বেনাপোল বন্দর: এক বছরে ভ্রমণ রাজস্ব কমেছে প্রায় ৯০ কোটি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ August, ২০২৫

বেনাপোল বন্দর: এক বছরে ভ্রমণ রাজস্ব কমেছে প্রায় ৯০ কোটি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ August, ২০২৫ |
প্রতি বছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রায় ২৫ লাখ যাত্রী ভারতে যাতায়াত করেন। তবে ভিসা না পাওয়ায় গত এক বছরে ভারতগামী যাত্রী সংখ্যা ১০ লাখের একটু বেশি। এতে ভ্রমণ খাতের রাজস্ব কমেছে প্রায় ৯০ কোটি টাকা। প্রতিবেশী দেশ ভারতে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রুট বেনাপোল। এখান থেকে ভারতের কলকাতা শহরের দূরত্ব মাত্র ৮৪ কিলোমিটার। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থাও অন্য যে কোনো বন্দরের তুলনায় উন্নত। সে কারণে চিকিৎসা, ব্যবসা, ভ্রমণ ও উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী এই বন্দর ব্যবহার করেন। বন্দর সূত্র জানায়, সদ্য শেষ হওয়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ পথে ১১ লাখ ৯০ হাজার ৮২১ জন পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করেছেন।

এর মধ্যে ভারতে গেছেন ৬ লাখ ৬ হাজার ৪১০ জন। আর ফিরেছেন ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৪১১ জন। এ থেকে সরকারের আয় হয়েছে প্রায় ১১০ কোটি টাকা। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ রুটে যাতায়াত করেছেন ২২ লাখ ৫ হাজার ৪৭৮ জন। রাজস্ব এসেছিল প্রায় ২০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে যাত্রী কমেছে ১০ লাখ ৫৯ হাজার ৬৫৭ জন। বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি ইলিয়াস হোসেন মুন্সী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আগে প্রতিদিন সাত-আট হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করতেন। এখন এ সংখ্যা ৩০০-৪০০-তে নেমে এসেছে।’ বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক বলেন, ‘ভারতীয় নাগরিকরা সহজে বাংলাদেশী ভিসা পেলেও বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে বেশি

ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আমাদের ব্যবসায়ীরা।’ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ ভারতের ভিসা জটিলতা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশীদের ভিসা দেয়া এক রকম বন্ধ করে দেয় ভারত। প্রায় এক বছর হতে চললেও এখন পর্যন্ত এটি স্বাভাবিক হয়নি। এ কারণে ভারতগামী যাত্রীদের চাপ কমেছে। এদিকে, সীমান্তের দুই পারের ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও বন্দর ব্যবস্থাপনা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে যাত্রীদের। দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে ছিনতাই ও প্রতারণার শিকার হওয়ার মতো নেতিবাচক অভিজ্ঞতাও রয়েছে অনেকের। এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি যাত্রীরা। অন্যদিকে, বন্দর এলাকায় নেই পর্যাপ্ত যাত্রী ছাউনিসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। শৌচাগার, বিশ্রামাগার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা—সবকিছু নিয়েও অভিযোগ রয়েছে

যাত্রীদের ভুক্তভোগী দিলীপ দাস বলেন, ‘ভ্রমণ কর বাড়লেও সেবার মান বাড়েনি। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।’ এ ব্যাপারে বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক কাজী রতন বলেন, ‘সেবার মান বাড়াতে বন্দরে নতুন যাত্রী ছাউনির জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। ভারতীয় অংশেও সেবার মান বাড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে। তারা সেভাবে কাজও করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের