ফের অস্থির হয়ে উঠছে ভোজ্যতেলের বাজার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ July, ২০২৫

ফের অস্থির হয়ে উঠছে ভোজ্যতেলের বাজার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ July, ২০২৫ |
দেশে ভোজ্যতেলের বাজার কয়েক মাস ধরে দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে তা আবার অস্থির হয়ে উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ায় পাম অয়েল নির্ভর বায়োফুয়েল (জৈব জ্বালানি) নীতি ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যপণ্যটির মূল্য বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশের পাম অয়েল ও সয়াবিন তেলের বাজারে। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি ভোজ্যপণ্যের বাজার। আমদানি করা পণ্যের বড় অংশ এখান থেকেই নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক মাসে খাতুনগঞ্জে পাম অয়েলের দাম মণপ্রতি ৭০-৭৫ টাকা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সয়াবিনেও—দাম বেড়েছে মণপ্রতি ১০০ টাকা। বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশেও এখন পাম অয়েলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। বিশ্ববাজারে এপ্রিল-জুনে পাম অয়েলের দাম স্থিতিশীল ও কিছুটা

নিম্নমুখী ছিল। এপ্রিলে প্রতি টন অপরিশোধিত পাম অয়েলের দাম ছিল ৯৯৪ ডলার, যা মে মাসে কমে ৯০৮ ডলারে নামে। জুনে তা আবার বেড়ে হয় ৯৩৫ ডলার। তবে ২৫ জুলাই তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে টনে ১ হাজার ২০ থেকে ১ হাজার ২৫ ডলারে। গত কয়েক মাস বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত সয়াবিনের দাম প্রায় স্থিতিশীল ছিল। এপ্রিল-জুনে ভোজ্যতেলটির দাম ছিল ১ হাজার ১২০ থেকে ১ হাজার ১৬৭ ডলার। তবে জুলাইয়ের শুরুতে দাম স্থির থাকলেও মাসের শেষ দিকে মূল্য নেমে আসে ১ হাজার ডলারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাম অয়েল দিয়ে বায়োফুয়েল উৎপাদন বাড়াচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটি বর্তমানে বায়োফুয়েলের উৎপাদন ৩৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশে উন্নীত করছে।

২০২৫ সালের মধ্যে তা ৫০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশে জৈব জ্বালানি হিসেবে চাহিদা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক বাজারে এখন দাম বাড়ছে পাম অয়েলের। খাতসংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, বায়োফুয়েল হিসেবে ব্যবহার বাড়লে পাম অয়েল সহজলভ্য থাকবে না। এতে সয়াবিনের চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি দামও বাড়তে পারে। খাতুনগঞ্জ ঘুরে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার মণপ্রতি পাম অয়েল লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৭৭০ থেকে ৫ হাজার ৭৭৫ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ৫ হাজার ৭০০ টাকার মতো। সুপার পাম অয়েলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯০০ টাকায়। পাম অয়েলের দাম বাড়ায় সয়াবিনের দামও বেড়েছে মণপ্রতি ১০০ টাকা। এসও (সরবরাহ আদেশ) পর্যায়ে সয়াবিন লেনদেন হয়েছে ৬

হাজার ৫০০ টাকায়। পাইকারি দামের প্রভাব পড়ে খুচরা বাজারেও—খোলা পাম অয়েল ও সয়াবিনের দাম লিটারপ্রতি ৪-৫ টাকা বেড়েছে। বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মওলা বলেন, ‘দেশে এখন পর্যাপ্ত ভোজ্যতেলের মজুদ রয়েছে। ব্যাংকিং সমস্যা কমে যাওয়ায় ও ডলারের সরবরাহ বাড়ায় আমদানি স্বাভাবিক হয়েছে। তবে ইন্দোনেশিয়ার বায়োফুয়েল ইস্যুর কারণে সাম্প্রতিক সময়ে পাম অয়েলের দাম কিছুটা বেড়েছে।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের