ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর
টি-টোয়েন্টির ‘ডাকে’র বিশ্বরেকর্ডের শীর্ষ পাঁচে আছেন যারা
গণমাধ্যমে মন্তব্যের জেরে সারওয়ার ইমরানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিচ্ছে বিসিবি
এশিয়ান গেমসে ৪০ বছর পর বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তিগত পদক নিশ্চিত করলেন জিন্নাত
প্রথমবার এশিয়ান গেমস থেকে খালি হাতে ফিরছে নারী ক্রিকেট দল
অবিশ্বাস্য নাটকীয়তায় জাপানের বিপক্ষে অল্পের জন্য জিতল ভারত
রূপনার বীরত্বেও তলানিতে থেকে এশিয়ান গেমস শেষ করল বাংলাদেশ
না খেলেই কীভাবে এশিয়ান গেমসে পদক নিশ্চিত বাংলাদেশের জিন্নাতের
কোনো ম্যাচ না খেলেই পদক নিশ্চিত—এমন অবিশ্বাস্য ও ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন। এশিয়ান গেমসে উশুর ৫২ কেজি ওজন শ্রেণিতে কোনো লড়াই ছাড়াই সেমিফাইনালে উঠে বাংলাদেশের জন্য অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন অ্যাথলেট জিন্নাত আক্তার। ১৯৮৬ সালে বক্সার মোশাররফ হোসেনের পর এশিয়ান গেমসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে এটিই বাংলাদেশের প্রথম পদক জয়।
জিন্নাতের এই অলৌকিক সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে ড্রয়ের ভাগ্য এবং প্রতিপক্ষের ডিসকোয়ালিফিকেশন। আইএইচ প্রিফেকচারাল মার্শাল আর্ট হলে অনুষ্ঠিত এই ইভেন্টে মোট প্রতিযোগী ছিলেন ১৫ জন। প্রতিযোগী সংখ্যা বিজোড় হওয়ার কারণে প্রথম রাউন্ডে লটারির মাধ্যমে ‘বাই’ পেয়ে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান জিন্নাত।
কোয়ার্টার ফাইনালে জিন্নাতের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ইন্দোনেশিয়ার প্রতিযোগী
জেনিফার কিলাপিওর। কিন্তু অফিসিয়াল ওয়েট-ইন বা ওজন মাপার সময় নির্ধারিত ৫২ কেজির চেয়ে বেশি ওজন ধরা পড়ায় ইন্দোনেশিয়ান প্রতিযোগীকে ডিসকোয়ালিফাইড ঘোষণা করা হয়। ফলে রিংয়ে না নেমেই সেমিফাইনালে পা রাখেন জিন্নাত। উশুর নিয়ম অনুযায়ী সেমিফাইনালে উঠলেই অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয়ে যায়। না খেলেই পদক নিশ্চিতের এই অভূতপূর্ব ঘটনাকে সৃষ্টিকর্তার উপহার হিসেবে দেখছেন জিন্নাত। তিনি বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে আল্লাহ আমাকে এটি দিয়েছেন। প্রি-কোয়ার্টারে বাই, কোয়ার্টারে প্রতিপক্ষ ডিসকোয়ালিফাইড, আর সেমিফাইনালে উঠলেই পদক! ভাবতেই অবাক লাগছে।’ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের শেফ দে মিশন ইমরোজ আহমেদ ও উশু অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলদার হাসান দিলু নিশ্চিত করেছেন যে জিন্নাত অন্তত ব্রোঞ্জ পদক পাচ্ছেন। তবে জিন্নাতের লক্ষ্য এখন
আরও উঁচুতে। সেমিফাইনালে চীনের শক্ত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জয় পেয়ে রোপ্য বা স্বর্ণের লড়াইয়ে অংশ নিয়ে মোশাররফ হোসেনের ১৯৮৬ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যেতে চান তিনি।
জেনিফার কিলাপিওর। কিন্তু অফিসিয়াল ওয়েট-ইন বা ওজন মাপার সময় নির্ধারিত ৫২ কেজির চেয়ে বেশি ওজন ধরা পড়ায় ইন্দোনেশিয়ান প্রতিযোগীকে ডিসকোয়ালিফাইড ঘোষণা করা হয়। ফলে রিংয়ে না নেমেই সেমিফাইনালে পা রাখেন জিন্নাত। উশুর নিয়ম অনুযায়ী সেমিফাইনালে উঠলেই অন্তত ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয়ে যায়। না খেলেই পদক নিশ্চিতের এই অভূতপূর্ব ঘটনাকে সৃষ্টিকর্তার উপহার হিসেবে দেখছেন জিন্নাত। তিনি বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে আল্লাহ আমাকে এটি দিয়েছেন। প্রি-কোয়ার্টারে বাই, কোয়ার্টারে প্রতিপক্ষ ডিসকোয়ালিফাইড, আর সেমিফাইনালে উঠলেই পদক! ভাবতেই অবাক লাগছে।’ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের শেফ দে মিশন ইমরোজ আহমেদ ও উশু অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলদার হাসান দিলু নিশ্চিত করেছেন যে জিন্নাত অন্তত ব্রোঞ্জ পদক পাচ্ছেন। তবে জিন্নাতের লক্ষ্য এখন
আরও উঁচুতে। সেমিফাইনালে চীনের শক্ত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জয় পেয়ে রোপ্য বা স্বর্ণের লড়াইয়ে অংশ নিয়ে মোশাররফ হোসেনের ১৯৮৬ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যেতে চান তিনি।



