ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এখনই ১৮৩৭ টাকার সিলিন্ডার কিনছে ভোক্তারা ২৫০০-তে, নতুন প্রস্তাবে দাম ছাড়াতে পারে ৪ হাজার
অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থায় বাংলাদেশ
পে ফিক্সেশনের পর এবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন সুখবর
পিঠা, পুরি, পেঁয়াজু থেকে রেস্তোরাঁ—খাদ্য ব্যবসায় লাইসেন্স বাধ্যতামূলক
জয়পুরহাটে আলুর পর কলায়ও লোকসান গুণছেন চাষিরা
স্বর্ণের দাম কমল
ইইউতে বাংলাদেশের পোশাকের বাজার দখলে নিচ্ছে চীন-ভিয়েতনাম
গমের জন্যেও ভারতের দ্বারস্থ বাংলাদেশ, কেনা হচ্ছে ২ লাখ টনের বেশি
কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে গমের দাম বেড়েছে, একই সঙ্গে সরবরাহও কমে এসেছে। এমন প্রেক্ষাপটে গম আমদানির জন্য বাংলাদেশ আবার ভারতের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত আগস্টের শেষ দিকে ভারত রপ্তানিতে আরোপিত বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করে। এরপর থেকে বাংলাদেশের আমদানিকারকেরা ভারতীয় গম কেনার জন্য দুই লাখ টনের বেশি পণ্যের ঋণপত্র বা এলসি খুলেছেন।
২০২২ সালের পর বাংলাদেশে ভারতীয় গমের বড় চালানের জন্য এটাই প্রথম এলসি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল থেকে শস্য পরিবহন ধারাবাহিকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অঞ্চলটি বিশ্বের অন্যতম বড় গম রপ্তানিকারক হওয়ায়, এই বিঘ্ন বাংলাদেশের আমদানির উৎসেও পরিবর্তন এনেছে।
বাংলাদেশকে বছরে ৭০ লাখ
টনের বেশি গম আমদানি করতে হয়। ২০২২ সালের মে মাসে ভারত গম রপ্তানি বন্ধ করার আগে দেশের প্রয়োজনীয় গমের প্রায় ৭০ শতাংশই আসত ভারত থেকে। ভারতের রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশ আর্জেন্টিনা, কানাডা, রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম আনা শুরু করে। এসব উৎসের মধ্যে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসত দেশের মোট গম আমদানির প্রায় ৪০ শতাংশ। ব্লুমবার্গের সঙ্গে কথা বলা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, বাংলাদেশে ভারতীয় গমের বেশির ভাগই রেলপথে পরিবহন করা হবে। পরিবহন ব্যয়সহ প্রতি টন গমের দাম ৩০৫ থেকে ৩২৬ ডলারের মধ্যে পড়তে পারে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার আমদানিকারকেরাও জাহাজীকরণের আগে প্রতি টন ৩২৫ ডলার দরে প্রায় ৬০ হাজার টন ভারতীয় গম কিনেছেন। তীব্র দাবদাহে ফসলের
উৎপাদন কমে যাওয়ায় ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে গমের দাম বেড়েছিল। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় ২০২২ সালের মে মাসে দেশটি গম রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। ওই সিদ্ধান্তের পর নিয়মিত বাণিজ্যিক চালান পাঠানো বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় চার বছর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার পর, ২০২৬ সালে ভারত নির্দিষ্ট কোটা বেঁধে দিয়ে সীমিত পরিসরে গম রপ্তানির অনুমতি দিতে শুরু করে। বাংলাদেশের সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানিয়েছে, গত এক মাসে ঢাকায় ময়দার দাম ১৭ শতাংশ বেড়েছে। চালের পর গম দেশের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য। মূল্যস্ফীতি আগে থেকেই বেশি থাকায় গমের দাম আরও বাড়লে মানুষের জীবনযাত্রার খরচে অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের
শস্য গবেষণা বিভাগের প্রধান ভ্লাদিমির জিনকোভস্কি ব্লুমবার্গকে বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রধান উদ্বেগ গম পাওয়া যাবে কি না, তা নয়; বরং গম কেনার সামর্থ্য আছে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন। দাম বাড়লে মানুষ বিকল্প হিসেবে চালের ব্যবহার বাড়াতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
টনের বেশি গম আমদানি করতে হয়। ২০২২ সালের মে মাসে ভারত গম রপ্তানি বন্ধ করার আগে দেশের প্রয়োজনীয় গমের প্রায় ৭০ শতাংশই আসত ভারত থেকে। ভারতের রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর বাংলাদেশ আর্জেন্টিনা, কানাডা, রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম আনা শুরু করে। এসব উৎসের মধ্যে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসত দেশের মোট গম আমদানির প্রায় ৪০ শতাংশ। ব্লুমবার্গের সঙ্গে কথা বলা সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, বাংলাদেশে ভারতীয় গমের বেশির ভাগই রেলপথে পরিবহন করা হবে। পরিবহন ব্যয়সহ প্রতি টন গমের দাম ৩০৫ থেকে ৩২৬ ডলারের মধ্যে পড়তে পারে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার আমদানিকারকেরাও জাহাজীকরণের আগে প্রতি টন ৩২৫ ডলার দরে প্রায় ৬০ হাজার টন ভারতীয় গম কিনেছেন। তীব্র দাবদাহে ফসলের
উৎপাদন কমে যাওয়ায় ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে গমের দাম বেড়েছিল। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় ২০২২ সালের মে মাসে দেশটি গম রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। ওই সিদ্ধান্তের পর নিয়মিত বাণিজ্যিক চালান পাঠানো বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় চার বছর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার পর, ২০২৬ সালে ভারত নির্দিষ্ট কোটা বেঁধে দিয়ে সীমিত পরিসরে গম রপ্তানির অনুমতি দিতে শুরু করে। বাংলাদেশের সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানিয়েছে, গত এক মাসে ঢাকায় ময়দার দাম ১৭ শতাংশ বেড়েছে। চালের পর গম দেশের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য। মূল্যস্ফীতি আগে থেকেই বেশি থাকায় গমের দাম আরও বাড়লে মানুষের জীবনযাত্রার খরচে অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের
শস্য গবেষণা বিভাগের প্রধান ভ্লাদিমির জিনকোভস্কি ব্লুমবার্গকে বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রধান উদ্বেগ গম পাওয়া যাবে কি না, তা নয়; বরং গম কেনার সামর্থ্য আছে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন। দাম বাড়লে মানুষ বিকল্প হিসেবে চালের ব্যবহার বাড়াতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।





