ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণ, হাফেজকে গাছের সাথে বাঁধল জনতা
বৃদ্ধাশ্রমে ঢুকে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধাকে ধর্ষণচেষ্টা, মসজিদের ইমাম আটক
বিএনপি অধ্যুষিত রাউজানে অভিযান: সন্ত্রাসীদের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ১২ পুলিশ আহত
অসুস্থ গরুর গোশত বিক্রির চেষ্টা, ২ কসাইয়ের কারাদণ্ড
স্বেচ্ছাসেবক দলের চাঁদাবাজির কোন্দল: অন্ধ সবজি বিক্রেতার কিশোর পুত্রকে ভাতের টেবিল থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
রাজনৈতিক বিরোধের জেরে মানিকগঞ্জে জেলা ছাত্রলীগ নেতার হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে বন্ধুরা
প্রবাসী জামায়াত কর্মী ফুফার স্ত্রীর বিছানায় পুত্রের হাতে আটক শিবির নেতাকে হাঁসুয়ার কোপ, বাড়িতে আগুন
বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পলাতক বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সিপাহী মো. সাইফুল ইসলামকে (৩৭) গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার রাত ৮টায় র্যাব-১১’র মিডিয়া অফিসার এএসপি সনদ বড়ুয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান। মঙ্গলবার যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানাধীন বসুন্দিয়া এলাকায় র্যাব-১১ ও র্যাব-৬’র সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গ্রেফতার আসামি মো. সাইফুল ইসলাম বিডিআর বিদ্রোহ মামলার মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সে চলতি বছরের ৫ আগস্ট গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে আত্মোগোপন করে আসছিল।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালত সূত্রে জানা যায় যে, গ্রেফতার আসামি
মো. সাইফুল ইসলাম পিলখানায় সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় ২০০৯ সালের ৩ এপ্রিল লালবাগ থানা এলাকা থেকে র্যাব-২ কর্তৃক গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারের পর ২০০৯ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ছিলেন। এরপর ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা সিভিল কোর্টে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়। রায়ের পর ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর গাজীপুরে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘদিন সেখানে সেলে থাকার পর গত ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সৃষ্ট নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে কারাগার থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে থাকে।
মো. সাইফুল ইসলাম পিলখানায় সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় ২০০৯ সালের ৩ এপ্রিল লালবাগ থানা এলাকা থেকে র্যাব-২ কর্তৃক গ্রেফতার হয়। গ্রেফতারের পর ২০০৯ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক ছিলেন। এরপর ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা সিভিল কোর্টে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়। রায়ের পর ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর গাজীপুরে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘদিন সেখানে সেলে থাকার পর গত ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সৃষ্ট নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে কারাগার থেকে পালিয়ে দেশের বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে আত্মগোপনে থাকে।



