ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসছে শৈত্যপ্রবাহ, কমে আসবে তাপমাত্রা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ November, ২০২৪

ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আসছে শৈত্যপ্রবাহ, কমে আসবে তাপমাত্রা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ November, ২০২৪ |
নভেম্বর মাস শেষ হতে চললেও এখনো রাজধানীর মানুষের কাছে ধরা দেয়নি শীতের তীব্র অনুভ’তি। দিনে সূর্যের আলো থাকছে, রাতেও নেই কনকনে ঠান্ডা বাতাস। সেকারণে নগরবাসীর শরীরে এখনো উঠেনি গরমের কাপড়। বরং আবহাওয়ার পরিবর্তন বা শীতের আগমন আসি আসি করলেও নাগরিকরা ভুগছেন জ¦র-ঠান্ডায়। এমন অবস্থায় শীত যে দেশে আসেনি সেটি বলতে নারাজ বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, ভৌগলিক কারণে মধ্য নভেম্বর থেকেই শীতের অনুভ’তি শুরু হয়ে গেছে। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল এদিন ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশ শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়বে। সেসময়

সারাদেশেই তাপমাত্রা কমে আসবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন জানান, ভৌগলিক কারণে আমাদের দেশে সব জায়গায় তাপমাত্রা একই রকম থাকেনা। যেমন দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল- যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরাতে কনকনে ঠান্ডা পড়ে। কিন্তু কুমিল্লা, কক্সবাজার চট্টগ্রামের মানুষ সেই ঠান্ডার অনুভ’তি পায় না। এর কারণ উত্তরা বাতাসের গতিপ্রকৃতি, হিমালয়ের হিমবাহ অন্যতম। এখন পঞ্চগড়ে তাপামাত্রা বা শীতের অনুভ’তি প্রকট আকার নিয়েছে। হিমালয়ের বাতাসের তীব্রতা বাড়লে রাজধানীর নাগরিকদের ওপর শীতের প্রভাব পড়বে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। শনিবার দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের

আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। এ প্রসঙ্গে আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন জানান, সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হলেও সেটি আমাদের দেশের অংশে কোন প্রভাব রাখবে না। বরং দক্ষিণ ভারতে এর প্রভাব বেশি দেখা যাবে। শনিবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারী ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। যখন উত্তরা বাতাস বয়ে যায়, বাতাসে জলীয়

বাষ্প কমে আসে তখনই শীতের তীব্রতা বেশি হয়। এ জন্য শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি কেমন সেটি দেখা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর প্রভাবে শীত বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে। আর দেশে জানুয়ারীকেই সবচেয়ে শীতল মাস বলা হয়ে থাকে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, সাধারণত তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আসলে শীত অনুভ’ত হয়। এটি ক্রমান্বয়ে কমতে থাকলে শীত অনুভ’ত হবে এটাই স্বাভাবিক। বর্তমানে ঢাকার তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২৪ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে। আগামী সপ্তাহে এটি আরও কমবে। এই আবহাওয়াবিদ সতর্ক করে জানান, এবছর শীত বেশি পড়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এদিকে আবহাওয়ার দীর্ঘ মেয়াদী তিন মাসের (নভেম্বর-ডিসেম্বর-জানুয়ারি) পূর্বাভাসে এবারের শীত মৌসুমে

দেশে ৮ থেকে ১০টি মৃদু (তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে দু-তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যেতে পারে। এবার তীব্র শীতের আগে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে পাঁচটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে এক-দুটি নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ ড. মল্লিক

বলেন, দীর্ঘ মেয়াদী পূর্বাভাস দেওয়া হয় পেছনের কয়েক বছরের গড় করে। উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, যে দীর্ঘ মেয়াদী পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, সেখানে বিগত ৩০ বছরের পরিসংখ্যানের গড় করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘ মেয়াদী পূর্বাভাসের চেয়ে সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অপেক্ষাকৃত বেশি কার্যকরী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের