আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৫ July, ২০২৬

আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ July, ২০২৬ |
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাক্কালে মাউন্ট রাশমোরে বক্তব্য দেওয়ার সময় নিজের পুরোনো আক্ষেপের কথা নতুন করে তুলে ধরেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নানা সাফল্যের কথা উল্লেখ করার ফাঁকে তিনি অভিযোগ করেন, তাকে এখনও নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। আমেরিকানদের বিভিন্ন আবিষ্কার, অগ্রগতি এবং সেই সাথে গান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে দেশটির আধিপত্যের কথা তুলে ধরার সময় ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমেরিকানরা বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি অলিম্পিক মেডেল এবং সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার জিতেছে। এর পরপরই তিনি আক্ষেপের সুরে যোগ করেন, তবে, তারা আমাকে একটিও দেয়নি। ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে ‘আটটি যুদ্ধ’ মিটমাট করা সত্ত্বেও তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়নি; যদিও

এটি তার প্রায়শই বলা একটি অতিরঞ্জিত দাবি। উল্লেখ্য, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শান্তিতে মানবজাতির সর্বোচ্চ কল্যাণে অবদানের জন্য এ পর্যন্ত ৪২০ জনেরও বেশি মার্কিন নাগরিক নোবেল পেয়েছেন, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি নিয়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের আগ্রহ রয়েছে। এমনকি নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুর দিকের অনেকটা সময় তিনি শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য প্রকাশ্যে তদবিরও করেছিলেন। গত জানুয়ারিতে তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য আর কেউ নেই। তবে শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো। গত জানুয়ারিতে তিনি তার মেডেলটি ট্রাম্পকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও নোবেল কমিটি দ্রুতই স্পষ্ট করে দেয়

যে, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রতীকী বিষয় মাত্র। সেসময় এক বিবৃতিতে কমিটি জানায়, পদক বা পুরস্কারের অর্থ যার কাছেই যাক না কেন, ইতিহাসে প্রকৃত বিজয়ী হিসেবে মূল প্রাপকের নামই লিপিবদ্ধ থাকবে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্টের এই আকাঙ্ক্ষার কথা হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিদের বেশ ভালোভাবেই জানা। গত আগস্টে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের এক সাবেক সহযোগী জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প এই পুরস্কারটিকে তার ঐতিহাসিক পরিচয়ের ‘চূড়ান্ত স্বীকৃতি’ হিসেবে বিবেচনা করেন। ইতিহাসে এ যাবত কেবল দুজন ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোবেল পেয়েছেন—১৯২০ সালে উড্রো উইলসন এবং ২০০৯ সালে বারাক ওবামা। এদিকে ট্রাম্পের এই নোবেল-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। গত সপ্তাহে

তিনি রসিকতা করে বলেন, তিনি ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করছেন কারণ ট্রাম্প ‘অন্তত ৩৮ বার’ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করেছেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) হান্টার লেখেন, ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্ট একই যুদ্ধ এতবার শেষ করেননি। এবং তিনি এটি শেষ করার ধারেকাছেও নেই। এটি এমন এক রেকর্ড যা নোবেল কমিটির স্বীকৃতির দাবি রাখে। সূত্র: দ্য হিল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের