ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
প্রস্তাবিত হরমুজ চুক্তিতে জাহাজ প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ পেতে পারে ইরান: রয়টার্স
ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রস্তাবিত একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকার কথা জানা যাচ্ছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, তেহরানকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে উপসাগরে প্রবেশ করা জাহাজের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হবে। এটি ইরানকে দেওয়া সবচেয়ে বড় ছাড়গুলোর একটি।
একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্র ও দুজন আঞ্চলিক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এমন তথ্য দিয়েছেন। প্রস্তাবটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রণালি পুনরায় খোলার চুক্তি আসন্ন। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, তারা কখনোই ইরানকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুটে জাহাজ প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ দিতে রাজি হবেন না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগে এই প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত ছিল। চুক্তিতে ইরান
যদি সত্যিই হরমুজে কর্তৃত্ব স্থাপনের সুযোগ পায়, তাহলে সেটি আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। অঞ্চলজুড়ে বৃহত্তর কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে ইরান ও ওমান হরমুজ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরান বলেছে, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। জাহাজ যাওয়া ও আসা- দুটিই ইরানি জলসীমা দিয়ে হবে। কিছু বিষয় অমীমাংসিত রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা আঞ্চলিক ও ইরানি সূত্রগুলো সতর্ক করে বলেছেন, এখনও কয়েকটি বড় বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে। একইসঙ্গে প্রণালি পুনরায় খোলার চুক্তি আসন্ন বলে ট্রাম্পের দেওয়া ইঙ্গিতও তারা নাকচ করে দিয়েছেন। আঞ্চলিক সূত্রগুলো রয়টার্সকে বলেছে, হরমুজের ওপর কোনো না কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে এরই মধ্যে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রণের সংজ্ঞা কেমন হবে সে
বিষয়ে এখনও খুঁটিনাটি নির্ধারণ হয়নি। উপসাগরীয় আলোচকেরা বলেছেন, আঞ্চলিক দেশগুলোই জাহাজ তদারকি করবে। যেকোনো ধরনের ফি হতে হবে স্বেচ্ছাসেবামূলক। একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার মতে, তেহরান কার্গোর মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ ফি নির্ধারণ করতে চাইছে। ওমান চাইছে এটি ৩ শতাংশ করতে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ফি আরোপ করতে দিতে চায় না। ইরানি সূত্রটি বলেছেন, আলোচনার টেবিলে থাকা চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, প্রণালি দিয়ে উপসাগরের দিকে যাওয়া জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে। বিপরীত দিক থেকে আসা জাহাজের ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কি না সেটি মতবিরোধের বড় একটি বিষয়। সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর যাওয়া এবং আসা- দুটিই যাতে
ইরানের জলসীমার মধ্য দিয়ে হয়, সেভাবে ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। ওমানের সঙ্গে আলোচনা মৌলিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। এই অগ্রগতি চূড়ান্ত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।
যদি সত্যিই হরমুজে কর্তৃত্ব স্থাপনের সুযোগ পায়, তাহলে সেটি আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। অঞ্চলজুড়ে বৃহত্তর কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যে ইরান ও ওমান হরমুজ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরান বলেছে, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। জাহাজ যাওয়া ও আসা- দুটিই ইরানি জলসীমা দিয়ে হবে। কিছু বিষয় অমীমাংসিত রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা আঞ্চলিক ও ইরানি সূত্রগুলো সতর্ক করে বলেছেন, এখনও কয়েকটি বড় বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে। একইসঙ্গে প্রণালি পুনরায় খোলার চুক্তি আসন্ন বলে ট্রাম্পের দেওয়া ইঙ্গিতও তারা নাকচ করে দিয়েছেন। আঞ্চলিক সূত্রগুলো রয়টার্সকে বলেছে, হরমুজের ওপর কোনো না কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে এরই মধ্যে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রণের সংজ্ঞা কেমন হবে সে
বিষয়ে এখনও খুঁটিনাটি নির্ধারণ হয়নি। উপসাগরীয় আলোচকেরা বলেছেন, আঞ্চলিক দেশগুলোই জাহাজ তদারকি করবে। যেকোনো ধরনের ফি হতে হবে স্বেচ্ছাসেবামূলক। একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার মতে, তেহরান কার্গোর মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ ফি নির্ধারণ করতে চাইছে। ওমান চাইছে এটি ৩ শতাংশ করতে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ফি আরোপ করতে দিতে চায় না। ইরানি সূত্রটি বলেছেন, আলোচনার টেবিলে থাকা চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, প্রণালি দিয়ে উপসাগরের দিকে যাওয়া জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে। বিপরীত দিক থেকে আসা জাহাজের ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কি না সেটি মতবিরোধের বড় একটি বিষয়। সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর যাওয়া এবং আসা- দুটিই যাতে
ইরানের জলসীমার মধ্য দিয়ে হয়, সেভাবে ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। ওমানের সঙ্গে আলোচনা মৌলিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। এই অগ্রগতি চূড়ান্ত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।





