ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামঃ বাংলাদেশের প্রাপ্তি রাজস্বের ২৭% ও ২১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প ঋণ শোধের দায়
আকাশ আমার ছাদ হবে, মাটি আমার ঘর।” -দেশরত্ন শেখ হাসিনার এক নির্মোহ ও অনন্য জীবনদর্শন
ই-রিকশা’ নিবন্ধন শুরু ১৩ সিটি কর্পোরেশনে: গুণতে হবে রিকশাপ্রতি ৮-১০ হাজার টাকা
গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলন ধামাচাপা দিতে শ্রমিক বিক্ষোভে ছাত্রলীগ খুঁজছে সরকার ও মিডিয়া!
বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রাজনৈতিক নিপীড়ন নিয়ে জার্মান পার্লামেন্টে নথি পেশ করল জার্মানি শাখা ছাত্রলীগ
নিয়ন্ত্রণের বাইরে তৈরি পোশাক খাতের অসন্তোষ: পরিস্থিতি মোকাবেলায় মন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকে ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী
শ্রমিক অসন্তোষে সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরের ৩০০ কারখানায় ছুটি
চার দিন বন্ধ থাকবে একটি এলএনজি টার্মিনাল, কমবে ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ
কক্সবাজারের মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটি আগামী ৪ নভেম্বর থেকে টানা চার দিন বন্ধ থাকবে। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে এ সময় জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক ৩২ কোটি ঘনফুট কমে যাবে। এতে সারা দেশে গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে।
রোববার বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনালের সম্মিলিত গ্যাস রূপান্তর সক্ষমতা দৈনিক ১০৫ কোটি ঘনফুট। বর্তমানে দুটি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ৯২ কোটি
ঘনফুট গ্যাস। সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এ সরবরাহ কমে ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে। দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে ২৫২ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় ক্ষেত্র থেকে আসছে ১৬০ কোটি ঘনফুট, আর বাকিটা এলএনজি থেকে। ফলে টার্মিনালটির সরবরাহ বন্ধ থাকলে বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র হতে পারে। সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে একই টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল।
ঘনফুট গ্যাস। সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এ সরবরাহ কমে ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে। দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে ২৫২ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় ক্ষেত্র থেকে আসছে ১৬০ কোটি ঘনফুট, আর বাকিটা এলএনজি থেকে। ফলে টার্মিনালটির সরবরাহ বন্ধ থাকলে বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র হতে পারে। সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে একই টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল।





