দক্ষিণ চীন সাগর ঘিরে ফের বিতর্ক, উত্তপ্ত ভূরাজনীতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ July, ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগর ঘিরে ফের বিতর্ক, উত্তপ্ত ভূরাজনীতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ July, ২০২৬ |
বিশাল জলরাশির কোথাও কনটেইনারবাহী জাহাজ, কোথাও তেলবাহী ট্যাংকার; আবার কোথাও যুদ্ধজাহাজের সতর্ক টহল। বাইরে থেকে এটি শুধু একটি সমুদ্র—কিন্তু বাস্তবে এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক মঞ্চ। এই সমুদ্রের নাম দক্ষিণ চীন সাগর। এখানে চীনের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রাঞ্চল নিয়ে দেশটি নতুন করে ধাক্কা খেল। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশ সম্প্রতি এক বিৃবতিতে জানিয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সম্প্রসারণমূলক 'নাইন-ড্যাশ লাইন' দাবি বা প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকার ওপর অধিকার দাবির বিষয়টি অবৈধ। এতে ক্ষেপেছে চীন। ফলে সমুদ্রটি ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি। দেশগুলোর দাবিকে সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ)। আর এসব দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে

বেইজিং। গত ১২ জুলাই দেওয়া বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন ছাড়াও ফিলিপাইন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, জার্মানি, ইতালি, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া এবং স্লোভেনিয়ার নাম আছে। জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশনের (আনক্লস) অধীনে গঠিত ট্রাইব্যুনালে ২০১৩ সালে চীনের বিরুদ্ধে একটি সালিশি মামলা দায়ের করে ফিলিপাইন । ২০১৬ সালের ১২ জুলাই নেদার‌ল্যান্ডসের হেগে প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল 'দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের দাবির কোনো আইনগত ভিত্তি নেই' রায় দেয়। বছরের পর বছর ধরে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আধিপত্য নিয়ে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই ও তাইওয়ান অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে আসছে। ফলে প্রায়ই সমুদ্রটি ঘিরে আঞ্চলিক অচলাবস্থা দেখা দেয়। ১৪ দেশের বিবৃতিতে কী আছে বার্তা সংস্থা এপি

জানায়, বিবৃতিতে ১৪টি দেশ দক্ষিণ চীন সাগরের চীনের দখলদারত্বমূলক কার্যকলাপ প্রত্যাখ্যান করেছে। ২৭-সদস্যের ইইউ একটি পৃথক বিবৃতিতে ১২ জুলাইয়ের রায়টিকে 'যুগান্তকারী' হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিবৃতিদাতা দেশগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তাতে বলা হয়েছে, সালিশি ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চীনের নিয়মিত ভূখণ্ডের বাইরে দক্ষিণ চীন সাগরের সম্পদের ওপর দেশটির ঐতিহাসিক অধিকার দাবি অবৈধ। আনক্লস মূলত বিশ্বের মহাসাগর ও সমুদ্র শাসনকারী চুক্তি হিসেবে ব্যাপকভাবে বিবেচিত। এটি ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়। চীন, ফিলিপাইনসহ ১৭০টিরও বেশি দেশ ও পক্ষ এটি অনুমোদন করেছে। বিবৃতিদাতা দেশগুলোর বক্তব্য, 'আমরা দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। চীনের অস্থিরতা সৃষ্টিকারী বা বলপ্রয়োগের পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছি।' দেশগুলো জোর দিয়ে

বলেছে, 'সাগরটিতে চীন অন্যান্য রাষ্ট্রের বৈধ কার্যক্রমে বাধা দেয়, হয়রানি করার পাশাপাশি ভয়ও দেখায়। দেশটি এজন্য কোস্টগার্ড, সামরিক ও সামুদ্রিক মিলিশিয়া বাহিনী ব্যবহার করে। আমরা এগুলোর তীব্র বিরোধিতা করি। এতে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।' কী বলছে চীন ওই বিবৃতির তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন। দেশটি জানিয়ে দিয়েছে, ২০১৬ সালের সালিসি রায়টি বাতিল ও অকার্যকর এবং এর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বেইজিং রায়টিকে স্বীকৃতি দেয় না।' চীন ২০১৩ সালে ফিলিপাইনের শুরু করা ওই সালিসে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। রয়টার্স লিখেছে, বেইজিং কার্যত সমগ্র ওই সমুদ্রপথের ওপর আগের দাবিতেই অটল রয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, সালিশি ট্রাইব্যুনাল এবং এর

রায় আন্তর্জাতিক সালিশির সাধারণ রীতির গুরুতর লঙ্ঘন। এই রায় একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র ও আনক্লসের পক্ষভুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে চীনের বৈধ অধিকারকে গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ণ করে এবং এটি অন্যায় ও বেআইনি। বেইজিং বলেছে, চীন ওই রায়গুলোর ওপর ভিত্তি করে নেওয়া যে কোনো দাবি বা পদক্ষেপের বিরোধিতা করে এবং তা কখনোই মানবে না। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সমাধান বেইজিং গ্রহণ করে না। চীন-জাপানের মধ্যে উত্তেজনা: ১৪ দেশের বিবৃতিতে চীনকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য প্রধান হুমকি ও উস্কানি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চীন তার অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য যুক্তিসঙ্গত, আইনসম্মত, পেশাদার এবং সংযত উপায়ে সিদ্ধান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে। একজন

জাপানি মন্ত্রী ওই রায়ের বিষয়ে চীনের অবস্থানের সমালোচনা করেছে। এরপরই বেইজিং একটি পৃথক বিবৃতিতে টোকিওর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানায়, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছেন, ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তটি মেনে নিতে চীনের অস্বীকৃতি দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি নীতির পরিপন্থী। এই বক্তব্যের প্রতিবাদে বেইজিং জাপানি দূতাবাসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে তলবও করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কড়া বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি করেছেন ম্যানিলায় নিযুক্ত বেইজিংয়ের শীর্ষ কূটনীতিক জিং কুয়ান। পিপলস ডেইলিতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি বলেছেন, এই সালিশি প্রক্রিয়ার জটিলতা দূর করা অত্যন্ত জরুরি বিষয়। কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্রে জিং লিখেছেন, ম্যানিলার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো বিভ্রম ত্যাগ করা এবং

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা। অস্থির দক্ষিণ চীন সাগর: সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিতর্কিত জলসীমায় আঞ্চলিক সংঘাত আরও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে চীনা, ফিলিপিনো এবং ভিয়েতনামী বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক অস্থিরতা রয়েছে। চীনের উপকূলরক্ষী জাহাজ ও সহায়ক নৌযানগুলো ফিলিপাইনসহ অধিকার দাবিদার দেশগুলোর জেলেদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী জলকামান ব্যবহার করে আসছে। পাশাপাশি সামরিক লেজার ও বিপজ্জনক প্রতিরক্ষা কৌশল ব্যবহার করে তারা। ফলে গভীর সমুদ্রে সংঘর্ষ এবং সমুদ্রের আকাশে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বারবার চীনকে সালিশি রায় মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্টট জো বাইডেন ও বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন উভয়ই সতর্ক করেছে, বিতর্কিত জলসীমায় ফিলিপাইনের নৌবাহিনী বা জেলে হামলার শিকার হলে ফিলিপাইনকে রক্ষা করতে ওয়াশিংটন বাধ্য থাকবে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষিণ চীন সাগরকে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ সামুদ্রিক করিডোর হিসেবে বর্ণনা করে থাকে। এই জলরাশিতে নৌচলাচল ও আকাশপথে উড্ডয়নের স্বাধীনতায় অন্য কারও হস্তক্ষেপ সহ্য করে না বেইজিং। চীন মনে করে, ২০১৬ সালে দেওয়া আনক্লসের রায়টি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিরসনের পরিবর্তে কেবল তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সূত্র: রয়টার্স, এপি ও সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের