ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৫ November, ২০২৬

ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ November, ২০২৬ |

অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ডিজিই-পেকে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) থেকে বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২৯ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে। মূলত নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং ভারত থেকে সার্ভারে তথ্য প্রবেশাধিকার বা অ্যাকসেস থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পরিদর্শন দল ডিজিই-পে’র কার্যালয়ে নিরীক্ষা চালায়। নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পরপরই এনপিএসবি থেকে তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপিত

হয়েছে। তিনি বলেন, “এ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এসেছে। এ জন্য জাতীয় লেনদেনব্যবস্থায় তাদের যুক্ত রাখা নিরাপদ নয়। তাদের নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এরপরই তাদের লাইসেন্স নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।”

ডিজিই-পে’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাশেদ মাহমুদ জানান, এনপিএসবি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়টি তারা গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছেন। তিনি দাবি করেন, অডিট চলাকালে বা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছু জানায়নি। তবে এনপিএসবি-ভিত্তিক লেনদেন বন্ধ থাকলেও অন্যান্য সেবা সচল রয়েছে বলে তিনি জানান।

রাশেদ মাহমুদ বলেন, “মূলত ভারতে অবস্থানরত তাদের ডেভেলপমেন্ট টিম নিয়ে আপত্তি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের টিম অডিট শেষে আমাদের

মিড লেভেলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। আমাদের সিস্টেমে একটা ডেভেলপমেন্ট এবং হ্যান্ডওভার প্রসেস চলছিল। ভেন্ডর হিসেবে একটি ভারতীয় কোম্পানি কাজ পেয়েছে। ডেভেলপমেন্টের কাজের জন্য তাদের যদি ন্যূনতম অ্যাক্সেস দেওয়া না হয়, তবে তারা কাজ করবে কীভাবে? এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের অনেক সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকেও ভারতীয় ভেন্ডর দিয়ে অপারেশন মেইনটেইন করা হয়। এরপরও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আপত্তির জায়গাটি দূর করতে গত সোমবার রাতেই তারা ভারতীয় ডেভেলপমেন্ট টিমের কাছ থেকে সিস্টেমের দায়িত্ব ও হ্যান্ডওভার বুঝে নিয়েছেন। এতে চলমান ডেভেলপমেন্ট কাজ আটকে গেলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আপত্তির বিষয়টির সুরাহা হয়েছে বলে

তিনি দাবি করেন।

এনপিএসবি হলো বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত কেন্দ্রীয় পেমেন্ট নেটওয়ার্ক, যা দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেনের জন্য যুক্ত রাখে। ২০২৩ সালের আগস্টে পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পাওয়া ডিজিই-পে দীপণ গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত ৬০০ থেকে ১,০০০ মার্চেন্টকে সেবা দিয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের