ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
নিজ বাসভবনে মিললো মমতার ভাইঝির মরদেহ
পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের রামপুরহাটে নিজ বাসভবন থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের (৩১) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে বাপের বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় রামপুরহাট-১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
জানা গেছে, বৃষ্টি মুখোপাধ্যায় বোলপুর
হাইস্কুলে গ্রুপ-সি পদে চাকরি করতেন। তবে রাজ্য শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে প্রায় এক বছর আগে চাকরি হারান তিনি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শুরুর পর থেকেই তিনি তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানা গেছে। চাকরি হারানোর পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। বর্তমানে তাদের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। এক সন্তানকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে তিনি বাপের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের দাবি, চাকরিচ্যুতি, পারিবারিক টানাপোড়েন ও বিয়েবিচ্ছেদের কারণে কয়েক বছর ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
হাইস্কুলে গ্রুপ-সি পদে চাকরি করতেন। তবে রাজ্য শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে প্রায় এক বছর আগে চাকরি হারান তিনি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শুরুর পর থেকেই তিনি তদন্তকারীদের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানা গেছে। চাকরি হারানোর পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। বর্তমানে তাদের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। এক সন্তানকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে তিনি বাপের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের দাবি, চাকরিচ্যুতি, পারিবারিক টানাপোড়েন ও বিয়েবিচ্ছেদের কারণে কয়েক বছর ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।





