খাইবার শিকান: ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র ঘুম কেড়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ August, ২০২৬

খাইবার শিকান: ইরানের যে ক্ষেপণাস্ত্র ঘুম কেড়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ August, ২০২৬ |
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান বারবার যে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুঁড়ছে, তার নাম খাইবার শিকান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরান শুরু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আসছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের হামলার কৌশল দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে, যা এই ক্ষেপণাস্ত্রকে মার্কিন সেনাদের জন্য আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে। খাইবার শিকান আসলে কী? খাইবার শিকান একটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের দাবি, এটি প্রায় ৯০০ মাইল পর্যন্ত উড়তে সক্ষম—অর্থাৎ গোটা মধ্যপ্রাচ্য এমনকি তার বাইরের এলাকাও এর আওতায় পড়ে। ইরান একে সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র বলে দাবি করে—অর্থাৎ এটি সোভিয়েত আমলের কোনো পুরোনো নকশার পরিবর্তিত রূপ নয়, বরং ইরানেই ডিজাইন করা। সপ্তম শতাব্দীর খাইবারের

যুদ্ধের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে, যেখানে নবী মুহাম্মদের অনুসারীরা একটি ইহুদি জনবসতি জয় করেছিলেন। এই ক্ষেপণাস্ত্রকে ইরানের প্রতিপক্ষদের জন্য বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং করে তোলার পেছনে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য কাজ করে। এর কিছু সংস্করণে, ওয়ারহেড বহনকারী নাকের অংশ পৃথিবীর দিকে উচ্চগতিতে নেমে আসার সময় দিক পরিবর্তন করতে পারে। পুরোনো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মতো নয়, এতে রয়েছে কঠিন জ্বালানি (সলিড ফুয়েল)—অর্থাৎ উৎক্ষেপণের ঠিক আগে জ্বালানি ভরার প্রয়োজন হয় না। এর ফলে ইরান ট্রাকের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রেখে যেকোনো সময় দ্রুত ছুঁড়তে পারে, তার আগেই মার্কিন যুদ্ধবিমান সেগুলো ধ্বংস করার সুযোগ পায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র এক হাজার পাউন্ডেরও বেশি ওজনের পেলোড বহন করতে পারে এবং ঘণ্টায় কয়েক

হাজার মাইল বেগে ছুটতে পারে, ফলে সরাসরি আঘাত হানলে তা অত্যন্ত মারাত্মক হয়ে দাঁড়ায়। যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার ২০২২ সালে খাইবার শিকান উন্মোচনের সময় ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল, এর তৃতীয় প্রজন্মের নকশা আগের মডেলগুলোর তুলনায় ওজনে এক-তৃতীয়াংশ এবং উৎক্ষেপণে সময় লাগে ছয় ভাগের এক ভাগ। যুদ্ধে ইরান খাইবার শিকানের পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনও ব্যবহার করছে, এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে বিভিন্ন গতি, উড্ডয়নপথ ও কৌশলের সমন্বয় ঘটাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এসব উৎক্ষিপ্ত অস্ত্রের বেশিরভাগই ভূপাতিত করতে পেরেছে, তবে কিছু অস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে লক্ষ্যে পৌঁছেছে। জুলাই মাসে জর্ডানের একটি ঘাঁটিতে হামলায় তিনজন মার্কিন সেনা নিহত হন। ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার যুদ্ধ শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হিসাব অনুযায়ী, ইরানের কাছে খাইবার

শিকানসহ প্রায় আড়াই হাজার মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। এছাড়া ইরানের রয়েছে স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মহাকাশ উৎক্ষেপণযান। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়া লক্ষ্য করেও ইরান মধ্যম পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও উৎক্ষেপণস্থল ধ্বংসের চেষ্টা করলেও, কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে ইরান ভূগর্ভস্থ স্থাপনা থেকে সেগুলো পুনরুদ্ধার করে তাদের মজুত কিছুটা পুনর্গঠন করতে সক্ষম হয়েছে। এমনকি এমন প্রমাণও মিলেছে যে ইরান খাইবার শিকান ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গেও ভাগাভাগি করেছে। মার্কিন ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি এমন ছবি প্রকাশ করেছে, যাতে দেখা যায় হুতিদের সংস্করণটি ইরানেরটির প্রায় হুবহু অনুরূপ। ইরান খাইবার শিকানের নির্মাণ ব্যয় প্রকাশ না করলেও

বিশ্লেষকদের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টরের তুলনায় অনেক সস্তা। প্যাট্রিয়ট, থাড এবং স্ট্যান্ডার্ড মিসাইলের মতো এসব ইন্টারসেপ্টরের প্রতিটির দাম ধরন ভেদে ২০ লাখ থেকে দেড় কোটি ডলার পর্যন্ত। ট্রাম্পের লক্ষ্য বদল যুদ্ধের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের অন্যতম মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিশ্চিহ্ন করা। ট্রাম্প তখন বলেছিলেন, “আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করব এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্পকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেব।” তবে পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই লক্ষ্য থেকে সরে এসেছেন এবং এখন মূলত ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা থেকে বিরত রাখার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্র কোনো সমস্যা নয়। এগুলো ছোট একটি জায়গায় ক্ষতি

করে, কিন্তু গোটা গ্রহকে উড়িয়ে দেয় না।” পঞ্চম মাসে পা রাখা এই সংঘাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষই কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রেখেছে, এবং দুই দেশের মধ্যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষণও এখনো দেখা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের