ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
বাংলাদেশে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক বন্দি প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান স্কটিশ পার্লামেন্টের
বাংলাদেশে আইনের শাসন, রাজনৈতিক বন্দি ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে স্কটিশ পার্লামেন্টে একটি স্ট্যান্ডার্ড মোশন (প্রস্তাব) উত্থাপন করা হয়েছে।
৯ই জুলাই, বৃহস্পতিবার স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) সদস্য মার্টিন ডে এই প্রস্তাব জমা দেন।
এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্দি, নির্বিচার আটক, ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং দমন-পীড়নের অভিযোগগুলোর জবাবদিহি অবশ্যই স্বাধীন আদালত, সুষ্ঠু বিচার, আইনের শাসন এবং যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে। তবে তা যেন কোনোভাবেই দলটির কর্মীদের ওপর সমষ্টিগত শাস্তি বা রাজনৈতিক প্রতিশোধের রূপ না নেয়।
এতে আরও উল্লেখ করা
হয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়েছে, যা উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আটক ব্যক্তিদের, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া (ডিউ প্রসেস) নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১২৪ জন সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১৪ জন কারাগারে, ৮ জন অস্থায়ী জামিনে রয়েছেন এবং দুজন নিরাপত্তা হেফাজতে মারা গেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এত বিপুলসংখ্যক জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার দীর্ঘদিন ধরে আটক থাকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আটক
ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইন অপব্যবহার, আইনজীবীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা, জনতার সহিংসতা এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মতপ্রকাশ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সাংবাদিকতা, আইনগত প্রতিনিধিত্ব কিংবা সরকারের সমালোচনার কারণে কাউকে আটক করা গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের আটকের নিন্দা জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, আটক প্রত্যেক ব্যক্তির দ্রুত আইনজীবীর সহায়তা পাওয়ার সুযোগ, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা, স্বাধীন বিচারিক পর্যালোচনা এবং প্রকাশ্য ও নিরপেক্ষ বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রস্তাবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা মতপ্রকাশের
কারণে আটক সব ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক বন্দিদের বিষয়ে সুস্পষ্ট তথ্য প্রকাশ, নির্যাতন, হেফাজতে মৃত্যু ও গুমের অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত, বিচার বিভাগ ও আইনজীবী পেশার স্বাধীনতা রক্ষা এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে কার্যকর বেসামরিক তদারকির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, নারী, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে যুক্তরাজ্য সরকার, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, তারা যেন বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে এসব মানবাধিকার উদ্বেগের বিষয়গুলো উত্থাপন করে এবং বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার, যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির সদস্য মার্টিন
ডে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে সমর্থন জানিয়েছেন স্টিভেন বোনার এবং পল সুইনি।
হয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়েছে, যা উদ্বেগের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আটক ব্যক্তিদের, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ-সমর্থকদের ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া (ডিউ প্রসেস) নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১২৪ জন সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১৪ জন কারাগারে, ৮ জন অস্থায়ী জামিনে রয়েছেন এবং দুজন নিরাপত্তা হেফাজতে মারা গেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এত বিপুলসংখ্যক জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতার দীর্ঘদিন ধরে আটক থাকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আটক
ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইন অপব্যবহার, আইনজীবীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা, জনতার সহিংসতা এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মতপ্রকাশ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সাংবাদিকতা, আইনগত প্রতিনিধিত্ব কিংবা সরকারের সমালোচনার কারণে কাউকে আটক করা গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের আটকের নিন্দা জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, আটক প্রত্যেক ব্যক্তির দ্রুত আইনজীবীর সহায়তা পাওয়ার সুযোগ, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা, স্বাধীন বিচারিক পর্যালোচনা এবং প্রকাশ্য ও নিরপেক্ষ বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। প্রস্তাবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা মতপ্রকাশের
কারণে আটক সব ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক বন্দিদের বিষয়ে সুস্পষ্ট তথ্য প্রকাশ, নির্যাতন, হেফাজতে মৃত্যু ও গুমের অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত, বিচার বিভাগ ও আইনজীবী পেশার স্বাধীনতা রক্ষা এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে কার্যকর বেসামরিক তদারকির আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, নারী, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রস্তাবে যুক্তরাজ্য সরকার, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, তারা যেন বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে এসব মানবাধিকার উদ্বেগের বিষয়গুলো উত্থাপন করে এবং বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার, যথাযথ বিচারিক প্রক্রিয়া ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে। স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির সদস্য মার্টিন
ডে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে সমর্থন জানিয়েছেন স্টিভেন বোনার এবং পল সুইনি।





