ইউনানী-আয়ুর্বেদিকের চিঠি বাতিল ও আইন কাউন্সিল চায় শিক্ষার্থীরা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ জুলাই, ২০২৫
     ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ

ইউনানী-আয়ুর্বেদিকের চিঠি বাতিল ও আইন কাউন্সিল চায় শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ জুলাই, ২০২৫ | ৫:০৩ 90 ভিউ
গত ৩০ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চিঠির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, এই চিঠি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বৈষম্য ও অনিয়মকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার একটি ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ। অবৈধ উপায়ে অতীতে ভুয়া ডিগ্রী প্রাপ্ত চিকিৎসকদের পুনরায় স্বীকৃতি দেওয়ার প্রচেষ্টার নিন্দা জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘মেডিকেল অফিসার (ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক) এর নিয়োগ যোগ্যতা সংক্রান্ত মতামতের’ বিতর্কিত চিঠি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনে একটি পৃথক আইন (অর্ডিন্যান্স) প্রণয়ন ও একটি স্বতন্ত্র কাউন্সিল গঠন করার দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, স্বাস্থ্য

মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাচীন ও বিজ্ঞানসম্মত ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি গোষ্ঠীর নগ্ন চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। অবৈধ উপায়ে অর্থ ও দালাল চক্রের প্রভাবে অতীতে ভুয়া ডিগ্রী প্রাপ্ত চিকিৎসকদের পুনরায় স্বীকৃতি দেওয়ার ঘৃণ্য প্রচেষ্টা চলছে। যা আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, কলেজ প্রতিষ্ঠার ৩৬ বছর হলেও এখন পর্যন্ত নিজস্ব কাউন্সিল গঠন হয়নি। ১৯৯৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক প্রজ্ঞাপনে আদেশ দেয়, বিএমডিসির আদলে বিএএমএস, বিইউএমএস ডাক্তারদের জন্য আরেকটি পৃথক কাউন্সিল গঠনের। কিন্তু ২৯ বছর অতিবাহিত হলেও তা গঠিত হয়নি। বিএইচএমএস চিকিৎসকদের জন্য হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা আইন ২০২৩ সালে পাশ হলেও বৈষম্যের শিকার হয় তারা। এছাড়াও

পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ না থাকা, বিসিএসে ক্যাডারভুক্ত না হওয়া, পোস্ট গ্রাজুয়েশন সুযোগ না থাকা, হাসপাতালের মান উন্নয়ন সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত সম্ভাবনাময় এই সেক্টর। শিক্ষার্থীরা কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থায় অপচেষ্টা কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। অবৈধ প্রতিষ্ঠানের নিরীহ নিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের মানবিক সহানুভূতি আছে। কিন্তু তাদের ব্যবহার করে যারা সার্টিফিকেট ব্যবসা পুনরায় চালুর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের রুখতেই আমাদের লড়াই। তিন দাবিতে গত ৩০ জুন থেকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ করে আসছেন। রাজধানীর মিরপুর-১৩-তে মানববন্ধন ককর্মসূচি পালন করছেন। ৬ জুলাই কালো কাপড় বেঁধে প্রতীকী মানববন্ধন করেছেন তারা। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী আহসান হাবীব বলেন, ‘অবৈধ চিঠি বাতিল ও আইনের অর্ডিন্যান্স

জারি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে’। অবিলম্বে বিতর্কিত ও অবৈধ চিঠি বাতিল, চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্যহীন কাঠামো গঠনে পৃথক আইন (অর্ডিন্যান্স) প্রণয়ন এবং স্বতন্ত্র ও কার্যকরী ‘ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক কাউন্সিল’ গঠন করা দ্রুততম সময়ে না হলে বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা” ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস Unattended Ballot Boxes: New Questions in Bangladesh’s 2026 Vote টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান দেশজুড়ে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয় হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার! চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি