ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টঙ্গীতে ১৮ মাস পর আওয়ামী লীগের অফিসে দলীয় ব্যানার, জাতীয় পতাকা উত্তোলন
কুষ্টিয়ায় এখন আমিই ওপরওয়ালা : আমির হামজা
ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
তজুমদ্দিনে কীর্তনে গিয়ে প্রতিবন্ধী নারী গণধর্ষণের শিকার: সংখ্যালঘুদের জন্য আতঙ্কের নতুন নাম
আগ্রাবাদে রমজানের চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে হকার ও বিএনপি-যুবদল কর্মীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: গুলি ও আহত ৩
সাত খুন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হলেন নারায়ণগঞ্জ সিটির প্রশাসক
বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব
বাংলাদেশের মানুষ কাজের জন্য কোন কোন দেশে যাচ্ছে?
বাংলাদেশি কর্মীরা বিশ্বের ১৬৮টি দেশে কাজ করছেন বলে বিভিন্ন সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। বাস্তবে প্রতিবছর বেশির ভাগ কর্মী মাত্র ১০টি দেশে অভিবাসিত হয়ে থাকেন। গত ৫ বছরে ৯৭ শতাংশ কর্মী ১০টি দেশেই গেছেন। চলতি বছর যাওয়া কর্মীর ৯০ ভাগই গেছেন নির্দিষ্ট ৬টি দেশে।
আজ শনিবার রাজধানীর প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানা অভিবাসন খাতের বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)।
রামরুর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছর যাওয়া কর্মীদের মধ্যে ৬০ ভাগের গন্তব্য ছিল সৌদি আরব। মালয়েশিয়ায় গেছেন ১০.৩০ শতাংশ, কাতারে ৭.৫৬ শতাংশ, সিঙ্গাপুরে ৫.৭৬ শতাংশ, সংযুক্ত আরব
আমিরাতে ৫.২০ শতাংশ ও জর্দানে ১.৫৪ শতাংশ কর্মী গেছেন। রামরু বলছে, অর্থনৈতিক অস্থিরতায় অভিবাসন ৩০ শতাংশ কমে গেছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৯ লাখ ৬ হাজার ৩৫৫ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৩০.৮০ শতাংশ কম। গত এক বছরে বিদেশে নারীর কর্মী ২২ শতাংশ কমেছে বলে গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়। প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নারীর অংশগ্রহণ ২২ শতাংশ কমেছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি হতে নভেম্বর পর্যন্ত ৫৪ হাজার ৬৯৬ জন নারীকর্মী কর্মের উদ্দেশ্যে বিদেশে গেছেন। এ বছরের মোট অভিবাসীর ৬.৩ শতাংশ ছিলেন নারী। করোনাকাল বাদ দিলে গত ১০ বছরে এটি নারী অভিবাসনের সর্বনিম্ন
রেকর্ড। শোভন কর্মক্ষেত্রের অনিশ্চয়তার কারণে নারীকর্মীরা অভিবাসনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, পূর্ববর্তী বছরগুলোর মতোই এ বছরেও জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বাধিকসংখ্যক নারীকর্মী সৌদি আরবে অভিবাসিত হয়েছেন। চলতি বছর সৌদি আরবে গেছেন ৩৫ হাজার ৫৩৮ জন। জর্দানে গেছেন ২ হাজার ১২৪ জন। এ ছাড়া কাতার, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, হংকং, জাপানেও নারীরা অভিবাসিত হয়েছেন। তবে হংকং, জাপান ইত্যাদি দেশে যাওয়া নারী কর্মীর সংখ্যা নগণ্য। রামরুর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে যারা কর্মের উদ্দেশ্যে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন তাদের মধ্যে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ পেশাজীবী, ২৩ দশমিক ৬২ শতাংশ দক্ষ, ১৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ আধাদক্ষ এবং ৫৪ দশমিক ২৩ শতাংশ স্বল্প
দক্ষ কর্মী রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন রামরুর পরিচালক মেরিনা সুলতানা, সিনিয়র অফিসার মো. পারভেজ আলম প্রমুখ।
আমিরাতে ৫.২০ শতাংশ ও জর্দানে ১.৫৪ শতাংশ কর্মী গেছেন। রামরু বলছে, অর্থনৈতিক অস্থিরতায় অভিবাসন ৩০ শতাংশ কমে গেছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৯ লাখ ৬ হাজার ৩৫৫ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৩০.৮০ শতাংশ কম। গত এক বছরে বিদেশে নারীর কর্মী ২২ শতাংশ কমেছে বলে গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়। প্রতিবেদন বলছে, ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নারীর অংশগ্রহণ ২২ শতাংশ কমেছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি হতে নভেম্বর পর্যন্ত ৫৪ হাজার ৬৯৬ জন নারীকর্মী কর্মের উদ্দেশ্যে বিদেশে গেছেন। এ বছরের মোট অভিবাসীর ৬.৩ শতাংশ ছিলেন নারী। করোনাকাল বাদ দিলে গত ১০ বছরে এটি নারী অভিবাসনের সর্বনিম্ন
রেকর্ড। শোভন কর্মক্ষেত্রের অনিশ্চয়তার কারণে নারীকর্মীরা অভিবাসনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, পূর্ববর্তী বছরগুলোর মতোই এ বছরেও জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সর্বাধিকসংখ্যক নারীকর্মী সৌদি আরবে অভিবাসিত হয়েছেন। চলতি বছর সৌদি আরবে গেছেন ৩৫ হাজার ৫৩৮ জন। জর্দানে গেছেন ২ হাজার ১২৪ জন। এ ছাড়া কাতার, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, হংকং, জাপানেও নারীরা অভিবাসিত হয়েছেন। তবে হংকং, জাপান ইত্যাদি দেশে যাওয়া নারী কর্মীর সংখ্যা নগণ্য। রামরুর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে যারা কর্মের উদ্দেশ্যে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন তাদের মধ্যে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ পেশাজীবী, ২৩ দশমিক ৬২ শতাংশ দক্ষ, ১৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ আধাদক্ষ এবং ৫৪ দশমিক ২৩ শতাংশ স্বল্প
দক্ষ কর্মী রয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ড. তাসনিম সিদ্দিকী। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন রামরুর পরিচালক মেরিনা সুলতানা, সিনিয়র অফিসার মো. পারভেজ আলম প্রমুখ।



