ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া কিশোর গ্রেপ্তার
মিষ্টির রাজনৈতিক উত্থান যেভাবে
যুবদল নেতার আধিপত্য বিস্তার: মাদকের ভাগ-বাটোয়ারা থেকে বাকলিয়ায় প্রকাশ্য যুদ্ধ
যুবদল নেতার আধিপত্য বিস্তার: মাদকের ভাগ-বাটোয়ারা থেকে বাকলিয়ায় প্রকাশ্য যুদ্ধ
আটক জাসদ কর্মীদের জামিন চাওয়ায় আইনজীবীকে আদালত প্রাঙ্গণে সরকারি কৌঁসুলির মারধরের অভিযোগ!
ছাত্রদল নেত্রীর সাথে যুবদল নেতার গোপন সম্পর্ক, নেত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর মামলা
জাসদ কার্যালয়ে যুবদলের মব: পুলিশ আটকের পরে ১৭৯ জনকে ছেড়ে দিলেও এখনো আটক ২৬
ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিনই আধিপত্য বিস্তারের জেরে ছাত্রদলকর্মীর কবজি ও আঙুল বিচ্ছিন্ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী সফর ঘিরে যখন জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় ছিল ব্যাপক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ব্যস্ততা, ঠিক সেই রাতে ফেনীর সোনাগাজীর সোনাপুরে এক ছাত্রদল কর্মীর ওপর ভয়াবহ হামলার অভিযোগ উঠেছে। যুবদলকর্মীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আব্দুল হালিম আসিফ (২২) নামে এক যুবকের ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে দুই আঙুল পড়ে গেছে।
১লা অক্টোবর, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের বাদামতলী এলাকা মোস্তফা সওদাগর বাড়ির পাশে এই ঘটনা ঘটে।
আহত আসিফ উপজেলার ৮ নং আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুফ আলী সর্দার বাড়ির করিমুল হক স্বপ্নের ছেলে। স্থানীয়ভাবে আসিফ ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
স্বজনদের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে অবস্থান
নেওয়া এবং একটি চুরি মামলার আসামি সাঈদকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় আগে থেকেই আসিফকে টার্গেট করে রেখেছিল একটি পক্ষ। তবে সরেজমিনে গিয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। স্বজনদের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর উপলক্ষে নেতাকর্মীদের দাওয়াত দিয়ে মোটরসাইকেলে বাদামতলী বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন আসিফ। এ সময় চলন্ত মোটরসাইকেলের সামনে দাঁড়িয়ে চোখে লেজার লাইট ফেলে গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মোটরসাইকেলসহ বাদামতলী বাজার এলাকা থেকে মোস্তফা সওদাগর বাড়ির পাশের একটি স্থানে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘাড়ে আঘাত করলে সে ডান হাত
দিয়ে আত্নরক্ষা করার চেষ্টা করলে ডান হাতের দুইটি আঙুল ঘটনাস্থলেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যায়। হামলাকারীরা আসিফের সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে যায় বলেও স্বজনদের অভিযোগ। খবর পেয়ে আসিফের বড় ভাই আব্দুল হামিদ শাকিব, বাবা ও স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার বড় ভাই আব্দুল হামিদ শাকিব বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলাকারীরা অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় নুর হোসেন সেলিম
ও শামীমসহ তার লোকজন। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার চাই।” ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে নুর হোসেন সেলিম বলেন, ফেনী নদীর কলমিরচরে জায়গায় দখল নিয়ে কিছুদিন যাবত সোনাপুরে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিলো। গতকাল রাত ৩ টার দিকে আমার মোবাইল ফোনে অনেকে কল দিয়ে আমাকে জানিয়েছেন সোনাপুরে কিসের সংঘর্ষ হয়েছে। বিষয়টির সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি জানিও না। আমাকে ফাঁসানোর জন্যই তারা ষড়যন্ত্র করছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের দিন এমন সহিংস হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে যখন জেলার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছিল, ঠিক সেই সময়ে রাতের আঁধারে
একজন রাজনৈতিক কর্মীর ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল হাশেমকে বলেন, সোনাপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্ধ চলছিলো। গতরাতে যাকে কুপিয়ে হাতের আঙুল ফেলে দিয়েছে সে একজন ছাত্রদলকর্মী, অপরদিকে অভিযুক্ত নুর হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তৎক্ষনিক একজন গ্রেফতারও করেছি। মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নেওয়া এবং একটি চুরি মামলার আসামি সাঈদকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় আগে থেকেই আসিফকে টার্গেট করে রেখেছিল একটি পক্ষ। তবে সরেজমিনে গিয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। স্বজনদের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর উপলক্ষে নেতাকর্মীদের দাওয়াত দিয়ে মোটরসাইকেলে বাদামতলী বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন আসিফ। এ সময় চলন্ত মোটরসাইকেলের সামনে দাঁড়িয়ে চোখে লেজার লাইট ফেলে গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মোটরসাইকেলসহ বাদামতলী বাজার এলাকা থেকে মোস্তফা সওদাগর বাড়ির পাশের একটি স্থানে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘাড়ে আঘাত করলে সে ডান হাত
দিয়ে আত্নরক্ষা করার চেষ্টা করলে ডান হাতের দুইটি আঙুল ঘটনাস্থলেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যায়। হামলাকারীরা আসিফের সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে যায় বলেও স্বজনদের অভিযোগ। খবর পেয়ে আসিফের বড় ভাই আব্দুল হামিদ শাকিব, বাবা ও স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার বড় ভাই আব্দুল হামিদ শাকিব বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হয়েছে। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই হামলাকারীরা অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় নুর হোসেন সেলিম
ও শামীমসহ তার লোকজন। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার চাই।” ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে নুর হোসেন সেলিম বলেন, ফেনী নদীর কলমিরচরে জায়গায় দখল নিয়ে কিছুদিন যাবত সোনাপুরে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিলো। গতকাল রাত ৩ টার দিকে আমার মোবাইল ফোনে অনেকে কল দিয়ে আমাকে জানিয়েছেন সোনাপুরে কিসের সংঘর্ষ হয়েছে। বিষয়টির সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি জানিও না। আমাকে ফাঁসানোর জন্যই তারা ষড়যন্ত্র করছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের দিন এমন সহিংস হামলার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে যখন জেলার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছিল, ঠিক সেই সময়ে রাতের আঁধারে
একজন রাজনৈতিক কর্মীর ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আবুল হাশেমকে বলেন, সোনাপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্ধ চলছিলো। গতরাতে যাকে কুপিয়ে হাতের আঙুল ফেলে দিয়েছে সে একজন ছাত্রদলকর্মী, অপরদিকে অভিযুক্ত নুর হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তৎক্ষনিক একজন গ্রেফতারও করেছি। মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



