
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

বিশ্ববাণিজ্যে গত ১০০ বছরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন

মসজিদের সাইনবোর্ডে ভেসে উঠল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন : প্রেস সচিব

সম্প্রীতির অনন্য নজির, ঈদে এবার হিন্দুদের শরবত খাওয়াল মুসলিমরা

ব্যাংককে ইউনূস-মোদির বৈঠক শুক্রবার

চট্টগ্রামে জোড়া খুন: ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা

নতুন বাংলাদেশে সুযোগ দেখছে ইসলামি উগ্রপন্থীরা
নিউইয়র্ক টাইমসের সেই প্রতিবেদনের সাফাই গাইলেন বার্গম্যান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে গেল আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দেশ সৃষ্ট রাজনৈতিক শূন্যতা কট্টরপন্থীদের পথ সুগম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশে-বিদেশে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং প্রতিবেদনটিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিবেদনে গত বছরের ৫ আগস্টের পর দেশে সংঘটিত কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করা হলেও সেসবের বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে উপস্থাপিত হয়নি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান বলেছেন, এক দশক ধরে জামায়াতের ওপর দমন-পীড়নের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গেই যে,
বাংলাদেশে ইসলামি শক্তির পুনরুত্থান ঘটবে, তা মোটামুটি নিশ্চিতই ছিল। সম্প্রতি এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ওই প্রতিবেদনকে তিনি ‘মোটামুটি সঠিক চিত্রণ’ উল্লেখ করে বলেছেন, এটি নাগরিক সমাজে এসব ধর্মীয় শক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরেছে। বার্গম্যানের মতে, আওয়ামী লীগের পতনের ফলে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা এতদিন দমন-পীড়নের শিকার হওয়া ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর—বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর—শক্তি পুনর্সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিক্রিয়ায় তিনি লিখেছেন, আওয়ামী লীগ পতনের পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছুক্ষেত্রে এসব শক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নারী অধিকারের পক্ষে কথা বলেছে। তবে তা যথেষ্ট বলে প্রতীয়মান হয়নি বার্গম্যানের কাছে। তিনি সরকারের মধ্যকার ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক মতদ্বৈধতাকে এর জন্য
দায়ী করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এখন আওয়াজ তোলার দায়িত্ব তাদের, যারা একটি ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশে বিশ্বাস করেন।’ কিন্তু তার মতে ধর্মনিরপেক্ষতার ঝাণ্ডাধারীদের একটা বড় অংশই স্বৈরাচারী আওয়ামী ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাদের পক্ষে প্রকাশ্যে সরব হওয়াটা সহজ নয়।
বাংলাদেশে ইসলামি শক্তির পুনরুত্থান ঘটবে, তা মোটামুটি নিশ্চিতই ছিল। সম্প্রতি এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ওই প্রতিবেদনকে তিনি ‘মোটামুটি সঠিক চিত্রণ’ উল্লেখ করে বলেছেন, এটি নাগরিক সমাজে এসব ধর্মীয় শক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরেছে। বার্গম্যানের মতে, আওয়ামী লীগের পতনের ফলে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা এতদিন দমন-পীড়নের শিকার হওয়া ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর—বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর—শক্তি পুনর্সঞ্চয়ের সুযোগ করে দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিক্রিয়ায় তিনি লিখেছেন, আওয়ামী লীগ পতনের পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছুক্ষেত্রে এসব শক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নারী অধিকারের পক্ষে কথা বলেছে। তবে তা যথেষ্ট বলে প্রতীয়মান হয়নি বার্গম্যানের কাছে। তিনি সরকারের মধ্যকার ব্যক্তিবর্গের রাজনৈতিক মতদ্বৈধতাকে এর জন্য
দায়ী করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এখন আওয়াজ তোলার দায়িত্ব তাদের, যারা একটি ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশে বিশ্বাস করেন।’ কিন্তু তার মতে ধর্মনিরপেক্ষতার ঝাণ্ডাধারীদের একটা বড় অংশই স্বৈরাচারী আওয়ামী ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাদের পক্ষে প্রকাশ্যে সরব হওয়াটা সহজ নয়।