রাশিয়ায় দূরপাল্লার হামলায় পশ্চিমাদের ‘না’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ September, ২০২৪

রাশিয়ায় দূরপাল্লার হামলায় পশ্চিমাদের ‘না’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ September, ২০২৪ |
রাশিয়ার ভেতরে হামলা চালানোর জন্য ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ওয়াশিংটনে জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এমন আভাসই পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি। কিয়ারকে সাংবাদিকরা যখন জিজ্ঞেস করেছিলেন-ইউক্রেনকে রাশিয়ায় দূরপাল্লার স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দিতে বাইডেনকে রাজি করেছেন কি না, তখন কিয়ার এর সরাসরি কোনো জবাব দেননি তিনি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, বৈঠকে ইউক্রেনসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে দীর্ঘ এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে ইউক্রেন, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ইস্যুও ছিল। তবে হোয়াইট হাউজ বলেছে, তারা ইরান এবং উত্তর কোরিয়ার রাশিয়াকে প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট

ভ্লাদিমির পুতিন পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করেছিলেন ইউক্রেনকে রাশিয়ায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অনুমতি না দিতে। পুতিন বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো সরাসরি অংশগ্রহণ করছে- এমনটা বোঝাবে।’ সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব স্যার বেন ওয়ালেস বিবিসি রেডিও-৪-এর টুডে প্রোগ্রামকে জানান, পুতিনের হুমকি সত্ত্বেও ন্যাটোর উচিত হবে ইউক্রেনকে রাশিয়ায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে দেওয়া। কারণ হিসাবে তিনি বলেন, এই বিবাদে শুধু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনই লাভবান হচ্ছেন। এদিকে হোয়াইট হাউজে কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে দেখা করার আগে সাংবাদিকদের বাইডেন বলেন, ‘আমি পুতিনকে নিয়ে বেশি ভাবি না।’ রাশিয়-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য রাশিয়ার অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তুতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জন্য ইউক্রেনকে

অনুমতি দেয়নি। এতে সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলে তাদের ধারণা। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার পশ্চিমা মিত্রদের এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে, এটি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর একমাত্র উপায়। এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, তারা ইউক্রেনের আকাশে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করতে এখনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। শুক্রবার তিনি কিয়েভে ভিক্টর পিনচুক ফাউন্ডেশনের এক সম্মেলনে এ কথা বলেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এ খবর জানিয়েছে। জেলেনস্কি বলেন, যদি মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে একসঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারে, তাহলে ইউক্রেনের আকাশে কেন তা করা হচ্ছে না? এমনকি যখন

সেই ড্রোনগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের দিকে উড়ে আসে, তখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, আমাদের মিত্ররা অন্য সব বিষয়ে কাজ করার কথা বললেও আলোচনার সময় এই ইস্যু উত্থাপন করলে এ বিষয়ে তারা কিছু বলে না। তারা প্রসঙ্গ বদলে ফেলে। এতটাই ভীত যে, তারা বলতেও সাহস করে না যে, তারা এ নিয়ে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত শুধু বেলারুশকেই রাশিয়ার ড্রোন ভূপাতিত করতে দেখা গেছে। জেলেনস্কির অভিযোগ, পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণ প্রতিহত করতে ইসরাইলকে সহায়তা করা হলেও ইউক্রেনকে একই ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে না। ইউক্রেন প্রতিদিনই রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও

ড্রোন হামলার শিকার হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তেরর নিকটবর্তী গ্যাস সংরক্ষণ স্থাপনা লক্ষ্য করেও কিছু রুশ হামলা হচ্ছে। এমনকি কিছু ড্রোন রোমানিয়া, পোল্যান্ড ও সম্প্রতি লাটভিয়ার আকাশসীমায়ও প্রবেশ করেছে। তবে ইউক্রেনের মিত্ররা মনে করে, ইউক্রেনের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার পদক্ষেপ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে। এতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সংঘাত আরও তীব্র হতে পারে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে দুর্বল করার চেষ্টার অভিযোগে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম আরটির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এ ঘোষণা দেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সংবাদমাধ্যমটি রাশিয়া সমর্থিত মিডিয়া আউটলেটের একটি নেটওয়ার্কের অংশ, যা

গোপনে যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্রকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। একই সঙ্গে আরটিকে ‘রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার প্রকৃত হাত’ বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ব্লিঙ্কেন আরও বলেন, রাশিয়ান সরকার আরটির মধ্যে ঢুকে পড়েছে। সাইবার অপারেশনাল ক্ষমতা এবং রাশিয়ান গোয়েন্দাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একটি ইউনিট হয়ে পড়েছে এটি। এর আগে গত সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র ২০২৪ সালে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে বেশ কয়েকজন রুশ শীর্ষ সাংবাদিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন আরটির এডিটর ইন চিফ মার্গারিতা সিমানিয়া। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আরটি। সংবাদমাধ্যটি ব্লিঙ্কেনের বক্তব্যকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বলে ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে একটি ‘নতুন পেশা’ থাকা উচিত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের