ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আসিয়ান কাপের শুরুতেই মালয়েশিয়ার কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
রায়ানের শেষ মুহূর্তের গোলে বিব্রতকর হার এড়ালো ব্রাজিল
ফিফা সংস্কারের দাবি তুলল ইউরোপের শীর্ষ চার লিগ
বিশ্বকাপের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে নতুন রুপের ব্রাজিল
বৃথা গেল চেষ্টা, ধর্ষণ মামলায় বিচারের মুখোমুখি হাকিমি
পর্তুগালের নতুন যুগের সূচনায় ১ হাজার গোলের স্বপ্ন রোনালদোর
এশিয়ান গেমসকে বড় স্বপ্ন ছোঁয়ার বিরল সুযোগ হিসেবে দেখছেন লিটন
ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজের হতাশা পেছনে ফেলে টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল টাইগাররা। ১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শেষ ওভারে জমে ওঠে রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনা। তবে শেখ মেহেদীর ব্যাটে শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে স্বস্তির হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমনের জুটিতে দ্রুতই সেই ধাক্কা সামলে ওঠে সফরকারীরা। এরপর তাওহিদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে আরেকটি জুটি গড়ে দলের জয়ের ভিত তৈরি করেন তানজিদ।
পুরো ইনিংস জুড়ে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ৫৮
বলে ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৬ রান প্রয়োজন থাকায় ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই ওভারের প্রথম দুই বলে মোসাদ্দেক হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আউট হলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেখ মেহেদীর বাউন্ডারিতে জয় নিশ্চিত করে সিরিজ উদযাপনে মাতে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে সিকান্দার রাজা দুটি এবং রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স একটি করে উইকেট নেন। এর আগে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ২০ ওভারের দুই বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে স্বাগতিকদের ইনিংস থামে ১৪৩ রানে। দলের হয়ে একাই লড়াই
করেন ডিওন মেয়ার্স। ৫৩ বলে ৭৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। ব্রায়ান বেনেট করেন ৪৭ রান। এই দুজন ছাড়া আর কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি। বাংলাদেশের বোলাররা পুরো ইনিংসজুড়ে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি করে উইকেট নেন। উইকেটের দেখা না পেলেও নতুন বলে তাসকিন আহমেদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি।
বলে ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৬ রান প্রয়োজন থাকায় ম্যাচে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই ওভারের প্রথম দুই বলে মোসাদ্দেক হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আউট হলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেখ মেহেদীর বাউন্ডারিতে জয় নিশ্চিত করে সিরিজ উদযাপনে মাতে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে সিকান্দার রাজা দুটি এবং রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স একটি করে উইকেট নেন। এর আগে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ২০ ওভারের দুই বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে স্বাগতিকদের ইনিংস থামে ১৪৩ রানে। দলের হয়ে একাই লড়াই
করেন ডিওন মেয়ার্স। ৫৩ বলে ৭৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। ব্রায়ান বেনেট করেন ৪৭ রান। এই দুজন ছাড়া আর কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি। বাংলাদেশের বোলাররা পুরো ইনিংসজুড়ে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দুটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি করে উইকেট নেন। উইকেটের দেখা না পেলেও নতুন বলে তাসকিন আহমেদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি।



