ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বৃথা গেল চেষ্টা, ধর্ষণ মামলায় বিচারের মুখোমুখি হাকিমি
পর্তুগালের নতুন যুগের সূচনায় ১ হাজার গোলের স্বপ্ন রোনালদোর
এশিয়ান গেমসকে বড় স্বপ্ন ছোঁয়ার বিরল সুযোগ হিসেবে দেখছেন লিটন
ভারতের বিপক্ষেও ‘প্রীতি নয়’, যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে খেলবে ব্রাজিল
না খেলেই কীভাবে এশিয়ান গেমসে পদক নিশ্চিত বাংলাদেশের জিন্নাতের
সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর
টি-টোয়েন্টির ‘ডাকে’র বিশ্বরেকর্ডের শীর্ষ পাঁচে আছেন যারা
ফিফা সভাপতির পদ ছাড়ার চাপে ইনফান্তিনো
বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর দায়িত্বে থাকা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। ইউরোপের পেশাদার ফুটবল লিগগুলোর প্রধান ক্লডিয়াস শেফার স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ঘটনার পর ইনফান্তিনোর পদে থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর তীব্র প্রতিবাদের মুখে গত শুক্রবার ইনফান্তিনো স্বীকার করেন যে, ফিফা এই পরিকল্পনা বাতিল করেছে। এর পরপরই শনিবার ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কনকাকাফ জানায়, তারা সভাপতি হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারিয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের ‘জোনট্যাগসচাইটুং’ পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেফার বলেন, ‘পুরো বিষয়টি যেভাবে সামনে এসেছে এবং ফিফার মূল সংস্থাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, তা অবিশ্বাস্য। যেকোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় এমন
ঘটনা ঘটলে তার একটাই পরিণতি হতে পারে।’ ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, ‘কাউকে না জানিয়ে যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান এ ধরনের ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যান, তখন সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগই একমাত্র পরিণতি হয়।’ সুইস ফুটবল লিগের প্রধান নির্বাহী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা শেফার অভিযোগ করেন, ফিফার মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃতীয় পক্ষকে অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়া। এর ফলে ভবিষ্যতে ম্যাচের সংখ্যা আরও বাড়বে, যা পেশাদার লিগ ও খেলোয়াড়দের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করবে। ‘এখানে কেবল আর্থিক লাভের কথা ভাবা হচ্ছে, বাকি সবকিছু সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে,’ বলেন শেফার। তিনি আরও যোগ করেন, ‘কারও এই পরিকল্পনার কথা জানা ছিল না, এমনকি ফিফার
নীতি-নির্ধারণী পরিষদও কিছু জানত না। ফিফা সভাপতি সম্পূর্ণ একা সিদ্ধান্ত নিয়ে কীভাবে এতদূর এগোলেন, তা দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি।’
ঘটনা ঘটলে তার একটাই পরিণতি হতে পারে।’ ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, ‘কাউকে না জানিয়ে যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান এ ধরনের ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যান, তখন সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী পদত্যাগই একমাত্র পরিণতি হয়।’ সুইস ফুটবল লিগের প্রধান নির্বাহী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা শেফার অভিযোগ করেন, ফিফার মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃতীয় পক্ষকে অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়া। এর ফলে ভবিষ্যতে ম্যাচের সংখ্যা আরও বাড়বে, যা পেশাদার লিগ ও খেলোয়াড়দের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করবে। ‘এখানে কেবল আর্থিক লাভের কথা ভাবা হচ্ছে, বাকি সবকিছু সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে,’ বলেন শেফার। তিনি আরও যোগ করেন, ‘কারও এই পরিকল্পনার কথা জানা ছিল না, এমনকি ফিফার
নীতি-নির্ধারণী পরিষদও কিছু জানত না। ফিফা সভাপতি সম্পূর্ণ একা সিদ্ধান্ত নিয়ে কীভাবে এতদূর এগোলেন, তা দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছি।’



