ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
হয় কিংবদন্তি নয়তো আক্ষেপ- ইয়ামালের ভাগ্য নির্ধারণের রাত
স্পেন কি বিশ্বকাপ জিতবে? প্রশ্নটা যখন ছুড়ে দেওয়া হলে ১৯ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল মুচকি হেসে শুধু বলেন- হ্যাঁ। ফাইনাল ম্যাচের আগে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ‘সিবিএস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার সেই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য শুনে যারা কয়েক বছর ধরে এই তরুণকে বিশ্ব ফুটবলে তারকা হয়ে উঠতে দেখছেন, তারা কেউই অবাক হননি।
তবে অনেকের মতে, এই ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি করতে হলে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ মঞ্চে ইয়ামালকে আরও বেশিকিছু করে দেখাতে হতো। কিন্তু সত্যিটা হলো, চলতি টুর্নামেন্টে তার থেকে এখন পর্যন্ত তেমন কিছু দেখা যায়নি।
স্পেনের এই উইঙ্গার পুরো টুর্নামেন্টে করেছেন মাত্র একটি গোল, নামের পাশে এক অ্যাসিস্ট। সেমিফাইনালে পেনাল্টি জিতেছেন একটি। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে ইয়ামাল পুরোপুরি জ্বলে
উঠতে না পারলেও তার দেশ দুর্দান্ত খেলে ঠিকই পৌঁছে গেছে ফাইনালে, যেখানে প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। চলতি বিশ্বকাপে মেসি, এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন, বেলিংহাম কিংবা হালান্ডের মতো তারকারা যখন দলের প্রধান চরিত্র হয়ে আলো কেড়েছেন, তখন ইয়ামালের বিশ্বকাপ যাত্রা অনেকটাই অনুজ্জ্বল। আজকের ফাইনাল মঞ্চই তার জন্য একমাত্র সুযোগ। স্পেনের জার্সিতে ইয়ামালের পরিসংখ্যান এক কথায় অবিশ্বাস্য। দেশের হয়ে খেলা ২৭টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের একটিতেও হারের মুখ দেখেননি তিনি। বড় টুর্নামেন্টে (ইউরো ও বিশ্বকাপ) যে ১২টি ম্যাচে তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন, সবকটিতেই জিতেছে দল। বড় টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শুরুর একাদশে থেকে যেকোনো ইউরোপীয় ফুটবলারের জন্য এটিই দীর্ঘতম শতভাগ জয়ের রেকর্ড। নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজকের ফিফা ফাইনালে যদি
ইয়ামাল জালের ঠিকানা খুঁজে পান, তবে ফুটবল ইতিহাসে তৃতীয় তরুণ হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়বেন তিনি। এর আগে এই কীর্তি গড়েন ১৯৫০ সালে ব্রাজিলের পেলে ও ২০১৮ সালে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। আর যদি স্পেন এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে, তবে ফুটবল ইতিহাসে চতুর্থ তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালের শুরুর একাদশে থেকে শিরোপা জয়ের স্বাদ পাবেন ইয়ামাল; যোগ দেবেন পেলে, এমবাপ্পে ও ১৯৮২ সালে ইতালির জুসেপ্পে বেরগোমির মতো কিংবদন্তির এলিট ক্লাবে। অবশ্য ইয়ামালের সতীর্থ ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডার পাউ কুবারসিও এই তালিকায় পঞ্চম নাম হিসেবে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। স্পেনের এক ফুটবল সমর্থক বলেন, ‘ইয়ামাল কতগুলো গোল করল কিংবা কতগুলো অ্যাসিস্ট করল,
দিনশেষে তার কোনো গুরুত্বই থাকবে না, যদি সে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারে। তখন সে জীবন্ত কিংবদন্তি হয়ে উঠবে। আর আমরা যদি আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যাই, তবে ইয়ামালের প্রথম বিশ্বকাপকে কেউ সেভাবে মনে রাখবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি সামনে সে অনেক বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাবে এবং একদিন বিশ্বের সেরা ফুটবলার হবে। তবে খুব কম তরুণের ভাগ্যেই ক্যারিয়ারের শুরুতে বিশ্বকাপ জেতার এমন সুযোগ আসে। এটিই তার মোক্ষম সুযোগ। আমরা যদি হেরে যাই এবং ইয়ামাল যদি নিজের সেরাটা দিতে না পারে, তবে ক্যারিয়ারের শেষদিন পর্যন্ত এই ম্যাচ তার মনে বিরাট আক্ষেপ হয়ে থাকবে।’
উঠতে না পারলেও তার দেশ দুর্দান্ত খেলে ঠিকই পৌঁছে গেছে ফাইনালে, যেখানে প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। চলতি বিশ্বকাপে মেসি, এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন, বেলিংহাম কিংবা হালান্ডের মতো তারকারা যখন দলের প্রধান চরিত্র হয়ে আলো কেড়েছেন, তখন ইয়ামালের বিশ্বকাপ যাত্রা অনেকটাই অনুজ্জ্বল। আজকের ফাইনাল মঞ্চই তার জন্য একমাত্র সুযোগ। স্পেনের জার্সিতে ইয়ামালের পরিসংখ্যান এক কথায় অবিশ্বাস্য। দেশের হয়ে খেলা ২৭টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের একটিতেও হারের মুখ দেখেননি তিনি। বড় টুর্নামেন্টে (ইউরো ও বিশ্বকাপ) যে ১২টি ম্যাচে তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন, সবকটিতেই জিতেছে দল। বড় টুর্নামেন্টের ইতিহাসে শুরুর একাদশে থেকে যেকোনো ইউরোপীয় ফুটবলারের জন্য এটিই দীর্ঘতম শতভাগ জয়ের রেকর্ড। নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজকের ফিফা ফাইনালে যদি
ইয়ামাল জালের ঠিকানা খুঁজে পান, তবে ফুটবল ইতিহাসে তৃতীয় তরুণ হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়বেন তিনি। এর আগে এই কীর্তি গড়েন ১৯৫০ সালে ব্রাজিলের পেলে ও ২০১৮ সালে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। আর যদি স্পেন এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরে, তবে ফুটবল ইতিহাসে চতুর্থ তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালের শুরুর একাদশে থেকে শিরোপা জয়ের স্বাদ পাবেন ইয়ামাল; যোগ দেবেন পেলে, এমবাপ্পে ও ১৯৮২ সালে ইতালির জুসেপ্পে বেরগোমির মতো কিংবদন্তির এলিট ক্লাবে। অবশ্য ইয়ামালের সতীর্থ ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডার পাউ কুবারসিও এই তালিকায় পঞ্চম নাম হিসেবে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। স্পেনের এক ফুটবল সমর্থক বলেন, ‘ইয়ামাল কতগুলো গোল করল কিংবা কতগুলো অ্যাসিস্ট করল,
দিনশেষে তার কোনো গুরুত্বই থাকবে না, যদি সে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিততে পারে। তখন সে জীবন্ত কিংবদন্তি হয়ে উঠবে। আর আমরা যদি আর্জেন্টিনার কাছে হেরে যাই, তবে ইয়ামালের প্রথম বিশ্বকাপকে কেউ সেভাবে মনে রাখবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি সামনে সে অনেক বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাবে এবং একদিন বিশ্বের সেরা ফুটবলার হবে। তবে খুব কম তরুণের ভাগ্যেই ক্যারিয়ারের শুরুতে বিশ্বকাপ জেতার এমন সুযোগ আসে। এটিই তার মোক্ষম সুযোগ। আমরা যদি হেরে যাই এবং ইয়ামাল যদি নিজের সেরাটা দিতে না পারে, তবে ক্যারিয়ারের শেষদিন পর্যন্ত এই ম্যাচ তার মনে বিরাট আক্ষেপ হয়ে থাকবে।’





