ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ইরানে হামলা প্রমাণ করে চীন ও ভারত এখনো মার্কিন প্রশাসনের আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু’
বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রপতি, উদ্ধত শাসনব্যবস্থা এবং মব সন্ত্রাস
বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্রপতি, উদ্ধত শাসনব্যবস্থা এবং মব সন্ত্রাস
স্বাধিকার আন্দোলনের অগ্নিঝরা মার্চঃ ৩রা মার্চ ১৯৭১- বঙ্গবন্ধুর আহ্ববানে সারা দেশে হারতাল পালিত, যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত পূর্ব পাকিস্থান
মার্চ ১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা
আধিপত্যবাদের নগ্নরূপ: আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সকল হত্যার তদন্ত ও বিচারে জুলাই যোদ্ধাদের কেন এতো অনীহা?
দ্যা প্রজেক্ট ওসমান হাদি (হাদিমাদি) ও এর ভবিষ্যত
ওসমান হাদি হ/ত্যার প্রধান অভিযুক্ত ভারত সীমান্তে গ্রেফতার হয়েছে এরকম খবর আসছে তিন ঘন্টা আগে। ওসমান হাদির হ/ত্যার বিচার দাবিতে প্রতিদিন শাহবাগ দখল করে দিল্লি না ঢাকা স্লোগান দিয়ে মাঠ গরম করে রাখা ইনকিলাব মঞ্চ তারপর থেকে চুপ মেরে গেছে।রাজনৈতিক সংবাদ
অথচ ইনকিলাব মঞ্চ তো আনন্দ/বিজয় মিছিল করার কথা ছিল। আজকেও জুমা জাবেরদের জাশির আরেক ব্রাঞ্চ ইনকিলাব মঞ্চ ইফতার পার্টি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সেটাও চার ঘন্টা আগে, অর্থ্যাৎ কথিত কিলার গ্রেফতার হওয়ার মাত্র এক ঘন্টা পর।
এদিকে প্রতিটা সেকেন্ডে “আমার ভাই” “আমার ভাই ওসমান হাদির বিচার চাই” “আমার ভাই সেরা মানুষ ছিলেন” বলে বলে মায়াকান্না করা জুমা তার সেই
আইডি নিজে নিজেই খেয়ে দিয়েছে কথিত কিলার এরেস্ট হওয়ার পর পরই। ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। যদিও এই লোকের কথা বিশ্বাস করি না কারণ সোর্স ছাড়া কথা বলে, তারপরও মহিউদ্দিন মোহাম্মদের এই কথাটা আমার সন্দেহের সাথে মিলে গেছে দেখে বলছি। মহিউদ্দিন বলেছেন যে ফয়সাল নামের প্রধান আসামী পুলিশকে নাকি জানিয়েছে এই হ/ত্যাকান্ডের সাথে ডাকসুর নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাসহ আটজন জড়িত। ঠিক এই কারণেই কী জুমা তার আইডি খেয়ে দিল? ঠিক এই কারণেই কী ইনকিলাব মঞ্চ চুপ মেরে গেছে? যাইহোক, আমি আগেও বলেছি হাদি ওয়াজ আ প্রজেক্ট। সে প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্ট করতেই তাকে গড়ে তোলা হয়েছিল। মারা যাওয়ার আগে বিভিন্ন মিডিয়ায় কমপক্ষে ১০ বার
“আমি মারা গেলে” বলেছিল। সে এমন কোন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ ছিল না বা এমন কিছু করে নাই যে তাকে মেরে ফেলবে কেউ। কেউ তাকে শত্রু মনে করলে তার অবস্থান কমপক্ষে ৫০ জনের পরে তার নাম আসতো। তারপরও বারবার মরবো মরবো করতো কারণ সে জানতো কারা তাকে মারবে! ছোটন গ্যাং, মাহমুদুর রহমান ও পিনাকি হচ্ছে সবার মাথার উপরে। হাদি মারা যাওয়ার এক মাস আগে সে কেন চীন গেছিল কেউ জানতে চায় নাই। সেখানে কার সাথে গেছিল, প্যারিস থেকে পিনাকিও গেছিল কিনা সেটাও খোঁজ কেউ করে নাই। হাদি গুলি খাওয়ার পর মাহমুদুর রহমান ও পিনাকি নামের দুই শয়তান কেন একই সুরে “আমার জীবনের
পরিবর্তে হাদির জীবন ফিরিয়ে দাও প্রভু” বলেছিল কেন সেটারও কেউ খোঁজ নেয় নাই। যাইহোক, হাদি গুলি খাওয়া এক মাস আগেই প্ল্যান হয়েছিল চীনে। আমার ধারণা হাদি গুলিতে মরে নাই। প্রথমে খবর আসলো হাদির কানের নিচ গুলি লেগে বেরিয়ে গেছে এবং তার ইঞ্জুরি সিরিয়াস না। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বা পরে মেরে ফেলা হয়েছিল বলে আমার সন্দেহ। আমার এও সন্দেহ তাকে মৃত অবস্থাতেই সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক সংবাদ কাউকে যখন দেখবেন মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি তখন সন্দেহ করবেন। চট্টগ্রামের সেই পুলিশের স্ত্রী হ/ত্যার কথা মনে আছে? ভদ্রমহিলা আততায়ীর গুলিতে মারা যাওয়ার পর তার পুলিশের এএসপি স্বামীর সে কি কান্না! অনেকদিন পর জানা
গেল যে তার স্ত্রীকে নিজেই শুটার ভাড়া করে মেরেছিল। জুমার অতিশয় কান্নাকাটি, ভাই আমার ভাই আমার বলে মুখে ফেনা তুলে ফেসবুক ছয়লাব করে দেওয়া, রাস্তাঘাটে বিচার চাইতে গিয়ে মেকি কান্না দেখে আমি হাদির হ/ত্যার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে জুমার নাম বলেছিলাম। হাদি মারা যাওয়ার আগে জুমা শুধুমাত্র হাদির ইনকিলাব মঞ্চের সহকর্মী ছিল। হাদির মাধ্যমে সে শিবির প্যানেল থেকে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। নোংরা গালিবাজ ওসমান হাদির আসল ধরা পরলো কিনা জানি না। এটা নিয়ে ছোটন গ্যাং, আমার দেশ, মাহমুদুর রহমান, পিংকি-জুলুরা আর কত রাজনীতি করে সেটা দেখতে চাই। বাই দ্যা ওয়ে, জুলুর আরেক বড় বোন মোনামি ম্যাডামের বক্তব্য কি
আজকের ঘটনার পর? ওসমান হাদির সন্দেহভাজন কিলার ধরা পড়ার পর মোনামি ম্যাডাম, জুমা, জাবের নামের জাশির কর্মীদের আগায়ে নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চের ব্যবসা মারা খাবে নাকি তারা অন্য কোন কিছু নিয়ে মাঠ গরম করতে যাবে? নাকি মোনামি ম্যাডামদের হাদিমাদি ছিড়ে যাবে তা আগামী দিন বলবে।সরকারি নীতি কিন্তু আমার চোখ চলে যাচ্ছে প্রথম আলোর হেডিং এ। প্রথম আলোর মতো পত্রিকাও একজন ছেলে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে আততায়ীর গুলিতে মারা যাওয়া একজনকে “শহীদ” হিসেবে আখ্যায়িত করছে দেখে। ওসমান হাদি যদি শহীদ হয় সারা বাংলাদেশে যারা সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যাচ্ছে তারা কেন শহীদ হবে না? -হাসান মহমুদ টিপু সহযোগী অধ্যাপক আইনও বিভাগ, কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয় কানাডা।
আইডি নিজে নিজেই খেয়ে দিয়েছে কথিত কিলার এরেস্ট হওয়ার পর পরই। ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং। যদিও এই লোকের কথা বিশ্বাস করি না কারণ সোর্স ছাড়া কথা বলে, তারপরও মহিউদ্দিন মোহাম্মদের এই কথাটা আমার সন্দেহের সাথে মিলে গেছে দেখে বলছি। মহিউদ্দিন বলেছেন যে ফয়সাল নামের প্রধান আসামী পুলিশকে নাকি জানিয়েছে এই হ/ত্যাকান্ডের সাথে ডাকসুর নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাসহ আটজন জড়িত। ঠিক এই কারণেই কী জুমা তার আইডি খেয়ে দিল? ঠিক এই কারণেই কী ইনকিলাব মঞ্চ চুপ মেরে গেছে? যাইহোক, আমি আগেও বলেছি হাদি ওয়াজ আ প্রজেক্ট। সে প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্ট করতেই তাকে গড়ে তোলা হয়েছিল। মারা যাওয়ার আগে বিভিন্ন মিডিয়ায় কমপক্ষে ১০ বার
“আমি মারা গেলে” বলেছিল। সে এমন কোন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ ছিল না বা এমন কিছু করে নাই যে তাকে মেরে ফেলবে কেউ। কেউ তাকে শত্রু মনে করলে তার অবস্থান কমপক্ষে ৫০ জনের পরে তার নাম আসতো। তারপরও বারবার মরবো মরবো করতো কারণ সে জানতো কারা তাকে মারবে! ছোটন গ্যাং, মাহমুদুর রহমান ও পিনাকি হচ্ছে সবার মাথার উপরে। হাদি মারা যাওয়ার এক মাস আগে সে কেন চীন গেছিল কেউ জানতে চায় নাই। সেখানে কার সাথে গেছিল, প্যারিস থেকে পিনাকিও গেছিল কিনা সেটাও খোঁজ কেউ করে নাই। হাদি গুলি খাওয়ার পর মাহমুদুর রহমান ও পিনাকি নামের দুই শয়তান কেন একই সুরে “আমার জীবনের
পরিবর্তে হাদির জীবন ফিরিয়ে দাও প্রভু” বলেছিল কেন সেটারও কেউ খোঁজ নেয় নাই। যাইহোক, হাদি গুলি খাওয়া এক মাস আগেই প্ল্যান হয়েছিল চীনে। আমার ধারণা হাদি গুলিতে মরে নাই। প্রথমে খবর আসলো হাদির কানের নিচ গুলি লেগে বেরিয়ে গেছে এবং তার ইঞ্জুরি সিরিয়াস না। তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বা পরে মেরে ফেলা হয়েছিল বলে আমার সন্দেহ। আমার এও সন্দেহ তাকে মৃত অবস্থাতেই সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক সংবাদ কাউকে যখন দেখবেন মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি তখন সন্দেহ করবেন। চট্টগ্রামের সেই পুলিশের স্ত্রী হ/ত্যার কথা মনে আছে? ভদ্রমহিলা আততায়ীর গুলিতে মারা যাওয়ার পর তার পুলিশের এএসপি স্বামীর সে কি কান্না! অনেকদিন পর জানা
গেল যে তার স্ত্রীকে নিজেই শুটার ভাড়া করে মেরেছিল। জুমার অতিশয় কান্নাকাটি, ভাই আমার ভাই আমার বলে মুখে ফেনা তুলে ফেসবুক ছয়লাব করে দেওয়া, রাস্তাঘাটে বিচার চাইতে গিয়ে মেকি কান্না দেখে আমি হাদির হ/ত্যার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে জুমার নাম বলেছিলাম। হাদি মারা যাওয়ার আগে জুমা শুধুমাত্র হাদির ইনকিলাব মঞ্চের সহকর্মী ছিল। হাদির মাধ্যমে সে শিবির প্যানেল থেকে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। নোংরা গালিবাজ ওসমান হাদির আসল ধরা পরলো কিনা জানি না। এটা নিয়ে ছোটন গ্যাং, আমার দেশ, মাহমুদুর রহমান, পিংকি-জুলুরা আর কত রাজনীতি করে সেটা দেখতে চাই। বাই দ্যা ওয়ে, জুলুর আরেক বড় বোন মোনামি ম্যাডামের বক্তব্য কি
আজকের ঘটনার পর? ওসমান হাদির সন্দেহভাজন কিলার ধরা পড়ার পর মোনামি ম্যাডাম, জুমা, জাবের নামের জাশির কর্মীদের আগায়ে নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চের ব্যবসা মারা খাবে নাকি তারা অন্য কোন কিছু নিয়ে মাঠ গরম করতে যাবে? নাকি মোনামি ম্যাডামদের হাদিমাদি ছিড়ে যাবে তা আগামী দিন বলবে।সরকারি নীতি কিন্তু আমার চোখ চলে যাচ্ছে প্রথম আলোর হেডিং এ। প্রথম আলোর মতো পত্রিকাও একজন ছেলে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে আততায়ীর গুলিতে মারা যাওয়া একজনকে “শহীদ” হিসেবে আখ্যায়িত করছে দেখে। ওসমান হাদি যদি শহীদ হয় সারা বাংলাদেশে যারা সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যাচ্ছে তারা কেন শহীদ হবে না? -হাসান মহমুদ টিপু সহযোগী অধ্যাপক আইনও বিভাগ, কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয় কানাডা।



