ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন মশা ছাড়ার পরিকল্পনা করছে গুগল
দ্বন্দ্ব নয়, মানবতাই হোক লক্ষ্য
হোয়াটসঅ্যাপে এলো মেটার এআই বিজনেস এজেন্ট: ব্যবহারে লাগবে ফি
যে কারণে খাঁটি স্বর্ণে মরিচা ধরে না
চালু হলো হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের পেইড ভার্সন, খরচ কত?
স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে চান? এই পরামর্শগুলো মানুন
মামলায় হেরে গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি
এনটিএমসি’র নতুন প্রযুক্তি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারবিরোধী পোস্টদাতা শনাক্ত সহজ করবে
জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারবিরোধী কনটেন্ট ও প্রচারণা ঠেকাতে নতুন প্রযুক্তি ক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সহজেই সরকারবিরোধী পোস্ট, অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করতে পারবে এবং ব্যবহারকারীর লোকেশনও নির্ণয় করতে সক্ষম হবে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি ক্যাবিনেট কমিটি অন গভর্নমেন্ট পারচেজের অনুমোদনের পর এনটিএমসি “এক্সপ্যানশন অব কনটেন্ট ব্লকিং অ্যান্ড ফিল্টারিং সিস্টেম (ফেজ-১)” প্রকল্পের আওতায় উন্নত প্রযুক্তি সংগ্রহ করছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে ফেসবুক, এক্স (টুইটার), টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী প্রচারণা দ্রুত শনাক্ত, ফিল্টার এবং ব্লক করা সম্ভব হবে।
সূত্রগুলো জানায়, নতুন টুলসগুলোতে অ্যাডভান্সড মনিটরিং, কীওয়ার্ড অ্যানালাইসিস, অ্যাকাউন্ট ট্র্যাকিং এবং জিওলোকেশন সুবিধা থাকবে। ফলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরকারবিরোধী
পোস্ট দ্রুত চিহ্নিত করে আইডি ব্যবহারকারীর আনুমানিক অবস্থানও নির্ধারণ করতে পারবে। এটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও অপপ্রচার রোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সরকারি মহল। এনটিএমসি ইতোমধ্যে কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিংয়ে সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। নতুন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অনলাইন অপতৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের উন্নত সার্ভেইল্যান্স প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন অনেকে। সমালোচকরা বলছেন, এসব টুলসের অপব্যবহার করে সরকার বিরোধী মতামতকে দমন করতে পারে, যা বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন যে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে এই প্রযুক্তি আরও শক্তিশালী করে তুলবে এবং নাগরিকদের ওপর নজরদারি বাড়াবে। সরকারের
পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তি শুধুমাত্র অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, গুজব ও দেশবিরোধী প্রচারণা রোধে ব্যবহার করা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা স্বচ্ছতা, আইনি নিয়ন্ত্রণ ও মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। এনটিএমসি’র এই উদ্যোগ বাংলাদেশে ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থার আরেকটি ধাপ বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
পোস্ট দ্রুত চিহ্নিত করে আইডি ব্যবহারকারীর আনুমানিক অবস্থানও নির্ধারণ করতে পারবে। এটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও অপপ্রচার রোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সরকারি মহল। এনটিএমসি ইতোমধ্যে কনটেন্ট ব্লকিং ও ফিল্টারিংয়ে সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। নতুন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অনলাইন অপতৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ ধরনের উন্নত সার্ভেইল্যান্স প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন অনেকে। সমালোচকরা বলছেন, এসব টুলসের অপব্যবহার করে সরকার বিরোধী মতামতকে দমন করতে পারে, যা বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তারা আশঙ্কা করছেন যে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে এই প্রযুক্তি আরও শক্তিশালী করে তুলবে এবং নাগরিকদের ওপর নজরদারি বাড়াবে। সরকারের
পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তি শুধুমাত্র অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, গুজব ও দেশবিরোধী প্রচারণা রোধে ব্যবহার করা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা স্বচ্ছতা, আইনি নিয়ন্ত্রণ ও মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। এনটিএমসি’র এই উদ্যোগ বাংলাদেশে ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থার আরেকটি ধাপ বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।



