ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
বন্ধ হচ্ছে কেয়া গ্রুপের আরও ২ কারখানা
কেয়া গ্রুপের চারটি কারখানা বন্ধ ঘোষণার ২১ দিনের মাথায় আগামী ২০ মে থেকে আরও দুইটি প্রতিষ্ঠান স্থায়ী বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে কেয়া গ্রুপের প্রায় ১০ হাজারের বেশি শ্রমিক বেকার হয়ে যাচ্ছে। চাকরিহারা শ্রমিকদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী বলে জানা গেছে।
গত মঙ্গলবার জারি করা এক নোটিশে শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাংলাদেশ শ্রম আইনের বিধি অনুযায়ী সব পাওনা কারখানা বন্ধের পরবর্তী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন।
আগামী ১ মে থেকে স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে যাওয়া কারখানাগুলো হলো- কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড (নিট কম্পোজিট গার্মেন্টস ডিভিশন, নিটিং বিভাগ, স্পিনিং
ডিভিশন, কটন ডিভিশন) ও গাজীপুরের কোনাবাড়ীর জরুন এলাকার কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেড। কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধের নোটিশে কারণ হিসেবে বর্তমান বাজার অস্থিতিশীলতা, ব্যাংকের সঙ্গে হিসাবের অমিল, কাঁচামালের অপর্যাপ্ততা ও কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমের অপ্রতুলতাকে দায়ী করেছে কর্তৃপক্ষ। নোটিশে কেয়া গ্রুপের পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান (নিট কম্পোজিট ডিভিশন) স্বাক্ষর করেন। নোটিশটি গত মঙ্গলবার বিকেলে কারখানার প্রধান ফটকে সাঁটিয়ে দেওয়া হয়। কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, কেয়া গ্রুপে ১০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন। তাদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী। আমরা তাদের নিয়েও চিন্তিত। তিনি আরও বলেন, সরকার যদি বিষয়গুলো দেখে, কারখানা খোলার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাহলে আবারও কারখানা
চালু করা হবে।
ডিভিশন, কটন ডিভিশন) ও গাজীপুরের কোনাবাড়ীর জরুন এলাকার কেয়া ইয়ার্ন মিলস লিমিটেড। কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধের নোটিশে কারণ হিসেবে বর্তমান বাজার অস্থিতিশীলতা, ব্যাংকের সঙ্গে হিসাবের অমিল, কাঁচামালের অপর্যাপ্ততা ও কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমের অপ্রতুলতাকে দায়ী করেছে কর্তৃপক্ষ। নোটিশে কেয়া গ্রুপের পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান (নিট কম্পোজিট ডিভিশন) স্বাক্ষর করেন। নোটিশটি গত মঙ্গলবার বিকেলে কারখানার প্রধান ফটকে সাঁটিয়ে দেওয়া হয়। কেয়া গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, কেয়া গ্রুপে ১০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক কাজ করেন। তাদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী। আমরা তাদের নিয়েও চিন্তিত। তিনি আরও বলেন, সরকার যদি বিষয়গুলো দেখে, কারখানা খোলার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাহলে আবারও কারখানা
চালু করা হবে।



