যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি সেটা যেন হেলায় চলে না যায়: মির্জা ফখরুল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ September, ২০২৪

আরও খবর

মাগুরায় যুবদল নেতার রহস্যজনক মৃত্যু।

রংপুরের কাউনিয়ায় দিনদুপরে বাড়ির সামনেই আওয়ামী লীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

অ্যাডভোকেট পাপিয়া: মমতা-রাহুল কিংবা মোদি সবাই শেখ হাসিনার নিরাপত্তার ব্যাপারে একমত

ওবায়দুল কাদের: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে মরিয়া হয়ে বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিএনপি

নকল টিভিসহ বিভিন্ন ধান্দায় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে পলাতক গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতা এক যুগ পর গ্রেপ্তার

জামায়াত নেতাদের হাত ধরে সংসদে যেতে চান হিন্দু নেতারা, মন্দিরের সুরক্ষায় জামায়াতের প্রশংসা

যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি সেটা যেন হেলায় চলে না যায়: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ September, ২০২৪ |
যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি সেটা যেন হেলায় না চলে যায় এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, গণতন্ত্র যেন পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় তাই ২০১৬ সালে ভিশন ২০৩০ দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। বছর দুই এক আগে আমরা ৩১ দফা দিয়ে লড়াই সংগ্রাম করেছি। গত ১৬ বছরে আমাদের অনেক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপির বহু নেতা নির্বাসিত হয়েছে। আজকে আমরা যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি সেটা যেন হেলায় না চলে যায়। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র আর বিএনপি দুটি সমার্থক উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের

মানুষ শুধু ৫২ ও ৭১ সালে নয়, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবসময় লড়াই করেছেন। গণতন্ত্র আর বিএনপি দুটি সমার্থক। জিয়াউর রহমান এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতি শাসন থেকে প্রধানমন্ত্রীর শাসন এনেছিলেন। পাশাপাশি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তিনি প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সরকারে যারা আছেন তাদের বলব এখনো ফ্যাসিস্ট সরকারের অনেকে তাদের চেয়ারে বসে আছে। এরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বাধা হয়ে নানা ষড়যন্ত্র করতে চাচ্ছে। তাদের দ্রুত চেয়ার থেকে সরাতে হবে। বিএনপির মহাসচিব বলেন, পাশাপাশি এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করতে যারা আহত হয়েছে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে পুনর্বাসনের দাবি জানাচ্ছি বর্তমান সরকারের প্রতি। সমাবেশে

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি প্রমাণ করে বিএনপি গণতান্ত্রিক দল। বিএনপি মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা করেছিল। অর্থাৎ বিএনপির ইতিহাস হচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাস তাই গণতন্ত্র দিবস পালনের অধিকার বিএনপি রাখে। তিনি বলেন, বিএনপি যতদিন পর্যন্ত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে না পারবে তত দিন রাজপথে থাকবে। সমাবেশে বিএনপির আরেক জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ৫ হাজার কিলোমিটার দূরে বসে যে নেতা বাংলাদেশ থেকে স্বৈরাচার বিদায় করেছেন, সে নেতা হচ্ছে তারেক রহমান। বাংলাদেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতা যে ইতিহাস তৈরি করেছেন তা বিশ্বের ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে উল্লেখ করে আবদুল

মঈন খান বলেন, তবে একটা কথা না বললে আমার বক্তব্য অসমাপ্ত থাকবে, এ আন্দোলনের যে অগ্নি স্ফুলিঙ্গ উঠেছে তাতে যে লাভা বয়ে গেছে তার মাধ্যমে স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে। দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ছাত্র-জনতা যে সংস্কার করছে তা অবশ্যই দরকার। কিন্তু এ কথা মাথায় রাখতে হবে, এই সংস্কার শেষ হওয়ার পর দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সমাবেশের সমন্বয় করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন্নবী খান সোহেল। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান

সালাউদ্দিন টুকু ও ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ সদস্য সচিব আমিনুল হক, তানভীর আহমেদ রবিন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
চীনের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘চাম্পি’, আঘাত হানতে পারে যেসব অঞ্চলে বাংলাদেশের পূজায় চমকে গেলেন ময়ূখ, চাইলেন চট্টগ্রামের জন্য পুরস্কার জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ সৌদিগামী ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩৫, ভোগান্তির শেষ কোথায় আলজেরিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক জ্বালানি সহযোগিতার নতুন সুযোগ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ৯৭ শতাংশ কাজ শেষে কেন বাতিল হলো বিআরটি, এতে লাভ না ক্ষতি? আগামী ৫ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত, কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আরও কম্পন শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত, কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আরও কম্পন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করার দাবি তরুণদের সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ইউপিডিএফের গোলাগুলি বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময় জানাল অর্থ মন্ত্রণালয় পদত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা হয়েছিল, জানালেন ইশরাক হঠাৎ ইরান সীমান্তে ইসরাইলের ডজনখানেক যুদ্ধবিমান, নেপথ্যে কী? সুপার টাইফুন ‘চামপি’ আঘাত হানতে পারে যেখানে পারস্য উপসাগরে তেলবাহী ৪ জাহাজে ইরানের হামলা বনপাড়ায় ১২ মৃত্যু: সেই বাসটির ফিটনেস সনদের মেয়াদ ছিল না অস্ট্রেলিয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় বাংলাদেশের ড. শাহজাহান খান