ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ September, ২০২৬

ফলাফলে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মকর্তারা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ September, ২০২৬ |
আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন। যেটি ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। এমন একটি নির্বাচনের দুই মাস আগে থেকে সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলার মহড়া দিচ্ছেন অঙ্গরাজ্যগুলোর কর্মকর্তারা। দেশটিতে এ ধরনের তৎপরতা এক সময় অকল্পনীয় ছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল সরকারের ক্ষমতা ব্যবহার করে যদি ফলাফল নিজ দলের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে কী করতে হবে? ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা এমন পরিস্থিতির সম্ভাব্য পরিণতির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ভোটকেন্দ্রে ফেডারেল এজেন্ট পাঠিয়ে ভোটারদের ভয় দেখানো ও ভোটার উপস্থিতি কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। ফেডারেল সরকার ভোটিং মেশিনে প্রবেশাধিকার চাইলে তা মোকাবিলায় কী করতে হবে- সে সম্পর্কে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পরামর্শ দিচ্ছেন মিশিগান অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা।

অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোতেও নির্বাচনী কর্মকর্তারা ব্যালট জব্দ থেকে শুরু করে জালিয়াতি তদন্তে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রিপাবলিকানের পাশাপাশি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অন্তত ৫০ জন নির্বাচনী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্স। তাদের মধ্যে স্টেট সেক্রেটারিও ছিলেন। তারা নিজ নিজ অঙ্গরাজ্যের শীর্ষ নির্বাচনী কর্মকর্তা। প্রায় সবাই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, অপতথ্য, সাইবার হামলা এমনকি সহিংসতার হুমকি মোকাবিলায় নতুন কৌশল গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। এসব প্রস্তুতি ছোট-বড় বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটিক উভয় দলের নিয়ন্ত্রিত এলাকা আছে। এগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, নভেম্বরের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় হুমকি বিদেশি হস্তক্ষেপ বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং খোদ ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে থেকে আসতে পারে বলে কর্মকর্তাদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে অঙ্গরাজ্যগুলোই নির্বাচনী কার্যক্রম তত্ত্ববধান করে আসছে। তবে বর্তমান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। হোয়াইট হাউস ফেডারেল সরকারের হস্তক্ষেপের উদ্বেগ নাকচ করে দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে, মার্কিন নাগরিক নয় এমন ব্যক্তিরাও ভোট দেয়। এর জন্য ডেমোক্র্যাটরা দায়ী। তবে এমন অভিযোগের পক্ষে খুব বেশি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গত জুলাইয়ে এ নিয়ে রয়টার্স একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। একই বিষয়ে স্বাধীন গবেষণাও আছে। সেগুলোতে দেখা গেছে, অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। নির্বাচনের ফলাফলেও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লরেন বিস বলেন, ‘কট্টর ডেমোক্র্যাটপন্থিরাই নির্বাচনের ওপর আমাদের অবিশ্বাসের কারণ।’ তিনি আরও বলেন, কয়েক দশক ধরে

গণমাধ্যম ও ডেমোক্র্যাটরা বিষয়টি অস্বীকার করলেও ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে অভিযোগ তোলার যথেষ্ট কারণ আছে। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে রিপাবলিকানদের জয়ের সহায়ক কিছু উপায় তুলে ধরেছেন। তিনি অন্তত ১৫টি এলাকার ভোট ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করতে রিপাবলিকানদের আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব প্রেসিডেন্টের নয়, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় সরকারের। তবুও ট্রাম্প জাতীয়করণের ওই আহ্বান জানান। খারিজ হয়ে যাওয়া ভোট জালিয়াতির কিছু অভিযোগ তদন্ত করতেও ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর প্রশাসন ইতোমধ্যে উইসকনসিন, জর্জিয়া ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী কর্মকর্তা ও দপ্তরগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। কংগ্রেসের নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণের জন্যও ট্রাম্প চাপ দিয়েছেন। এতে প্রতিনিধি পরিষদের আসনগুলোতে রিপাবলিকানরা সুবিধা পাবে বলে ধারণা

করা হচ্ছে। এছাড়া, যেসব অঙ্গরাজ্য ফেডারেল সংস্থাগুলোকে ভোটারদের জন্ম তারিখ, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বরের তথ্য দিতে রাজি হয়নি সেগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে গত সপ্তাহে ডালাসে একটি সম্মেলন করে রিপাবলিকান পার্টি। সেখানে সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রাম্প ‘যতটা সম্ভব প্রতারণা করতে’ এবং ‘নিবন্ধিত হোক বা না হোক’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। দেশজুড়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিয়েছেন অ্যারিজোনার মারিকোপা কাউন্টির রিপাবলিকান আইনজীবী ও সাবেক কর্মকর্তা বিল গেটস। তিনি বলেন, ফেডারেল সরকার কী ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছে, তা নিয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন। একসময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা দেখা যেত, এখন আর তা নেই। বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রশাসন

সংবেদনশীল তথ্য বা নির্বাচনী সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার চাইতে পারে। সে পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে তারা বাইরের আইনজীবী নিয়োগ করছেন অথবা নিজ কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। অপতথ্য মোকাবিলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার বাড়ানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের