২ বিলিয়ন ডলার চায় বিপিসি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ July, ২০২৫

২ বিলিয়ন ডলার চায় বিপিসি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ July, ২০২৫ |
জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার নির্মাণের আলোচিত প্রকল্প ‘ইনস্টলেশন অব ইআরএল ইউনিট-২’ বাস্তবায়ন করতে অর্থ খোঁজ করছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এরই মধ্যে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে দুই থেকে আড়াই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ চেয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বছরে অতিরিক্ত তিন মিলিয়ন টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধের ক্ষমতা বাড়বে। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রকল্পটির ব্যয় আগের চেয়ে বেড়েছে। বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বা ৪২ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আমরা এরই মধ্যে এআইআইবির কাছে আড়াই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ চেয়েছি। তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ঋণের সুদ প্রসঙ্গে বলেন, সুদ একটু বেশি হবে।

এআইআইবি প্রায় ছয় শতাংশ সুদের হার প্রস্তাব করছে। আর বাকি অর্থ বিপিসি থেকে দেওয়া হবে। চেয়ারম্যান বলেন, সরকার আলোচনা চূড়ান্ত করার পর বিপিসি দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া শুরু করবে। প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর থেকে শেষ হতে পাঁচ বছর সময় লাগবে। জ্বালানি বিভাগের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ৪০ শতাংশ সরকারের তহবিল থেকে আর বাকি ৬০ শতাংশ বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও বহুজাতিক ব্যাংকগুলো থেকে ঋণ নেওয়া হবে। আর এই প্রকল্পে বিপিসি নিজস্ব দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। জানা গেছে, বিপিসি তার বিপণন মুনাফা থেকে প্রায় ১৫০ বিলিয়ন টাকা আলাদা করে রেখেছে এবং অতিরিক্ত ১১০ বিলিয়ন টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে।

এ ছাড়া এরই মধ্যে প্রকল্পটিতে মার্কিন এক্সিম, চীনা ব্যাংক এবং অন্যান্য বহুপক্ষীয় দাতা সংস্থাসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, ৫৬ বছর আগে নির্মিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগারটির পরিশোধন ক্ষমতা দেড় মিলিয়ন টন, যা দেশের জ্বালানি চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ পূরণ করে। নতুন তেল শোধনাগারটি অতিরিক্ত ৩ মিলিয়ন টন পরিশোধন করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি চাহিদার ৬০ শতাংশ পূরণ করবে। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গত বছরের ২৯ আগস্ট বিশেষ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ আইনের অধীনে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ হিসেবে প্রস্তাবিত ইআরএল ইউনিট-২ প্রকল্পটি বাতিল

করে দেয়। একই সঙ্গে প্রকল্পটির ডিপিপি বৈদেশিক মুদ্রার হালনাগাদ রেট অনুযায়ী প্রাক্কলন এবং সমস্ত ক্রয় পরিকল্পনা পিপিআর-২০০৮ অনুযায়ী প্রণয়নপূর্বক পরিকল্পনা কমিশনে পুনর্গঠিত ডিপিপি প্রেরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনার পর প্রকল্পটির জন্য নতুন করে ডিপিপি করে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগে সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশে প্রকল্পটিতে এস আলম গ্রুপকে যুক্ত করা হয়। গ্রুপটি এখানে বিনিয়োগের বিপরীতে ৫১ শতাংশ মালিকানা চেয়েছিল। তবে বিপিসি ৬০ শতাংশ মালিকানা সরকারের হাতে রাখার পক্ষে মত দেয়। পরে অংশীদারত্বের বিষয়টি চূড়ান্ত না করে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের সিদ্ধান্ত হয়। সমঝোতা স্মারকের খসড়াটি ভেটিংয়ের জন্য গত বছরের জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে পাঠানো হয় আইন মন্ত্রণালয়ে। এস

আলম গ্রুপের অংশীদারত্বে পরিশোধনাগার নির্মাণ নিয়ে সম্মত ছিল না জ্বালানি বিভাগও। বর্তমান ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধনাগারটি নির্মাণ করেছিল ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান টেকনিপ। নতুন পরিশোধনাগারটি তাদের মাধ্যমে করার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল সরকার। দেশে জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা না বাড়ায় বেশি পরিমাণে ডিজেল আমদানি করতে হয়। এতে প্রতি বছর বাড়তি ডলার খরচ করতে হচ্ছে সরকারকে। বছরে ৬০ থেকে ৬৫ লাখ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করে বিপিসি। এর মধ্যে ৪৬ লাখ টন ডিজেল। দেশের একমাত্র পরিশোধনাগারটি থেকে পাওয়া যায় ছয় লাখ টন ডিজেল, বাকিটা আমদানি করতে হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের