মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে শান্তি আলোচনার বিরল সুযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ August, ২০২৬

মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে শান্তি আলোচনার বিরল সুযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ August, ২০২৬ |
পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে লড়াইয়ের পর মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ নিয়ে আলোচনার একটি বিরল সুযোগ তৈরি হচ্ছে। যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর পুনরায় শক্তি ফিরে পাওয়া এবং আঞ্চলিক পর্যায় থেকে ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একটি ‘আবব্রেলা বডি’ বা জোটের অবস্থানে এই পরিবর্তনটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। জোটটির নাম এসসিইএফ বা ফেডারেল ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠায় গঠিত স্টিয়ারিং কাউন্সিল। এই জোট কয়েকটি জাতিগত সশস্ত্র সংগঠন এবং ছায়া সরকারকে এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে। সম্প্রতি থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর আলোচক কমিটির সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন। গত মাসে এ দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছে স্টিয়ারিং কাউন্সিল। বৈঠকের পর কাউন্সিল জানিয়েছে, তারা রাজনৈতিক সমাধানের

পথে এগিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জান্তা প্রধান থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইং এখনও এসসিইএফ-কে আলোচনার অংশীদার হিসেবে মেনে নেননি। তাঁর থাইল্যান্ড সফর পরিস্থিতির আরেকটি দিক তুলে ধরছে। কারণ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোটে (আসিয়ান) পুনরায় মিয়ানমারের সম্পৃক্ততা বাড়াতে ব্যাংকক ধাপে ধাপে চেষ্টা করছে। ফলে মিনের থাইল্যান্ড সফর যুদ্ধবিরতির বিস্তৃত প্রচেষ্টাকে সামনে আনছে। এসব ঘটনা নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের রিসার্চ ফেলো মরগান মাইকেলস বলছেন, মনে হচ্ছে তাতমাদাওকে (মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী) উৎখাত করার লক্ষ্য থেকে এসসিইএফ জোটের সদস্যরা সরে এসেছে। তারপরও এ দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ হতে এখনও অনেক পথ বাকি। তবে কাছাকাছি সময়ে আলোচনায় বসতে চাওয়ার বিষয়ে অগ্রগতি দেখা গেলেও যেতে

পারে। ‘আমরা সংলাপের জন্য প্রস্তুত’ এসসিইএফ-এর মুখপাত্র স নিমরোদ রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য সামরিক বাহিনীকে রাজনীতির বাইরে পাঠিয়ে বেসামরিক সরকারের আধিপত্য নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘এটাই আমাদের চূড়ান্ত দাবি। তবে আপাতত আমরা আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সংলাপের জন্য প্রস্তুত, রাজনৈতিক আলোচনার জন্যও প্রস্তুত।’ তবে অর্থবহ সংলাপের পরিবেশ তৈরি করতে একটি আহ্বান জানিয়েছে এসসিইএফ। সেটি হলো, বেসামরিকদের ওপর হামলা বন্ধ এবং সব রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত নির্বাচনের পর মিয়ানমারের নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে মিন অং হ্লাইং জান্তা প্রধান থেকে বেসামরিক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন সরকার গত ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আলোচনায় বসার

আহ্বান জানিয়েছিল। গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে মিন অং হ্লাইং বলেন, ‘আমরা শান্তি কামনা করি। এটিই সবচেয়ে বড় চাওয়া’। তবে সংঘাত পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিয়েছে, ক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকে বেসামরিকদের ওপর সামরিক হামলা তীব্রভাবে বেড়েছে। সামরিক প্রভাব বাড়ছে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১ লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। অর্থনীতিও ধসের মুখে। একাধিক ধাক্কা খাওয়ার পর সামরিক বাহিনী বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ চালু করে। চীনের মতো গুরুত্বপূর্ণ মিত্রদের কাছে থেকে বড় সমর্থন পায় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন কৌশল ব্যবহার করে পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেয়। রয়টার্সকে দুই যোদ্ধা জানিয়েছেন, মধ্য মিয়ানমারের বাগো এবং দক্ষিণের দাউই অঞ্চলে সরকারি বাহিনীর অভিযান তীব্র হয়েছে। এতে

সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো কিছু এলাকা থেকে সরে গেছে। মিয়ানমার বিষয়ক স্বাধীন বিশ্লেষক অং কো কো বলেন, এক সময় সামরিক বাহিনী ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। কিন্তু তারা ভাঙেনি। বরং রাজনৈতিক ও সামরিক দুই দিক থেকেই টিকে থাকতে সক্ষম হয়েছে। আলোচনার জন্য কূটনৈতিক চাপ তিনজন বিশ্লেষকের মতে, এসসিইএফ জোটে থাকা কয়েকটি জাতিগত সশস্ত্র সংগঠন বর্তমানে সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়েছে। এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে আছে কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন, কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স অর্গানাইজেশন, চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট এবং কারেনি ন্যাশনাল প্রোগ্রেসিভ পার্টি। এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলেও তারা মন্তব্য করেনি। মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক থাই কর্মকর্তা

জানান, আসিয়ানের সঙ্গে নেপিডোর সম্পর্ক উন্নয়নে ব্যাংকক মূল ভূমিকা পালন করছে। তাদের অগ্রাধিকারের মধ্যে আছে, সহিংসতা কমানো, মানবিক সহায়তার সুযোগ বাড়ানো এবং নিজ দেশের ভেতর সংঘাত ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিচার্ড হর্সি বলছেন, এখন পর্যন্ত এসসিইএফ-কে নেপিডো মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মেনে নেয়নি। বরং তারা আলাদা আলাদা গোষ্ঠীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চাইছে। নীতিগতভাবে সব পক্ষই আরেক পক্ষের কথা শুনতে রাজি। কিন্তু শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য কিছু ছাড় দিতে হয়। সমাধানের পথ তৈরি করতে হয় যৌথভাবে। বেশিরভাগ গোষ্ঠীই এই অবস্থান থেকে এখনও অনেক দূরে আছে বলে মনে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের