মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, সতর্ক করল চীন-রাশিয়া – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ September, ২০২৬

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, সতর্ক করল চীন-রাশিয়া

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ September, ২০২৬ |
মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক জানিয়েছেন, এটি প্রতিপক্ষের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে যৌথ বাহিনীকে রক্ষা করতে সক্ষম। ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে চীন ও রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে স্থানীয় সময় সোমবার ‘এয়ার, স্পেস অ্যান্ড সাইবার’ সম্মেলনে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করেন মেইঙ্ক। এর আয়োজন করে দেশটির এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। তাদের প্রকাশিত এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্স সাময়িকীর ওয়েবসাইটে মেইঙ্কের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। মহাকাশ নিয়ে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যে অস্ত্র মোতায়েনের কথা জানালেন মেইঙ্ক। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ওয়াশিংটনের অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি এতদিন ‘ওপেন-সিক্রেট’ ছিল।

কিন্তু তারা এমন সময়ে ঘোষণাটি দিল, যা বেইজিংয়ের সঙ্গে উত্তেজনার মাত্রা বৃদ্ধি ও মহাকাশে অস্ত্র প্রতিযোগিতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। মেরিল্যান্ডের সম্মেলনে মার্কিন স্পেস অপারেশন্সের প্রধান জেনারেল ডগলাস শিয়েসও বক্তব্য দেন। তিনি জানান, স্পেস ফোর্স না থাকলে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করা সম্ভব হতো না। শিয়েসের এই দাবির প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের একটি উদ্ধৃতি দিয়েছে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্স সাময়িকী। গত মার্চ মাসের শুরুতে এক ব্রিফিয়ে ড্যান কেইন বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করা হয়। এতে সহায়তা করেছিল মহাকাশ ব্যবস্থা। ট্রয় মেইঙ্ক যা বলেছেন রুশ গণমাধ্যম আরটির প্রতিবেদন

অনুযায়ী, সম্মেলনের মূল বক্তব্যে মেইঙ্ক বলেন, ‘হুমকির ধরন পরিবর্তন হয়ে যেখানেই দেখা দিক না কেন, তা মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে চলেছি। এ কারণেই কক্ষপথে মহাকাশ নিয়ন্ত্রণের অস্ত্র আছে। প্রতিরোধের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ।’ ট্রয় মেইঙ্ক (বাঁয়ে) ও ডগলাস শিয়েস। ছবি: এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্স সাময়িকীর সৌজন্যে ট্রয় মেইঙ্ক (বাঁয়ে) ও ডগলাস শিয়েস। ছবি: এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্স সাময়িকীর সৌজন্যে বক্তব্যে মেইঙ্ক বিস্তারিত আর কিছু জানাননি। প্রশ্নোত্তর পর্বে একই বিষয়ে জানাতে চাওয়া হলে তিনি শুধু বলেন, ‘বক্তব্যের ভাষা খুব ভেবেচিন্তে নির্ধারণ করা হয়েছে।’ এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, মেইঙ্ক সম্ভবত মার্কিন সেনা বা মার্কিন স্যাটেলাইটকে (কৃত্রিম উপগ্রহ) লক্ষ্যবস্তু

বানাতে চাওয়া শত্রুপক্ষের স্যাটেলাইটকে ধ্বংস করার প্রযুক্তির কথা বলেছেন। এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্স সাময়িকী লিখেছে, চীন ও রাশিয়া মহাকাশভিত্তিক অস্ত্র তৈরি ও প্রদর্শন করছে। তাদের সেই আগ্রাসী তৎপরতার মধ্যে মেইঙ্ক যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র মোতায়েন নিয়ে সরাসরি তথ্য দিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু পরীক্ষা করেছি নাকি করিনি- তা নিয়ে বিস্তারিত জানাতে চাইছি না। শুধু বলব, সামরিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য মহাকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র যাতে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।’ আরটি লিখেছে, গণবিধ্বংসী নয় এমন অস্ত্র মহাকাশে মোতায়েনে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে (২০১৯) মার্কিন স্পেস ফোর্স প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় তিনি মহাকাশকে ‘বিশ্বের নতুন যুদ্ধক্ষেত্র’

হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে গত বছর ‘গোল্ডেন ডোম’ নামে একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। এটি পুরো যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি কয়েক স্তরের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর মধ্যে মহাকাশভিত্তিক ইন্টারসেপ্টরও আছে। রুশ গণমাধ্যমটি আরও লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই তৎপরতা স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার কৌশলগত প্রতিরক্ষা উদ্যোগ (এসডিআই) বা ‘স্টার ওয়ার্সের’ কথা মনে করিয়ে দেয়। ১৯৮৩ সালে এটি চালু করেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান। এতে মহাকাশভিত্তিক অস্ত্র মোতায়েনের প্রস্তাব থাকলেও পরে প্রকল্পটি বাতিল হয়। যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত ও রাশিয়া ২০০০-এর দশক থেকে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। ২০২১ সালের নভেম্বরে রুশ সামরিক বাহিনী সোভিয়েত আমলের একটি অব্যবহৃত গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ধ্বংস করে। তখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

জানিয়েছিল, আন্তর্জাতিক আইন মেনে এ কাজ করা হয়েছে। এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান নয়। চীন-রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া ট্রয় মেইঙ্কের ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রকে মহাকাশ সামরিকীকরণ, অস্ত্র মোতায়েনের প্রতিযোগিতা ও যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে চীন। মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন মহাকাশে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া বন্ধ করে।’ রাশিয়াও মহাকাশকে যেকোনো ধরনের অস্ত্র থেকে মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘মহাকাশকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যেতে আমরা আন্তর্জাতিক ঐকমত্য আশা করছি।’ এএফপি লিখেছে, এই দুই ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিকে মহাকাশেও সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে ওয়াশিংটন। মার্কিন স্পেস ফোর্সের মতে, সামরিক আধুনিকায়ন

কৌশলের অংশ হিসেবে চীন মহাকাশ ও ‘কাউন্টার-স্পেস’ সক্ষমতা পরিচালনা করছে। অন্যদিকে রাশিয়াও মহাকাশকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে দেখে। তারা মনে করে, ভবিষ্যতের সংঘাতে মহাকাশের আধিপত্য একটি ফ্যাক্টরে পরিণত হবে। মহাকাশের সামরিকীকরণ মহাকাশ প্রতিযোগিতার মতোই পুরোনো। ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম অনুসন্ধান যান হিসেবে কক্ষপথে স্পুটনিক পাঠিয়েছিল। এরপর থেকে ওয়াশিংটন ও মস্কো স্যাটেলাইটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার ও ধ্বংস করার উপায় খুঁজতে শুরু করে। ২০১৯ সালের মার্চে ভারত জানায়, তারা পৃথিবী থেকে সবচেয়ে কাছাকাছি উচ্চতায় থাকা একটি স্যাটেলাইট ধ্বংস করেছে। এর মাধ্যমে তারা উন্নত মহাকাশ শক্তিগুলোর একটি হিসেবে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দেয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের