বিশ্বকাপ সম্প্রচারে অনুসন্ধানী রিপোর্টিংয়ের প্রভাবে দর্শকের জয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ June, ২০২৬

বিশ্বকাপ সম্প্রচারে অনুসন্ধানী রিপোর্টিংয়ের প্রভাবে দর্শকের জয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ June, ২০২৬ |
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম বাঁশি এখনও বাজেনি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল উৎসব মাঠে গড়াতে বাকি আর ৩দিন। কিন্তু বাংলাদেশে বিশ্বকাপকে ঘিরে সবচেয়ে বড় লড়াইগুলোর একটি শেষ হয়েছে। সেই লড়াই ছিল সম্প্রচার স্বত্ব। কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর খেলা দেখার অধিকার নিয়ে এবং দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটনির্ভর ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। গত কয়েক মাস ধরে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব। দেশের দর্শকরা কোথায় খেলা দেখবেন, কোন চ্যানেল সম্প্রচার করবে, সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য কত হবে এবং শেষ পর্যন্ত কারা দেখাবে সেসব নিয়ে ছিল নানা আলোচনা, গুঞ্জন ও অনিশ্চয়তা। অবশেষে সেই অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), সময় টিভি এবং টি-স্পোর্টস বিশ্বকাপের ম্যাচ

সম্প্রচার করবে। শুধু টেলিভিশনেই নয়, সময় টিভি ও টি-স্পোর্টস তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং ইউটিউব চ্যানেলেও ম্যাচ দেখাবে। পাশাপাশি ছয়টি ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও বিশ্বকাপ সম্প্রচারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের দর্শকরাও টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ট্যাব কিংবা স্মার্ট টিভির মাধ্যমে খেলা উপভোগ করতে পারবেন। বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে কোনো অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে না। তথ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী কোনো বেসরকারি সম্প্রচারমাধ্যম বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব অর্জন করলে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বিটিভি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার আওতায় সেই সম্প্রচার সুবিধা বিনামূল্যে পেতে পারে। ফলে জনগণের অর্থ ব্যয় না করেই দেশের সাধারণ দর্শকদের জন্য বিশ্বকাপ সম্প্রচারের সুযোগ নিশ্চিত হয়েছে। জানা

গেছে, সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান ইন্টারস্পিড প্রায় ৩৬ কোটি টাকায় বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপ সম্প্রচারের স্বত্ব নিশ্চিত করেছে। পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যমগুলো সম্প্রচারের ব্যবস্থা করছে। বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে এই অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার বিষয়টি প্রথম থেকেই আলোচনায় নিয়ে আসে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য, একাধিক মধ্যস্বত্বভোগীর সম্পৃক্ততা, ছয় হাত ঘুরে স্বত্ব বাংলাদেশে আসার প্রক্রিয়া এবং আর্থিক অসঙ্গতির নানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী প্রায় ২০০ কোটি টাকার বাজার তৈরির চেষ্টা করছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল বিভিন্ন মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি করা। এই বিতর্কের পেছনে রয়েছে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতাও। সে

সময় বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব একাধিক হাত ঘুরে বাংলাদেশে আসে। অভিযোগ ছিল, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে সম্প্রচার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। বিভিন্ন মহলে তখনও প্রশ্ন উঠেছিল, বাংলাদেশের মতো বড় ফুটবল বাজার কেন সরাসরি সম্প্রচার স্বত্ব সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে না। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সরকার শুরু থেকেই বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে। তাদের অবস্থান ছিল পরিষ্কার।ভারতের দর্শকরা বিশ্বকাপ দেখতে পারবেন অথচ বাংলাদেশের মানুষ খেলা দেখতে পারবেন না, এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক, আলোচনা এবং বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা হয়েছে। জানা গেছে, বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে গঠিত বিশেষ কমিটি একাধিক বৈঠক করেছে। সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য,

বাজার বাস্তবতা এবং দর্শকের স্বার্থকে সামনে রেখে সম্ভাব্য সমাধান খোঁজা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র বলছে,বিটিভিকে এই সম্প্রচারের জন্য কোনো অর্থ দিতে হচ্ছে না। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বেসরকারি সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান স্বত্ব কিনলে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বিনামূল্যে সম্প্রচার সুবিধা পেতে পারে। ফলে সরকার কোনো আর্থিক চাপ ছাড়াই দর্শকের জন্য খেলা দেখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করছে। একই সঙ্গে সরকারের অবস্থান নিয়েও কড়া বার্তা এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অতীতের মতো কোন মধ্যস্বত্বভোগী রাখা হবে। অন্যদিকে আগামী ১১ জুন সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফিংয়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্বের চূড়ান্ত কাঠামো, কারা কীভাবে সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত থাকছে, এবং দর্শকরা কোন কোন

প্ল্যাটফর্মে খেলা দেখতে পারবেন তা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে। বিশ্বকাপ ফুটবল বাংলাদেশের দর্শকদের আবেগ, উন্মাদনা, উৎসব এবং ভালোবাসার নাম। বিশ্বকাপ এলেই দেশের অলিগলি, মহল্লা, গ্রাম এবং শহর ছেয়ে যায় বিভিন্ন দেশের পতাকায়। রাত জেগে খেলা দেখা, বন্ধুদের সঙ্গে তর্ক, প্রিয় দলের জয়-পরাজয় নিয়ে উচ্ছ্বাস কিংবা হতাশা সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ হয়ে ওঠে এক বিশাল আয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের