‘সবাই চিন্তিত’, লর্ডসে লজ্জার হারের পর বললেন পাকিস্তানের আব্বাস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩১ August, ২০২৬

‘সবাই চিন্তিত’, লর্ডসে লজ্জার হারের পর বললেন পাকিস্তানের আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ August, ২০২৬ |
পাকিস্তানের টানা ব্যর্থতার ধারা যখন আরেকটু দীর্ঘ হলো, লর্ডসে তখন শেষ উইকেটের পতনের সময় অপর প্রান্তে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। পুরো সিরিজে দলজুড়ে ছড়ানো ব্যর্থতার মাঝে একমাত্র তিনিই ইতিবাচক কিছু দিতে পেরেছেন, তাই হয়তো লর্ডসের এই দৃশ্যটি বেশ মানানসই দেখাচ্ছিল। দিনের শুরুতেই লর্ডসের ঐতিহ্যবাহী অনার্স বোর্ডে নিজের নাম খোদাই করে নেন পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে। এই মাঠে আব্বাসের রেকর্ড এমনিতেই দারুণ—চার ইনিংসে ১২-র কম গড়ে ১৭টি উইকেট। বোলার আব্বাসকে নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, তবে পুরো পাকিস্তান দল যে গভীর সঙ্কটে, তা তো এক প্রকার স্পষ্ট। “আমাদের পারফরম্যান্স সবাইকে দুশ্চিন্তায় ফেলছে,” বলছিলেন আব্বাস। “সিলেকশন কমিটি থেকে শুরু করে এনসিএ—সবাই চিন্তিত। আমরা ভালো খেলছি

না, এটা সত্যি। আমাদের ব্যাটিং, বোলিং বা ফিল্ডিং—কোনোটাই ভালো হচ্ছে না এবং আমরা মিটিংয়ে নিয়মিত এগুলো নিয়ে কথা বলছি। সবাই চেষ্টা করছে, পরিস্থিতি বদলাতে এর কোনো বিকল্পও নেই।” হেডিংলিতে গত সপ্তাহের বিধ্বস্ত হওয়ার তুলনায় এই হার হয়তো অতটা লজ্জাজনক ছিল না, কিন্তু ম্যাচের কোনো মুহূর্তে পাকিস্তান যে লড়াইয়ে ছিল, তা বলাটা বাড়িয়ে বলা হবে। প্রথম ইনিংসে ১৮০ রানের লিড নেয় ইংল্যান্ড। এরপর থেকেই পাকিস্তানকে শুধু খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে। আব্বাস ম্যাচে নয় উইকেট পেলেও ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের রানটাই পাকিস্তানের নাগালের বাইরে চলে যায়, বিশেষ করে ‘তাদের’ টেলএন্ডারদের কল্যাণে। ২২২ রানে ৮ উইকেট পড়ার পরও ৬৮ রান যোগ

করে ইংল্যান্ড। লেজের সারির ব্যাটারদের দ্রুত গুটিয়ে দিতে না পারার পুরোনো রোগ থেকে এবারও বের হতে পারেনি পাকিস্তান। এই ব্যর্থতার বড় দায় ফিল্ডিংয়েরও। এই টেস্টেও ফিল্ডিংয়ের অবস্থায় কোনো উন্নতি দেখা যায়নি। ক্যাচিংয়ের দিকটা তো আরও করুণ ছিল। বদলি ফিল্ডার হিসেবে স্লিপে সালমান আগার অসাধারণ ক্যাচ বাদ দিলে, প্রথম ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অন্তত চারটি ক্যাচ ফেলেছে পাকিস্তান। “আমরা ক্যাচ ফেলেছি আর ‘তাদের’ মূল ব্যাটাররা অতিরিক্ত ৭০-এর মতো রান করে ফেলেছে,” বলেন আব্বাস। “ম্যাচটা ওখানেই আমাদের হাত থেকে বের হয়ে যায়, কারণ আমরা ‘তাদের’ ২০০ রানেই গুটিয়ে দিতে পারতাম। এটা সত্যিই হতাশাজনক।” ব্যক্তিগত দিক দিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের দারুণ এক সোনালী সময় কাটাচ্ছেন আব্বাস, আর তখনই

দলকে এমন হারের স্বাদ পেতে হচ্ছে। শেষ ছয় টেস্টে ১৯-এর নিচে গড়ে তিনি নিয়েছেন ২৮টি উইকেট। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহর টেস্ট পারফরম্যান্সে ভাটা পড়ায় আব্বাসই এখন পাকিস্তানের পেস আক্রমণের প্রধান ভরসা। দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে কোনো দিনই কোনো ক্ষোভ প্রকাশ করেননি তিনি। কিন্তু ব্যক্তিগত সাফল্য দল না জিতলে কোনো আনন্দ দেয় না তাকে, “ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স জরুরি, কিন্তু আমার চেষ্টা থাকে দলকে জেতাতে ভূমিকা রাখা। বেশ কয়েকটি ম্যাচে আমি ভালো করছি, কিন্তু দল জিততে পারছে না।” “আমার হাতে যা ছিল, আমি করেছি। ঘরোয়া ক্রিকেট ও কাউন্টিতে মন দিয়ে খেলেছি। ততকালীন ম্যানেজমেন্ট ‘তাদের’ জায়গায় যা ভালো মনে করেছে, তাই করেছে। দলে

সুযোগ পাওয়া বা না পাওয়া আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।” হেডিংলিতে অসহায় আত্মসমর্পণের পর দেশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। সিরিজ হেরে বসায় সেই ক্ষোভ এবার আরও বাড়ার কথা। শেষ ২০ টেস্টের ১৫টিতেই হেরেছে পাকিস্তান, যার মধ্যে বিদেশের মাটিতে ১১ ম্যাচের ১০টিই হার। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা এই দলের ঘুরে দাঁড়ানোর উপায়ও এখন বেশ অস্পষ্ট। তবে চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না বলে দাবি করেন আব্বাস, “এটা টেস্ট ক্রিকেট। প্রতিটি রান আর উইকেট ক্যারিয়ারের খাতায় যোগ হয়। দায়িত্বটা সবাই বোঝে আর চেষ্টা করছে। আমরা ৩৫ থেকে ৫০ ওভারের মধ্যে অলআউট হয়ে যাচ্ছি, তবে এই দলটা এখনো পুরোপুরি গুছিয়ে উঠতে পারেনি।” “বাংলাদেশ সিরিজে আমাদের বোলিং

কম্বিনেশন আর এখানে এক নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা টেস্ট জিতেছিলাম। ছেলেরা নতুন কন্ডিশনে মানিয়ে নিচ্ছে, তবে টেস্টে অভিজ্ঞতার কোনো বিকল্প নেই। আমি ৩২টি টেস্ট খেলেছি, কিন্তু আমার সঙ্গে যারা বোলিং করছে, তারা টেস্টের মঞ্চে নতুন। তবে উন্নতি করার চেষ্টা সবাই করছে।” অভিজ্ঞতার অভাবের পাশাপাশি পেসের ঘাটতি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। পাকিস্তান পেস আক্রমণের মধ্যে আব্বাসের গতি সবচেয়ে কম হলেও টেকনিক ও স্কিলে তিনি বহুদূর এগিয়ে। গতি কম হওয়াটা তার পারফরম্যান্সে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি, ঠিক যেমনটা দাঁড়ায়নি ইংল্যান্ডের মিডিয়াম-ফাস্ট বোলার ওলি রবিনসনের ক্ষেত্রে। তবে রবিনসনের সঙ্গী হিসেবে জফরা আর্চার বা জশ টাংয়ের মতো ঘণ্টায় ৯০ মাইলের বেশি গতিতে বল করার মানুষ আছে, কিন্তু

আব্বাসের দুই সঙ্গী সেই তুলনায় বেশ মন্থর। খুররম শাহজাদের পাশাপাশি মোহাম্মদ আলীও দু-একবার ৮৬ মাইল ছুঁলেও মূলত ৭৮ থেকে ৮২ মাইল গতিতেই বল করেন। “সব বোলারের নিজস্ব সামর্থ্য থাকে,” আব্বাস ব্যাখ্যা করেন। “আমি জীবনে কখনো ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করিনি, তাই নিজের স্কিল অনুযায়ী বল করি। ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও জুটি দরকার হয়। লিডসে আমরা ভালো বোলিং করতে পারিনি, তবে এখানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কন্ডিশন মানিয়ে নিয়ে ভালো করার চেষ্টা চলছে, ধীরে ধীরে উন্নতি আসবে।” তবে এই উন্নতির ছোঁয়া পেতে পেতে সিরিজ হাতছাড়া হয়ে গেছে, যেখানে পাঁচ দিনের খেলাতেই হার মেনে নিতে হলো পাকিস্তানকে। আপাতত স্বল্প সময়ে এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখাও কঠিন, তবে বাকি সবকিছুর মতো এই বিষয়গুলোও আব্বাসের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের