ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী?
সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ
ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’
ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের
বাংলাদেশ নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের ভূমিকা তদন্তের দাবি, ওয়াশিংটনে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর Newsmax-এ বিশেষ কলাম
জাতীয়ভাবে উপেক্ষিত জেলহত্যা দিবস, সিলেটে নিষেধাজ্ঞা, মব-গ্রেফতার হুমকির মাথায় নিয়েই আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতাদের স্মরণ
জুলাইর ওয়াসিম হত্যা-মামলার আসামিকে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব দেওয়া কি পুরস্কার? প্রশ্ন- কারা মেরেছে তবে ওয়াসিমকে?
জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান
জয়পুরহাটে বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর উপস্থিতিতে দুবার হট্টগোল হয়েছে।
সভার ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না দেখে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রথমে ক্ষোভ জানান। পরে এক বক্তা শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে উল্লেখ করলে আবার উত্তেজনা ছড়ায়।
শনিবার, ৭ই নভেম্বর, সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সভাটি হওয়ার কথা ছিল। ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী প্রথমে মঞ্চে ওঠেননি। এ নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরে জেলা প্রশাসক ও অন্য কর্মকর্তারা মঞ্চে গিয়ে মূল ব্যানারটি নামিয়ে আনেন। এরপর স্কচটেপ দিয়ে তাতে জিয়াউর রহমানের ছবি থাকা একটি পোস্টার
লাগানো হয়। তারপর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর সভা শুরু হয়। সভা চলার সময় জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান বক্তব্য দেন। তিনি একাধিকবার শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করলে আবার উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। পরে বক্তাকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান জেলা ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা। ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া বলেন, ইন্টারনেট থেকে ছবি সংগ্রহ করে ব্যানারটি তৈরি
করা হয়েছিল। এ ধরনের ভুলের জন্য তিনি সবার সামনে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। অনুষ্ঠানের নানা ত্রুটি এবং দুই দফা হট্টগোলের ঘটনায় ক্ষোভ জানান প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। ঘটনাগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসককে নির্দেশ দেন। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, ১৯ বছর পর এবার দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এমন দিনে জিয়াউর রহমানের ছবি ছাড়া ব্যানার তৈরি হওয়াকে তারা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের ভেতরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ এটি। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার
পর সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, সিভিল সার্জন আল-মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেনসহ অন্যরা।
লাগানো হয়। তারপর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পর সভা শুরু হয়। সভা চলার সময় জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান বক্তব্য দেন। তিনি একাধিকবার শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করলে আবার উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। পরে বক্তাকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান জেলা ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা। ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া বলেন, ইন্টারনেট থেকে ছবি সংগ্রহ করে ব্যানারটি তৈরি
করা হয়েছিল। এ ধরনের ভুলের জন্য তিনি সবার সামনে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান। অনুষ্ঠানের নানা ত্রুটি এবং দুই দফা হট্টগোলের ঘটনায় ক্ষোভ জানান প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। ঘটনাগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসককে নির্দেশ দেন। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা বলেন, ১৯ বছর পর এবার দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এমন দিনে জিয়াউর রহমানের ছবি ছাড়া ব্যানার তৈরি হওয়াকে তারা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে মন্তব্য করেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের ভেতরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ এটি। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার
পর সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, সিভিল সার্জন আল-মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেনসহ অন্যরা।





