ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নেওয়া হলে আদালতে যাওয়ার হুশিয়ারি রাশেদা কে চৌধুরীর
রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত
ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার পর আগের বছরের বৃত্তি পরীক্ষা: পুরোনো সিলেবাসে নতুন চাপ, বিপাকে ৫ লাখ শিক্ষার্থী
পাঠ্যবই দুর্নীতি : ইউনুসের সংস্কার, সিন্ডিকেটের উৎসব
বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস নিয়ে বড় সুখবর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানিদের হানা, রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল বিদ্যার প্রাঙ্গণ
প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের প্রতীকী ফাঁসি!
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপের বাতিল হওয়া নিয়োগ ফিরে পেতে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা।
শনিবার ২৪তম দিনে এসে প্রতীকী ফাঁসি কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। এদিন বিকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ সময় তারা জানান, দাবি মানা না হলে এই কর্মসূচি আর প্রতীকী থাকবে না। বাস্তবেই ফাঁসির মাধ্যমে আত্মহুতি দেবেন আন্দোলনকারীরা। প্রায় এক ঘণ্টা এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। পরে বিকাল ৪টার দিকে র্যালি নিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে যান।
এর আগে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় ২০২৩ সালের ১৪ জুন। লিখিত-মৌখিক পরীক্ষা শেষে গত বছরের ৩১ অক্টোবর ফল
প্রকাশিত হয়। এতে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ হন। নিয়োগবঞ্চিত কয়েকজন রিট করলে ৬ হাজার ৫৩১ জনের ফল ও নিয়োগপত্র প্রদান সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট চূড়ান্ত ফলাফল ও নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নিয়োগবঞ্চিতরা বলেন, ১৪ জানুয়ারি প্রাইমারি ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায়ের সঙ্গে তাদের প্রতিনিধি দল দেখা করেছিল। তখন তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, সুপারিশপ্রাপ্ত সবার নিয়োগ চূড়ান্ত হবে। কিন্তু ইতোমধ্যে চেম্বার জজ আদালত, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্টে সাতটি শুনানির পর চূড়ান্ত বিচারে ৬
ফেব্রুয়ারি ফলাফল বাতিল ঘোষণা করেছে এবং মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
প্রকাশিত হয়। এতে ৬ হাজার ৫৩১ জন উত্তীর্ণ হন। নিয়োগবঞ্চিত কয়েকজন রিট করলে ৬ হাজার ৫৩১ জনের ফল ও নিয়োগপত্র প্রদান সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট চূড়ান্ত ফলাফল ও নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নিয়োগবঞ্চিতরা বলেন, ১৪ জানুয়ারি প্রাইমারি ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায়ের সঙ্গে তাদের প্রতিনিধি দল দেখা করেছিল। তখন তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, সুপারিশপ্রাপ্ত সবার নিয়োগ চূড়ান্ত হবে। কিন্তু ইতোমধ্যে চেম্বার জজ আদালত, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্টে সাতটি শুনানির পর চূড়ান্ত বিচারে ৬
ফেব্রুয়ারি ফলাফল বাতিল ঘোষণা করেছে এবং মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।



