ডিম ও সবজির দামে অস্বস্তি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ August, ২০২৫

ডিম ও সবজির দামে অস্বস্তি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ August, ২০২৫ |
মাছ-মাংসের দাম বেশি থাকায় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ডিম ও সবজি প্রধান ভরসা হয়ে ওঠে। এই নিত্যপণ্য দুটির বাজারে এখন বেশ অস্বস্তি রয়েছে। ডিমের দাম যেমনি বেড়েছে, তেমনি সব ধরনের সবজির দামও বেশি। ভোক্তাদের অভিযোগ, সরকারের দুর্বল তদারকির কারণে ব্যবসায়ীরা আগের মতো কারসাজিতে লিপ্ত হচ্ছে। নানা ছুতোয় জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে। এতে বেশ বিপাকে পড়ছেন কম আয়ের মানুষেরা। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্রীষ্মকালীন সবজির উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই কম। তাছাড়া সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে সবজির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সবজি পচে গেছে। এ জন্য সরবরাহ কম, যা দামকে উস্কে দিচ্ছে। অন্যদিকে সবজির সরবরাহ কম থাকায় ডিমের চাহিদা বাড়ছে। যে কারণে দাম বাড়ছে ডিমের। গতকাল বৃহস্পতিবার

রাজধানীর আগারগাঁও, মহাখালী ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি গোল বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় আর লম্বা বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পটোল, কাঁকরোল ও ড্যাঁড়শের কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায়, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ও ঝিঙ্গের কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, উচ্ছে বা করলার কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। অন্যদিকে প্রতি কেজি মূলা ৪০ থেকে ৫০ ও পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। লাউ ও কুমড়োর পিচ কিনতে গেলে ক্রেতাকে খরচ করতে হচ্ছে ৬০

থেকে ৭০ টাকা। এছাড়া মানভেদে প্রতি কেজি টমেটো ১৪০ থেকে ১৭০ ও কাঁচামরিচ ২২০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর দরে পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে। কয়েক মাস ধরে এই দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু। মহাখালী কাঁচাবাজারের সবজি ব্যবসায়ী আবু বকর বলেন, উৎপাদন এলাকা থেকে কারওয়ান বাজারে সবজি তুলনামূলক কম আসছে। এ জন্য পাইকারিতে সব সবজির দাম বাড়তি। সরবরাহ না বাড়লে দাম কমবে না। কারওয়ান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী দুলাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় সবজির ফলন নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে সবজি কম আসছে। তাছাড়া কিছু সবজি আছে যেগুলোর এখন মৌসুম নয়। সেগুলোর দাম বেশি।

সবজির দাম বাড়ার প্রভাব দেখা গেছে ডিম ও মুরগির বাজারে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। পাড়া-মহল্লায় প্রতি ডজন ডিম কিনতে গেলে ক্রেতাকে খরচ করতে হচ্ছে ১৫০ টাকা। সপ্তাহ দুয়েক আগে ডিমের ডজন ছিল ১৩০ টাকার আশপাশে। ডিমের মতো মুরগির দামও কিছুটা চড়া। গত ১০-১২ দিনে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ান বাজারের ডিম ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে বাড়ছে ডিমের দাম। ডজন ১৩০ থেকে বেড়ে এখন দেড়শ টাকার কাছাকাছি হয়ে

গেছে। পাইকারি পর্যায়ে বাড়ার কারণে খুচরায় দর বাড়তি। তবে প্রতিদিনই বাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের লোকজন আসে। দাম বেশি রাখার সুযোগ নেই। ভারত থেকে আমদানির প্রভাবে বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত দেখা গেছে। দেশি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৮৫ এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১২০ এবং আমদানি করা রসুনের কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে কিছুটা বেড়ে খোলা আটা ৪৫ থেকে ৫০ এবং প্যাকেট আটা ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সম্প্রতি ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হলেও বাজারে এর প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি। খুচরায় প্রতি কেজি

সরু চালের কেজি ৭৫ থেকে ৮০, মাঝারি চাল ৬০ থেকে ৬৫ এবং মোটা চালের কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মসুর ডাল সংকটের অজুহাতে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতি কেজি কিনতে খরচ করতে হবে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। তবে আমদানি করা মসুর ডাল কেনা যাচ্ছে ৯৫ থেকে ১০৫ টাকা দরে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) গতকালের বাজার দরের তথ্যে দেখা গেছে, এক বছরের ব্যবধানে গড়ে ১২ শতাংশ বেড়েছে চালের দাম। এছাড়া এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে খোলা আটা, ডিম, ডাল, মুরগির দর। কারওয়ান বাজার থেকে সবজি কেনার পর হামিমুর রহমান নামের এক

ক্রেতা বলেন, সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের তদারকির ধারাবাহিকতা নেই। ফলে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। এখনই লাগাম টেনে ধরতে না পারলে কম আয়ের মানুষেরা সামনে আরও বড় বিপদে পড়বেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের