সবজির বাজার চড়া, বাড়তি মাছের দামও

ঈদের পর এখনো ফাঁকা রাজধানীর খুচরা বাজার। ক্রেতা নেই বললেই চলে। শুক্রবার ছুটির দিন প্রয়োজনের তাগিদে নিত্যপণ্যের বাজারে আসছেন ক্রেতা। এর মধ্যেই সরবরাহ সংকটের অজুহাতে হঠাৎ বেড়েছে সবজির বাজার। বাড়তি মাছের দামও। পরিস্থিতি এমন- এক কেজি পাঙাশ কিনতে ক্রেতার ২০০-২২০ টাকা গুনতে হচ্ছে, যা ঈদের আগেও ১৮০-১৯০ টাকা ছিল। তবে কমেছে মুরগি ও গরুর মাংসের দাম।
শুক্রবার রাজধানীর একাধিক খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
ঈদের পর বাজারে কাঁচা মরিচ, টমেটো, পেঁপে, শসা, লেবুর দাম বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ৬০-৬৫ টাকা, যা সাতদিন আগেও ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি
পেঁপে কিনতে ক্রেতার গুনতে হচ্ছে ৬০ টাকা, যা আগে ৫০ টাকা ছিল। এছাড়া প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০, যা আগে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। ঈদের আগেও খুচরা পর্যায়ে কাঁচা মরিচ ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকা। নয়াবাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সবজি আসা স্বাভাবিক হয়নি। পুরোদমে ব্যবসা শুরু হতে আরও দু-একদিন সময় লাগবে। এ সময়ের মধ্যে সরবরাহ কমায় দাম কিছুটা বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই দাম আবার কমে আসবে। অন্যদিকে বাজারে মাছের দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি
হচ্ছে। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। বিক্রেতারা জানায়, প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা; যা ঈদের আগেও ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তেলাপিয়া প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা, যা আগে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সরপুঁটি প্রতি কেজির দাম ২২০-২৩০, যা আগে ২১০-২২০ টাকা ছিল। এছাড়া প্রতি কেজি চাষের কই ২৫০, বড় আকারের রুই ৩৫০-৪০০ এবং মাঝারি আকারের রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকা- যা সাতদিনের ব্যবধানে ৫-১০ টাকা বেশি। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাতলা ৩০০-৩৫০, চাষের চিংড়ি ৬৫০-৭৫০, নদীর চিংড়ি ৮০০-১০০০, শিংমাছ ৮৫০-৯০০ এবং ট্যাংরা ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর রায়সাহেব বাজারে মাছ কিনতে আসা মো.
শাকিল বলেন, ঈদের আগে মাছের দাম কম ছিল। ঈদের পর বাজারে ক্রেতা নেই। মাছেরও সরবরাহ পর্যাপ্ত। কিন্তু বিক্রেতারা বাড়তি দাম হাঁকাচ্ছেন। বিক্রেতারা সরবরাহ সংকটের কথা বললেও বাজারে সংকট নেই। মূলত ঈদের আগে মাংসের চাহিদার পর এখন সবাই মাছ খেতে চাচ্ছে। তাই বিক্রেতারা বাড়তি মুনাফা করতে মূল্য বাড়িয়ে বিক্রি করছে। তবে বাজার ঘুরে মাংসের দাম কমতে দেখা গেছে। শুক্রবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ২০০-২১০ টাকা, যা ঈদের আগে ২৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩১০, যা আগে ছিল ৩২০-৩৩০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৭৫০ টাকা। ঈদের আগে বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৭৫০-৮৫০ টাকা। কাওরান
বাজারের মাংস বিক্রেতা জিল্লু রহমান বলেন, বাজারে এখন মুরগির চাহিদা নেই বললেই চলে। যে কারণে পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। কম দামে আনায় আমরা খুচরা বিক্রেতারাও কম দামেই বিক্রি করছি। মনে হচ্ছে, দু-একদিনে দাম আরও কমে আসবে। একই বাজারের গরুর মাংস ব্যবসায়ী মো. রতন বলেন, ঈদের সময় সবাই বাসায় ভালো খাবারের আয়োজন করে। ওই সময় গরুর মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। যে কারণে ব্যাপারীরাও গরুর দাম বাড়িয়ে দেয়। এখন চাহিদা তেমন না থাকায় গরুর দাম কম।
পেঁপে কিনতে ক্রেতার গুনতে হচ্ছে ৬০ টাকা, যা আগে ৫০ টাকা ছিল। এছাড়া প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০, যা আগে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। ঈদের আগেও খুচরা পর্যায়ে কাঁচা মরিচ ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকা। নয়াবাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সবজি আসা স্বাভাবিক হয়নি। পুরোদমে ব্যবসা শুরু হতে আরও দু-একদিন সময় লাগবে। এ সময়ের মধ্যে সরবরাহ কমায় দাম কিছুটা বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই দাম আবার কমে আসবে। অন্যদিকে বাজারে মাছের দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি
হচ্ছে। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। বিক্রেতারা জানায়, প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা; যা ঈদের আগেও ১৮০-১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তেলাপিয়া প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা, যা আগে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সরপুঁটি প্রতি কেজির দাম ২২০-২৩০, যা আগে ২১০-২২০ টাকা ছিল। এছাড়া প্রতি কেজি চাষের কই ২৫০, বড় আকারের রুই ৩৫০-৪০০ এবং মাঝারি আকারের রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩২০ টাকা- যা সাতদিনের ব্যবধানে ৫-১০ টাকা বেশি। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাতলা ৩০০-৩৫০, চাষের চিংড়ি ৬৫০-৭৫০, নদীর চিংড়ি ৮০০-১০০০, শিংমাছ ৮৫০-৯০০ এবং ট্যাংরা ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর রায়সাহেব বাজারে মাছ কিনতে আসা মো.
শাকিল বলেন, ঈদের আগে মাছের দাম কম ছিল। ঈদের পর বাজারে ক্রেতা নেই। মাছেরও সরবরাহ পর্যাপ্ত। কিন্তু বিক্রেতারা বাড়তি দাম হাঁকাচ্ছেন। বিক্রেতারা সরবরাহ সংকটের কথা বললেও বাজারে সংকট নেই। মূলত ঈদের আগে মাংসের চাহিদার পর এখন সবাই মাছ খেতে চাচ্ছে। তাই বিক্রেতারা বাড়তি মুনাফা করতে মূল্য বাড়িয়ে বিক্রি করছে। তবে বাজার ঘুরে মাংসের দাম কমতে দেখা গেছে। শুক্রবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ২০০-২১০ টাকা, যা ঈদের আগে ২৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩১০, যা আগে ছিল ৩২০-৩৩০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৭৫০ টাকা। ঈদের আগে বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ৭৫০-৮৫০ টাকা। কাওরান
বাজারের মাংস বিক্রেতা জিল্লু রহমান বলেন, বাজারে এখন মুরগির চাহিদা নেই বললেই চলে। যে কারণে পাইকারি বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। কম দামে আনায় আমরা খুচরা বিক্রেতারাও কম দামেই বিক্রি করছি। মনে হচ্ছে, দু-একদিনে দাম আরও কমে আসবে। একই বাজারের গরুর মাংস ব্যবসায়ী মো. রতন বলেন, ঈদের সময় সবাই বাসায় ভালো খাবারের আয়োজন করে। ওই সময় গরুর মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। যে কারণে ব্যাপারীরাও গরুর দাম বাড়িয়ে দেয়। এখন চাহিদা তেমন না থাকায় গরুর দাম কম।