ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে যে কৌশল নিচ্ছে ইইউ
যুক্তরাষ্ট্র মনে করে আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে তার শক্তিই বড়: জাতিসংঘ মহাসচিব
দুই দেশের সমীকরণ কোন পথে
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র
সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি
ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ
বিয়ে করলে ১৬ লাখ, সন্তান হলে ৩২ লাখ টাকা
আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রথমবার সিরিয়ার ফার্স্টলেডি
সিরিয়ার ফার্স্টলেডি লতিফা আল-দ্রুবি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক একমঞ্চে হাজির হয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। তিনি তুরস্কের আনতালিয়ায় ১১-১৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ‘আনতালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরাম’-এ অংশ নেন। সেখানে তিনি তুরস্কের ফার্স্টলেডি এমিনে এরদোগানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এই সম্মেলনে বিশ্বের নানা দেশের কূটনীতিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বেরা অংশ নেন। লতিফা আল-দ্রুবির উপস্থিতি আরব মিডিয়ার নজর কেড়ে নিয়েছে।
এর আগে তাকে সবসময়ই কালো আরব ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দেখা যেত। তবে এই ফোরামে তিনি তুর্কি ফার্স্টলেডির মতোই কিছুটা মুক্ত ও আধুনিক পোশাকে হাজির হন।
সাক্ষাতের পর এমিনে এরদোগান সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আমরা একসঙ্গে সিরিয়ার নারী ও শিশুদের জীবন উন্নত করার কিছু প্রকল্প নিয়ে
আলোচনা করেছি। আশা করি এই উদ্যোগগুলো শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে।’ এই অনুষ্ঠান ছিল লতিফা আল-দ্রুবির প্রথম আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, যা তার স্বামী আহমাদ আল-শারার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি। লতিফা ১৯৮৪ সালে সিরিয়ার হোমসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টার্স করেছেন এবং তিন ছেলের মা। আহমাদ আল-শারা, যিনি আগে আবু মোহাম্মদ আল-জুলানি নামে পরিচিত ছিলেন, এখন এক নতুন ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে চাইছেন। স্ত্রীর আন্তর্জাতিক উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি সিরিয়ার সরকারকে আরও মধ্যপন্থী ও আধুনিকভাবে তুলে ধরতে চাইছেন।
আলোচনা করেছি। আশা করি এই উদ্যোগগুলো শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে।’ এই অনুষ্ঠান ছিল লতিফা আল-দ্রুবির প্রথম আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, যা তার স্বামী আহমাদ আল-শারার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তার প্রথম প্রকাশ্য উপস্থিতি। লতিফা ১৯৮৪ সালে সিরিয়ার হোমসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টার্স করেছেন এবং তিন ছেলের মা। আহমাদ আল-শারা, যিনি আগে আবু মোহাম্মদ আল-জুলানি নামে পরিচিত ছিলেন, এখন এক নতুন ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে চাইছেন। স্ত্রীর আন্তর্জাতিক উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি সিরিয়ার সরকারকে আরও মধ্যপন্থী ও আধুনিকভাবে তুলে ধরতে চাইছেন।



