় সে। জিয়াউর রহমান জানান, রাতুলের চিকিৎসায় এ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ও শুভাকাক্সক্ষীদের সহযোগিতায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এরপরও ছেলেকে বাঁচাতে পারলেন না। তিনি আরও জানান, সোমবার বাদ জোহর ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে রাতুলের প্রথম জানাজার পর মরদেহ বগুড়া

শহরের সুলতানগঞ্জপাড়া, ঘোনপাড়ার বাড়িতে আনা হবে। দ্বিতীয় জানাজা শেষে নামাজগড় আঞ্জুমান ই গোরস্তানে তাকে দাফন করা হবে। এদিকে সোমবার সকালে রাতুলের মৃত্যুর খবর এলে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে তার পরিবার। স্বজনরা আহাজারি করতে থাকেন। পুরো এলাকায় মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?