ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড
সিলেট টেস্ট: ক্যারিবীয় পেসারদের তোপে দিনশেষে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন
সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান
শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা
সাফ সভাপতি আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ, তাই সাফ আয়োজনে প্রচারণা নেই বাফুফের
গতি বাড়াতে নতুন রান আপের চেষ্টা তানজিমের
বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার তানজিম সাকিব বলের গতি বাড়াতে নতুন রান আপ নিয়ে কাজ করছেন। তাকে নতুন রান আপ নিয়ে সহায়তা করছেন জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করা স্থানীয় এই কোচ মনে করেন, নতুন রান আপে তানজিম মানিয়ে নিতে পারলে তার বলের গতি ঘণ্টায় ২ থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।
সালাউদ্দিনের মতে, তানজিম বোলিং করার জন্য যেভাবে রান আপ শুরু করে সেভাবে শেষ করতে পারে না। শেষ মুহূর্তে এসে তার দৌড়ের গতি কমে যায়। যে কারণে বলের গতি কম পায়।
তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘গতি বাড়াতে কিছু মূল জিনিসি দরকার। এর একটি হলো- আপনি গতিতে বল
করতে চাইলে একই গতিতে রান আপ শেষ করতে হবে, দৌড়ের গতি কমানো যাবে না। তানজিমের বোলিং দেখে মনে হয়েছে, শেষ মুহূর্তে সে রান আপের গতি ছেড়ে দেয় (ডি এক্সিলারেট)।’ তিনি বলেন, ‘এটা তার বলের গতি ঘণ্টায় ১ থেকে ২ কিলোমিটার কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে। তার রান আপ ঠিক থাকলে গতি বাড়ানো সম্ভব। সে ২, ৩ কিংবা ৫ কিলোমিটার গতি বাড়াতে পারে কিনা সেটা নিয়েই কাজ করা হচ্ছে।’ সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, এটা একটা প্রক্রিয়া। ধাপে ধাপে এগোতে হয়। রান আপ মসৃণ হওয়া দরকার। স্বল্প রান আপে বোলিং করলে শেষ মুহূর্তে দৌড়ের গতি কমানো যাবে না। কোচ জানান, নতুন রান আপে মানিয়ে নিতে পারলে
তার গতি বাড়তে পারে। নতুন রান আপ নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজকে তানজিম বলেন, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রান আপে গতি ধরে রাখা নিয়ে কাজ করছি। আমি জানি, এটা রপ্ত করতে সময় লাগবে। সেজন্য ধীরে ধীরে এগোচ্ছি। কারণ একদিনে এটা ঠিক করে ফেলা সম্ভব নয়। ডিপিএলে নতুন রান আপে বোলিং করার চেষ্টা করেছি। মনে হয়েছে, রান আপ মসৃণ হলে গতির সঙ্গে সুইংও হবে।
করতে চাইলে একই গতিতে রান আপ শেষ করতে হবে, দৌড়ের গতি কমানো যাবে না। তানজিমের বোলিং দেখে মনে হয়েছে, শেষ মুহূর্তে সে রান আপের গতি ছেড়ে দেয় (ডি এক্সিলারেট)।’ তিনি বলেন, ‘এটা তার বলের গতি ঘণ্টায় ১ থেকে ২ কিলোমিটার কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে। তার রান আপ ঠিক থাকলে গতি বাড়ানো সম্ভব। সে ২, ৩ কিংবা ৫ কিলোমিটার গতি বাড়াতে পারে কিনা সেটা নিয়েই কাজ করা হচ্ছে।’ সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, এটা একটা প্রক্রিয়া। ধাপে ধাপে এগোতে হয়। রান আপ মসৃণ হওয়া দরকার। স্বল্প রান আপে বোলিং করলে শেষ মুহূর্তে দৌড়ের গতি কমানো যাবে না। কোচ জানান, নতুন রান আপে মানিয়ে নিতে পারলে
তার গতি বাড়তে পারে। নতুন রান আপ নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজকে তানজিম বলেন, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রান আপে গতি ধরে রাখা নিয়ে কাজ করছি। আমি জানি, এটা রপ্ত করতে সময় লাগবে। সেজন্য ধীরে ধীরে এগোচ্ছি। কারণ একদিনে এটা ঠিক করে ফেলা সম্ভব নয়। ডিপিএলে নতুন রান আপে বোলিং করার চেষ্টা করেছি। মনে হয়েছে, রান আপ মসৃণ হলে গতির সঙ্গে সুইংও হবে।





