ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবারও বোতলজাত সয়াবিনের সংকট, ৫ লিটারে বাড়তি গুণতে হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা
গমের জন্যেও ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, কেনা হচ্ছে ২ লাখ টনের বেশি
বিশ্ববাজারে টানা কমছে জ্বালানি তেলের দাম, বিন্দুমাত্র প্রভাব নেই দেশের বাজারে
সারাবিশ্বে স্টার্টআপ বিনিয়োগে জোয়ার: বাংলাদেশে ৫ বছরের সর্বনিম্নে, ১ বছরেই ৯৫ শতাংশ ধস
অনুমোদন পেল ৪ ডিজিটাল ব্যাংক
বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বহুমুখী চাপে রপ্তানিকারকেরা, বিপর্যস্ত অর্থনীতি
ভারতে দেড় লাখ রুপির নিচে নামল সোনার দাম
ভারতের বাজারে সোনার দামে বড় পতন হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (এমসিএক্স) ২৪ ক্যারেট সোনার দাম গুরুত্বপূর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার রুপির সীমা অতিক্রম করে নিচে নেমে যায়। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দরপতন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে মূল্যবান ধাতুটির বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
একদিনে কমেছে ৩ হাজার রুপির বেশি
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এমসিএক্সে অক্টোবরের চুক্তিতে প্রতি ১০ গ্রাম বিশুদ্ধ সোনার দাম কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৯ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এক ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।
আগের
দিনের তুলনায় এই দাম ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। রোববার প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৮১ রুপি। সোমবার বাজার শুরুর পর একপর্যায়ে তা নেমে আসে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬৭ রুপিতে। অর্থাৎ দিনের এক পর্যায়ে আগের দিনের তুলনায় দাম কমে যায় ৩ হাজার ২০০ রুপিরও বেশি। তবে এমসিএক্সে নির্ধারিত এই দাম সরাসরি খুচরা বাজারে বিক্রি হওয়া গহনার দাম নয়। দোকানে সোনার মূল্যের সঙ্গে ৩ শতাংশ জিএসটি এবং গহনা তৈরির মজুরি বা মেকিং চার্জ যোগ হয়। এ ছাড়া বাজারে ব্যবহৃত অধিকাংশ গহনা ২২ বা ১৮ ক্যারেটের হয়ে থাকে। ফলে ২৪ ক্যারেট সোনার আন্তর্জাতিক ও ফিউচারস বাজারের বেঞ্চমার্ক দামের
ভিত্তিতে এসব গহনার মূল্য আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারেও বড় দরপতন সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে। ১ সেপ্টেম্বরের পর এক দিনে এটিই ছিল সোনার দামে সবচেয়ে বড় পতন। আরও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত অন্যদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাও বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে। সাধারণত সোনা থেকে নিয়মিত সুদ পাওয়া যায় না। তাই সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদনির্ভর সম্পদ তুলনামূলক
আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। এতে সোনার চাহিদা ও দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে। শক্তিশালী ডলারের প্রভাব সোনার দর কমার পেছনে মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গত সপ্তাহে ডলারের মূল্য দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদের হারও বেড়েছে। ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ায় ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর ডলারের মূল্য শক্তিশালী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনার দাম সাধারণত চাপে পড়ে। ফলে ভারতের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
দিনের তুলনায় এই দাম ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। রোববার প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৮১ রুপি। সোমবার বাজার শুরুর পর একপর্যায়ে তা নেমে আসে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬৭ রুপিতে। অর্থাৎ দিনের এক পর্যায়ে আগের দিনের তুলনায় দাম কমে যায় ৩ হাজার ২০০ রুপিরও বেশি। তবে এমসিএক্সে নির্ধারিত এই দাম সরাসরি খুচরা বাজারে বিক্রি হওয়া গহনার দাম নয়। দোকানে সোনার মূল্যের সঙ্গে ৩ শতাংশ জিএসটি এবং গহনা তৈরির মজুরি বা মেকিং চার্জ যোগ হয়। এ ছাড়া বাজারে ব্যবহৃত অধিকাংশ গহনা ২২ বা ১৮ ক্যারেটের হয়ে থাকে। ফলে ২৪ ক্যারেট সোনার আন্তর্জাতিক ও ফিউচারস বাজারের বেঞ্চমার্ক দামের
ভিত্তিতে এসব গহনার মূল্য আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারেও বড় দরপতন সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে। ১ সেপ্টেম্বরের পর এক দিনে এটিই ছিল সোনার দামে সবচেয়ে বড় পতন। আরও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত অন্যদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাও বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে। সাধারণত সোনা থেকে নিয়মিত সুদ পাওয়া যায় না। তাই সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদনির্ভর সম্পদ তুলনামূলক
আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। এতে সোনার চাহিদা ও দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে। শক্তিশালী ডলারের প্রভাব সোনার দর কমার পেছনে মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গত সপ্তাহে ডলারের মূল্য দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদের হারও বেড়েছে। ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ায় ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর ডলারের মূল্য শক্তিশালী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনার দাম সাধারণত চাপে পড়ে। ফলে ভারতের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। সূত্র: এনডিটিভি



