ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
সংকটে রাশিয়া, কপাল খুলছে ইরানের
ইউক্রেনের হামলার কারণে রাশিয়ায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে তেল রপ্তানির এক নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে ইরানের জন্য। মার্কিন অবরোধের মুখে দীর্ঘদিন ধরে তেল রপ্তানিতে সমস্যায় থাকা তেহরান এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মধ্য এশিয়ায় নিজেদের বাজার ধরতে শুরু করেছে।
ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার শোধনাগারগুলোর বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মস্কো বর্তমানে জ্বালানি ঘাটতিতে পড়েছে। ঐতিহাসিকভাবে তাজিকিস্তান ও কিরগিজস্তানের মতো মধ্য এশীয় দেশগুলো তাদের জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগই রাশিয়া থেকে আমদানি করত। কিন্তু রাশিয়ার সেই সরবরাহ ব্যবস্থায় টান পড়ায় তারা এখন বিকল্প হিসেবে ইরানের দিকে ঝুঁকছে। এর অংশ হিসেবে তাজিকিস্তান ইরান থেকে তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি শুরু করেছে এবং
কিরগিজস্তানে যৌথ শোধনাগার নির্মাণের চুক্তি করেছে ইরান। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্য এশিয়ায় ইরানের এই তেল ব্যবসার স্থায়ী হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ ইরান থেকে এই তেল মধ্য এশিয়ায় নিতে হলে তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের মতো দেশের ওপর দিয়ে রেলপথে নিতে হয়, যা বেশ জটিল। তাছাড়া, ইউক্রেন যুদ্ধ থামলে কিংবা রাশিয়ার শোধনাগারগুলো মেরামত হয়ে গেলে শুল্কমুক্ত সুবিধার কারণে কম দামে রাশিয়ার তেলই আবার বাজারে ফিরে আসবে, যেখানে ইরান টিকতে পারবে না। এছাড়া ইরানের সঙ্গে তেল লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও রয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
কিরগিজস্তানে যৌথ শোধনাগার নির্মাণের চুক্তি করেছে ইরান। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্য এশিয়ায় ইরানের এই তেল ব্যবসার স্থায়ী হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ ইরান থেকে এই তেল মধ্য এশিয়ায় নিতে হলে তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের মতো দেশের ওপর দিয়ে রেলপথে নিতে হয়, যা বেশ জটিল। তাছাড়া, ইউক্রেন যুদ্ধ থামলে কিংবা রাশিয়ার শোধনাগারগুলো মেরামত হয়ে গেলে শুল্কমুক্ত সুবিধার কারণে কম দামে রাশিয়ার তেলই আবার বাজারে ফিরে আসবে, যেখানে ইরান টিকতে পারবে না। এছাড়া ইরানের সঙ্গে তেল লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও রয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।





